নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বিয়েতে মোটা অঙ্কের টাকা পণ দেওয়া হয়েছিল। শুধু আংটি বকেয়া ছিল। তা নিয়ে স্ত্রীকে প্রায় দিনই কথা শোনাত স্বামী। মারধরও করত। এতদিন সব কিছুই মুখবুজে সহ্য করতেন ওই বধূ। বুধবার রাতে স্বামী স্ত্রীকে শ্বাসরোধ মেরেই ফেলে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম পূজা দলুই(২৭)। খুনের অভিযোগে পুলিস তাঁর স্বামী অরূপ দলুইকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাটি জামালপুরের ইলামবাজার গ্রামে হয়েছে। ধৃতের কড়া শাস্তির দাবিতে মৃতার বাপেরবাড়ির লোকজন জামালপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। বর্ধমান দক্ষিণের মহকুমা পুলিস আধিকারিক অভিষেক মণ্ডল বলেন, পণের জন্য ওই গৃহবধূর উপর অত্যাচার করা হতো বলে পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযুক্ত অরূপ অবশ্য দাবি করে, স্ত্রী তিন বছরের ছেলেকে প্রায়ই মারধর করত। তা নিয়ে তাদের মধ্যে অশান্তি হতো। ওই রাতেও স্ত্রী ছেলেকে মারধর করে। তারপর আর নিজেকে সামলাতে পারেনি। বালিশ চাপা দিয়ে তাকে খুন করেছি।
Advertisement
মৃতার মা নির্মলা মণ্ডল বলেন, প্রায়ই মেয়ের উপর অত্যাচার করা হতো। সে কারণে মেয়ে বাপের বাড়ি চলে আসত। বিয়ের সময় মোটা অঙ্কের টাকা বরপণ হিসাবে দেওয়া হয়েছিল। তারপরও সোনার আংটি দেওয়ার দাবিতে মেয়ের শ্বশুববাড়ির লোকজন চাপ দিত। সেটা না দিতে পারার জন্যই মেয়েকে খুন করা হয়েছে। বুধবার রাতে মেয়ের মৃত্যুর খবর পায়। তাঁর গলায় দাগ রয়েছে। অভিযুক্তকে দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিতে হবে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, চার বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। তিন বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হতো। এর আগেও ওই গৃহবধূকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। অত্যাচার সহ্য করেও ওই গৃহবধূ শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। বুধবার তাঁরা কালনা ঘুরতে গিয়েছিলেন। দুপুরের দিকে বাড়ি ফিরে আসেন। সন্ধ্যায় তাঁদের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। তা গভীর রাত পর্যন্ত চলে। ওই গৃহবধূ শুয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর মুখে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করা হয়। রাতেই পুলিস খবর পেয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করে।
অভিযুক্ত অরূপ চাষের কাজ করে। তাদের নিজেদের জমি রয়েছে। পরিবারে কোনও আর্থিক অনটন ছিল না। কিন্তু বিভিন্ন কারণে স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হতো। এলাকার বাসিন্দারাও পুলিসকে সে কথা জানিয়েছেন। জামালপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, ধৃত খুনের কথা স্বীকার করেছে। খুনের ব্যবহৃত বালিশটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, চার বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। তিন বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হতো। এর আগেও ওই গৃহবধূকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। অত্যাচার সহ্য করেও ওই গৃহবধূ শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। বুধবার তাঁরা কালনা ঘুরতে গিয়েছিলেন। দুপুরের দিকে বাড়ি ফিরে আসেন। সন্ধ্যায় তাঁদের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। তা গভীর রাত পর্যন্ত চলে। ওই গৃহবধূ শুয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর মুখে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করা হয়। রাতেই পুলিস খবর পেয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করে।
অভিযুক্ত অরূপ চাষের কাজ করে। তাদের নিজেদের জমি রয়েছে। পরিবারে কোনও আর্থিক অনটন ছিল না। কিন্তু বিভিন্ন কারণে স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হতো। এলাকার বাসিন্দারাও পুলিসকে সে কথা জানিয়েছেন। জামালপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, ধৃত খুনের কথা স্বীকার করেছে। খুনের ব্যবহৃত বালিশটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।



