তারক চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি: বছরের অন্য সময়ে নিজেদের জমিতে উৎপাদিত ফসল বিক্রি করেই দিন কাটে শিলিগুড়ি শহর সংলগ্ন পোড়াঝাড় এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের। তবে দোল উৎসব আসতেই জমিতে উৎপাদিত গাজর, বিট, পালং শাক দিয়ে তৈরি করেন ভেষজ আবির। যা বিক্রি করে দোলের আগে বাড়তি মুনাফা অর্জন করেন মহিলারা। এবার ৫০ জন মহিলা ইতিমধ্যেই দুই কুইন্টাল ভেষজ আবির তৈরি করেছেন। সেই আবির রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি যাচ্ছে কলকাতাতেও। ছ’বছর ধরে তাঁরা দোলের আগে এই আবির তৈরি করে চলেছেন।
Advertisement
তবে এই উদ্যোগ একদিনে হয়নি। শিলিগুড়ির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তরফে তাঁদেরকে এবিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তারপর কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট মহিলারা। এলাকার প্রতিমা রায়, অপর্ণা মণ্ডল, সুইটি দাসরা বর্তমানে অনায়াসে কয়েক কুইন্টাল আবির তৈরি করে ফেলেন। ময়দার মধ্যে বিটের রস দিয়ে তৈরি করা হয় লাল আবির। গাজর দিয়ে হয় গেরুয়া আবির। পালংশাক দিয়ে সবুজ এবং গাঁদা ফুল দিয়ে তৈরি হয় হলুদ আবির। এবছরে এই আবিরের দাম রাখা হয়েছে ১ কেজি ২৫০ টাকা।
মহিলাদের দাবি, বর্তমানে ভেষজ আবিরের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ এই আবির বেশি পছন্দ করেন। অনলাইন এবং অফলাইন প্রক্রিয়ায় এখন লাগাতার অর্ডার পাচ্ছেন পোড়াঝাড় এলাকার ওই মহিলারা। যার ফলে তাঁরা উৎসাহিত। এবছর আধা সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন জায়গা থেকেও তাঁদের কাছে আবিরের জন্য ফোন আসছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তরফেও ওই মহিলাদেরকে এখনও পর্যন্ত পাশে থেকে সাহায্য করা হচ্ছে। যার ফলে কাজ অনেকটাই দ্রুত করা সম্ভব হচ্ছে বলে মহিলারা জানিয়েছেন।
এবিষয়ে শিলিগুড়ির স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য গীতিকা পাল বলেন, আমরা আবির নিয়ে যখন কাজ শুরু করি তখন এই মহিলারা প্রথম প্রথম ভয় পাচ্ছিলেন। তবে যখন আবির তৈরি করে মুনাফা করতে শিখে গিয়েছেন তখন তাঁরাও এনিয়ে উৎসাহিত। এবার এখনও পর্যন্ত দুই কুইন্টালের বেশি আবির তৈরি করা হয়েছে। প্রতিমা রায় বলেন, আমরা প্রতি বছর উৎসবের সময় এই আবির তৈরি করে বাড়তি মুনাফা অর্জন করছি। যা আমার এবং আমাদের পরিবারের কাছে আয়ের একটি অন্যতম বিকল্প ব্যবস্থা বলে মনেকরি।
মহিলাদের দাবি, বর্তমানে ভেষজ আবিরের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ এই আবির বেশি পছন্দ করেন। অনলাইন এবং অফলাইন প্রক্রিয়ায় এখন লাগাতার অর্ডার পাচ্ছেন পোড়াঝাড় এলাকার ওই মহিলারা। যার ফলে তাঁরা উৎসাহিত। এবছর আধা সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন জায়গা থেকেও তাঁদের কাছে আবিরের জন্য ফোন আসছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তরফেও ওই মহিলাদেরকে এখনও পর্যন্ত পাশে থেকে সাহায্য করা হচ্ছে। যার ফলে কাজ অনেকটাই দ্রুত করা সম্ভব হচ্ছে বলে মহিলারা জানিয়েছেন।
এবিষয়ে শিলিগুড়ির স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য গীতিকা পাল বলেন, আমরা আবির নিয়ে যখন কাজ শুরু করি তখন এই মহিলারা প্রথম প্রথম ভয় পাচ্ছিলেন। তবে যখন আবির তৈরি করে মুনাফা করতে শিখে গিয়েছেন তখন তাঁরাও এনিয়ে উৎসাহিত। এবার এখনও পর্যন্ত দুই কুইন্টালের বেশি আবির তৈরি করা হয়েছে। প্রতিমা রায় বলেন, আমরা প্রতি বছর উৎসবের সময় এই আবির তৈরি করে বাড়তি মুনাফা অর্জন করছি। যা আমার এবং আমাদের পরিবারের কাছে আয়ের একটি অন্যতম বিকল্প ব্যবস্থা বলে মনেকরি।



