সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: মিউটেশন, কর আদায় বন্ধ রেখেও ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় সরকারি জমি, নদীর চর বিক্রি আটকানো যায়নি। এখনও ফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে তিস্তা সেচ প্রকল্পের অধিগৃহীত জমি দেদার বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ। দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা কাঠা প্রতি বিক্রি করা হচ্ছে। জমির এই অবৈধ কারবার বন্ধ করতে মিউটেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। আর এতেই সমস্যায় পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
Advertisement
জমির অবৈধ কারবার বন্ধ করতে প্রায় পাঁচ মাস আগে জলপাইগুড়ির জেলাশাসকের নির্দেশে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় জমির মিউটেশন, কর আদায় বন্ধ করা হয়। কর দিতে না পারায় এলাকার বাসিন্দারা সমস্যায় পড়েছেন। নতুন করে কেউ বিদ্যুতের সংযোগ নিতে পারছেন না। পাশাপাশি অন্যান্য প্রশাসনিক কাজেও তাঁদের জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে।
পোড়াঝারের একটি পার্টের পঞ্চায়েত সদস্য শরৎ মণ্ডল এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন। অভিযোগ, নদীর চর বিক্রির সিন্ডিকেটে তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের একাংশ জড়িত। গ্রামের একাংশের অভিযোগ, তিস্তা সেচ প্রকল্পের অধিগৃহীত জমি তথা নদীর চর মোটা টাকায় বিক্রি অনেকদিন থেকেই হয়ে আসছে। সেই জমিতে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হতো জমির মালিকানার মান্যতা দেওয়ার জন্য। একারণেই গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে গোটা এলাকার জমির কর আদায় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। কিন্তু তাতেও নদীর চর বিক্রি বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ পোড়াঝারের বাসিন্দাদের। যদিও ওই অংশের পঞ্চায়েত সদস্য রাজু মণ্ডল নদীর চর বিক্রি হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, কর আদায় বন্ধ রয়েছে। কেন বন্ধ রয়েছে ঠিক জানি না। আর এখানে নদীর চর বিক্রি হচ্ছে বলে আমার জানা নেই।
ফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুনীতা রায় চক্রবর্তী বলেন, জলপাইগুড়ির জেলাশাসকের নির্দেশে প্রায় পাঁচ মাস ধরে গোটা ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার জমির কর আদায়, মিউটেশন বন্ধ রয়েছে। জমির অবৈধ কারবার,নদীর চর বিক্রি বন্ধ করতে এই সিদ্ধান্ত। এখনও এই সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। কবে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার হবে জানা নেই।
পোড়াঝারের একটি পার্টের পঞ্চায়েত সদস্য শরৎ মণ্ডল এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন। অভিযোগ, নদীর চর বিক্রির সিন্ডিকেটে তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের একাংশ জড়িত। গ্রামের একাংশের অভিযোগ, তিস্তা সেচ প্রকল্পের অধিগৃহীত জমি তথা নদীর চর মোটা টাকায় বিক্রি অনেকদিন থেকেই হয়ে আসছে। সেই জমিতে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হতো জমির মালিকানার মান্যতা দেওয়ার জন্য। একারণেই গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে গোটা এলাকার জমির কর আদায় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। কিন্তু তাতেও নদীর চর বিক্রি বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ পোড়াঝারের বাসিন্দাদের। যদিও ওই অংশের পঞ্চায়েত সদস্য রাজু মণ্ডল নদীর চর বিক্রি হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, কর আদায় বন্ধ রয়েছে। কেন বন্ধ রয়েছে ঠিক জানি না। আর এখানে নদীর চর বিক্রি হচ্ছে বলে আমার জানা নেই।
ফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুনীতা রায় চক্রবর্তী বলেন, জলপাইগুড়ির জেলাশাসকের নির্দেশে প্রায় পাঁচ মাস ধরে গোটা ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার জমির কর আদায়, মিউটেশন বন্ধ রয়েছে। জমির অবৈধ কারবার,নদীর চর বিক্রি বন্ধ করতে এই সিদ্ধান্ত। এখনও এই সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। কবে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার হবে জানা নেই।



