সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: জঙ্গিপুরের বিধায়কের সঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্ব আরও বাড়ল। মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিক সম্মেলন করে পুরসভায় দুর্নীতির অভিযোগে ফের সুর চড়ালেন বিধায়ক জাকির হোসেন। সেইসঙ্গে জঙ্গিপুরের কংগ্রেস নেতা মোহন মাহাতর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন। এই দ্বন্দ্বে বেজায় অস্বস্তিতে তৃণমূল।
Advertisement
চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম ও ভাইস চেয়ারম্যান সন্তোষ চৌধুরী জানান, এভাবে চলতে থাকলে তাঁরা খুব তাড়াতাড়ি পদত্যাগ করবেন। চেয়ারম্যান দলের কাউন্সিলারদের নিয়ে এদিন রঘুনাথগঞ্জ থানার আইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। যদিও এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই তিনি দাবি করেছেন। বিধায়কের তোলা অভিযোগকে মোটেই পাত্তা দিচ্ছেন না কংগ্রেস নেতা। উল্টে তিনি পুরসভার দুর্নীতি নিয়ে পাল্টা তদন্তের দাবি করেছেন। জাকির হোসেন বলেন, আবাস সহ উন্নয়নের কাজে অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ খতিয়ে দেখার অধিকার আমার রয়েছে। সেই অধিকারে চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান হস্তক্ষেপ করতে পারে না। ওরা হস্তক্ষেপ করছে, কারণ ওরা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। ওদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।
জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা সাংসদ খলিলুর রহমান বলেন, বিশেষ কাজে বাইরে রয়েছি। কী ঘটেছে ফিরে খোঁজ নেব। দু’পক্ষের সঙ্গেই কথা বলব।
মঙ্গলবার সকালে উন্নয়নের কাজের সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যানকে জাকির হোসেন তাঁর রঘুনাথগঞ্জের বাসভবনে ডাকেন। কিন্তু সন্তোষবাবু সেখানে যাননি। তারপরই ক্ষুব্ধ বিধায়ক আবাসের উপভোক্তাদের তালিকা নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, ভাইস চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডে ১৪জন উপভোক্তা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য নয়। ওই ওয়ার্ডেরই বাসিন্দা জঙ্গিপুর পূর্বপাড় শহর কংগ্রেস সভাপতি মোহন মাহাত। বিধায়কের অভিযোগ, ওই কংগ্রেস নেতা আত্মীয়দের নামে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে একাধিক বাড়ি নিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক।
এদিন দুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান সহ শাসকদলের ১৬জন কাউন্সিলার থানায় গিয়ে আইসির সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়েই তাঁরা আইসিকে অবহিত করতে যান। থানা থেকে বেরিয়ে অবশ্য চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, শহরের পরিষেবা ও জরুরি বিষয়ে আলোচনা করতেই গিয়েছিলাম।
পুর ভবনে চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, পুরসভার কোনও কাউন্সিলার অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নয়। বিধায়ক হিংসাপরায়ণ হয়ে এসব বলছেন। উনি হয়তো চেয়ারম্যানের পদে বসতে চান। উনি বা দল চাইলে এই পদে আমরা তাঁকে স্বাগত জানাব।জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা সাংসদ খলিলুর রহমান বলেন, বিশেষ কাজে বাইরে রয়েছি। কী ঘটেছে ফিরে খোঁজ নেব। দু’পক্ষের সঙ্গেই কথা বলব।
মঙ্গলবার সকালে উন্নয়নের কাজের সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যানকে জাকির হোসেন তাঁর রঘুনাথগঞ্জের বাসভবনে ডাকেন। কিন্তু সন্তোষবাবু সেখানে যাননি। তারপরই ক্ষুব্ধ বিধায়ক আবাসের উপভোক্তাদের তালিকা নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, ভাইস চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডে ১৪জন উপভোক্তা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য নয়। ওই ওয়ার্ডেরই বাসিন্দা জঙ্গিপুর পূর্বপাড় শহর কংগ্রেস সভাপতি মোহন মাহাত। বিধায়কের অভিযোগ, ওই কংগ্রেস নেতা আত্মীয়দের নামে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে একাধিক বাড়ি নিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক।
এদিন দুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান সহ শাসকদলের ১৬জন কাউন্সিলার থানায় গিয়ে আইসির সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়েই তাঁরা আইসিকে অবহিত করতে যান। থানা থেকে বেরিয়ে অবশ্য চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, শহরের পরিষেবা ও জরুরি বিষয়ে আলোচনা করতেই গিয়েছিলাম।
ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি করে থাকলে সঠিক তদন্ত হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল যা শাস্তি দেবে, মাথা পেতে নেব। কংগ্রেস নেতা মোহন মাহাত বলেন, আমি কোনও বাড়ি নিইনি। আত্মীয়রা পেয়ে থাকলে কীভাবে পেয়েছেন, তাঁরাই বলতে পারবেন।



