সংবাদদাতা, কালনা: বাড়ির সীমানা নিয়ে দুই ভাইয়ের বিবাদ চলছিল। তারই জেরে ভাইয়ের হাতে খুন হল দাদা। মৃতের নাম তারকনাথ দুর্লভ (৬৪)। বাড়ি নাদনঘাট থানার দীর্ঘপাড়া। এই ঘটনায় নাদনঘাট থানার পুলিস তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতরা হল ধনঞ্জয় দুর্লভ ও তার দুই ছেলে গোবিন্দ দুর্লভ, কালাচাঁদ দুর্লভ। ধৃতদের শনিবার কালনা মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নাদনঘাট থানার দীর্ঘপাড়ার বাসিন্দা তারকনাথ দুর্লভ ও তাঁর ভাই ধনঞ্জয় দুর্লভের মধ্যে বাড়ির সীমানা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই বিবাদ চলছে। শুক্রবার বিকেলে তারকনাথ বাড়ির জল নিকাশির জন্য মিস্ত্রি ডেকে কাজ করছিলেন। অভিযোগ, বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ধনঞ্জয় এসে দাদা তারকনাথকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। গোবিন্দ, কালাচাঁদও কাকাকে মারধর করে। তারানাথবাবু মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে পরিবারের লোকেরা মন্তেশ্বর ব্লক স্বাস্থ্যকন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান। এই ঘটনায় ধনঞ্জয় ও তার পরিবারের কয়েকজনের বিরুদ্ধে নাদনঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের হলে পুলিস কেস রুজু করে ধনঞ্জয় সহ তার দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে।
তারকনাথবাবুর জামাই সুকান্ত প্রামাণিক বলেন, শ্বশুরমশাইয়ের সঙ্গে কাকা শ্বশুরের বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়ির সীমানা নিয়ে বিবাদ চলছিল। এদিন শ্বশুরমশাই মিস্ত্রি এনে জল নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক করছিলেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ কাকা শ্বশুর ধনঞ্জয় ও তার দুই ছেলে শ্বশুরকে বেধড়ক মারধর করে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শ্বশুরমশাইকে মৃত বলে জানান। আমার স্ত্রী নাদনঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। আমরা চাই পুলিস দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করুক।
তারকনাথবাবুর জামাই সুকান্ত প্রামাণিক বলেন, শ্বশুরমশাইয়ের সঙ্গে কাকা শ্বশুরের বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়ির সীমানা নিয়ে বিবাদ চলছিল। এদিন শ্বশুরমশাই মিস্ত্রি এনে জল নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক করছিলেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ কাকা শ্বশুর ধনঞ্জয় ও তার দুই ছেলে শ্বশুরকে বেধড়ক মারধর করে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শ্বশুরমশাইকে মৃত বলে জানান। আমার স্ত্রী নাদনঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। আমরা চাই পুলিস দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করুক।



