সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: জঙ্গলে আগুন লাগালেই তা ধরা পড়বে স্যাটেলাইটে। সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভাতে বনকর্মীদের সঙ্গে একযোগে দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়বে। রাজ্যে বনদপ্তরের ৩২টি ডিভিশনে এমনই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বহু সচেতনতা মূলক কর্মসূচি নেওয়ার পরেও জঙ্গলে আগুন লাগানোর ঘটনা এড়ানো যায়নি। সেজন্য রাজ্যে বনদপ্তরের ৩২টি ডিভিশনে ফরেস্ট ফায়ার ম্যানেজমেন্ট কমিটি গড়া হবে। কমিটিগুলিতে বনদপ্তরের, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের ও দমকল বিভাগের আধিকারিকরা থাকবেন।
Advertisement
বনদপ্তরের বিষ্ণুপুর পাঞ্চেত ডিভিশনের আধিকারিক রাজু সরকার বলেন, জঙ্গলে আগুন লাগলে তৎক্ষণাৎ তা স্যাটেলাইটে ধরা পড়বে। সঙ্গে সঙ্গে এসএমএস এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তা ফায়ার ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাছে পৌঁছে যাবে। তার জন্য জেলায় একজন নোডাল অফিসারের মাধ্যমে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিটি জেলায় বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলা হবে। তাতে একটি টোল ফ্রি নম্বরও থাকবে।
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতের শেষের দিক থেকেই জঙ্গলে পাতাঝরার মরশুম শুরু হবে। ওই সময় গাছের তলায় শুকনো পাতার আস্তরণ তৈরি হয়। তাতে অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন ধরিয়ে দেন। আবার জ্বলন্ত বিড়ি থেকেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দাবানলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। তা নেভাতে বনকর্মীদের হিমশিম খেতে হয়। বনদপ্তরের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে বার বার সচেতনতামূলক প্রচার করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও জঙ্গলে আগুন লাগা ঠেকানো সম্ভব হয়নি। প্রতিবছরই বিভিন্ন জঙ্গলে আগুন লেগে বহু গাছ নষ্ট হয়েছে। এবছরেও যাতে সেই পরিস্থিতি না হয়, তার জন্যই এই উদ্যোগ। এতদিন আগুন নেভানোর ক্ষেত্রে বনদপ্তরের নিজস্ব একটি ফরেস্ট ফায়ার ম্যানেজমেন্ট কমিটি ছিল। এবার থেকে ওই কমিটিতে দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের আধিকারিকরাও থাকবেন। কোথাও বড়সড় আগুন লাগলে বনকর্মীরা দমকলকে খবর দিতেন। তাতে দেরি হতো। এবার থেকে ফায়ার ম্যানেজমেন্ট কমিটিতে দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের আধিকারিকরা থাকায় তাঁরাও মূহূর্তের মধ্যে জানতে পারবেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবেন। গোটা প্রক্রিয়াটি পরিচালনার জন্য রাজ্যের মোট ৩২টি ডিভিশনেই একজন করে নোডাল অফিসার নিযুক্ত করা হবে। কমিটিতে বনসুরক্ষা সমিতির সদস্যরাও থাকবেন।
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিং, দার্জিলিং ওয়াইল্ডলাইফ, গোরুমারা, জলদাপাড়া, কার্শিয়াং, কালিম্পং, বৈকুণ্ঠপুর, জলপাইগুড়ি বিটিআর (পূর্ব), জলপাইগুড়ি বিটিআর (পশ্চিম), কোচবিহার, রায়গঞ্জ, মালদা, বীরভুম, নদীয়া-মুর্শিদাবাদ, পুর্ব বর্ধমান, দুর্গাপুর, বাঁকুড়া উত্তর, বাঁকুড়া দক্ষিণ, বিষ্ণুপুর-পাঞ্চেত, কংসাবতী উত্তর, কংসাবতী দক্ষিণ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, রূপনারায়ণ, খড়্গপুর, মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া এসএফ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনা—এই ৩২টি ডিভিশনে জঙ্গলে আগুন ছড়ানো ঠেকাতে ফরেস্ট ফায়ার ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই মতো বনদপ্তরের চিফ কনজারভেটিভের পক্ষ থেকে প্রতিটি ডিভিশনে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ডিভিশনের কর্মকর্তাগণ সংশ্লিষ্ট দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে কমিটি গঠনে উদ্যোগী হয়েছেন।
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতের শেষের দিক থেকেই জঙ্গলে পাতাঝরার মরশুম শুরু হবে। ওই সময় গাছের তলায় শুকনো পাতার আস্তরণ তৈরি হয়। তাতে অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন ধরিয়ে দেন। আবার জ্বলন্ত বিড়ি থেকেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দাবানলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। তা নেভাতে বনকর্মীদের হিমশিম খেতে হয়। বনদপ্তরের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে বার বার সচেতনতামূলক প্রচার করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও জঙ্গলে আগুন লাগা ঠেকানো সম্ভব হয়নি। প্রতিবছরই বিভিন্ন জঙ্গলে আগুন লেগে বহু গাছ নষ্ট হয়েছে। এবছরেও যাতে সেই পরিস্থিতি না হয়, তার জন্যই এই উদ্যোগ। এতদিন আগুন নেভানোর ক্ষেত্রে বনদপ্তরের নিজস্ব একটি ফরেস্ট ফায়ার ম্যানেজমেন্ট কমিটি ছিল। এবার থেকে ওই কমিটিতে দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের আধিকারিকরাও থাকবেন। কোথাও বড়সড় আগুন লাগলে বনকর্মীরা দমকলকে খবর দিতেন। তাতে দেরি হতো। এবার থেকে ফায়ার ম্যানেজমেন্ট কমিটিতে দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের আধিকারিকরা থাকায় তাঁরাও মূহূর্তের মধ্যে জানতে পারবেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবেন। গোটা প্রক্রিয়াটি পরিচালনার জন্য রাজ্যের মোট ৩২টি ডিভিশনেই একজন করে নোডাল অফিসার নিযুক্ত করা হবে। কমিটিতে বনসুরক্ষা সমিতির সদস্যরাও থাকবেন।
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিং, দার্জিলিং ওয়াইল্ডলাইফ, গোরুমারা, জলদাপাড়া, কার্শিয়াং, কালিম্পং, বৈকুণ্ঠপুর, জলপাইগুড়ি বিটিআর (পূর্ব), জলপাইগুড়ি বিটিআর (পশ্চিম), কোচবিহার, রায়গঞ্জ, মালদা, বীরভুম, নদীয়া-মুর্শিদাবাদ, পুর্ব বর্ধমান, দুর্গাপুর, বাঁকুড়া উত্তর, বাঁকুড়া দক্ষিণ, বিষ্ণুপুর-পাঞ্চেত, কংসাবতী উত্তর, কংসাবতী দক্ষিণ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, রূপনারায়ণ, খড়্গপুর, মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া এসএফ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনা—এই ৩২টি ডিভিশনে জঙ্গলে আগুন ছড়ানো ঠেকাতে ফরেস্ট ফায়ার ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই মতো বনদপ্তরের চিফ কনজারভেটিভের পক্ষ থেকে প্রতিটি ডিভিশনে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ডিভিশনের কর্মকর্তাগণ সংশ্লিষ্ট দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে কমিটি গঠনে উদ্যোগী হয়েছেন।



