সংবাদদাতা, বর্ধমান: জামালপুর, মেমারি ও রায়না থানার পুলিস পৃথক ঘটনায় গুলি ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। জামালপুর থানার পুলিস শেখ সুরজ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। জামালপুর থানার নবগ্রামে তার বাড়ি। পুলিস জানিয়েছে, বুধবার ভোররাতে ডুবরপুল বাসস্টপে যাত্রী প্রতীক্ষালয়ে দাঁড়িয়েছিল সুরজ। গভীর রাতে যাত্রী প্রতীক্ষালয়ে তার একা দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে সন্দেহ হয় টহলদারি পুলিসের। তাকে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তল্লাশিতে তার কাছ থেকে একটি দেশি পাইপগান ও দু’রাউন্ড ১২ বোরের গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিসের দাবি। ধৃত অস্ত্র কারবারে জড়িত বলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনেছে পুলিস। জামালপুর থানারই সেলিমাবাদের একজনকে গুলি ও আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহের জন্য সেখানে সে অপেক্ষা করছিল বলে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনেছে পুলিস।
Advertisement
অন্য একটি ঘটনায়, রায়না থানার পুলিস আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম লালচাঁদ মল্লিক। খণ্ডঘোষ থানার উদয়কৃষ্ণপুরে তার বাড়ি।
পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বনতির ক্যানেলপাড়ের কাছে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিল লালচাঁদ। তাকে ধরে তার শরীরে তল্লাশি চালায় পুলিস। তার কাছ থেকে একটি পাইপগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি পুলিসের। কাউকে আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহের জন্য সেখানে সে ঘোরাঘুরি করছিল বলে পুলিসের অনুমান।
অপর একটি ঘটনায়, মেমারি থানার পুলিস আগ্নেয়াস্ত্র সহ রাহুল মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। কর্ণাটকের হেব্বাল থানা এলাকায় তার আদি বাড়ি। বর্তমানে সে জামালপুর থানার কৃষ্ণচন্দ্রপুরে থাকে। পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে নুদিপুর এলাকায় নুদিপুর-জৌগ্রাম রোডে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরির সময় তাকে ধরা হয়। ধৃতের কাছ থেকে একটি পাইপগান ও একরাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিসের দাবি। অপরাধমূলক কাজের উদ্দেশ্যে সেখানে সে ঘোরাঘুরি করছিল বলে পুলিসের অনুমান। এদিন ধৃত তিনজনকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। আরও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করতে এবং অস্ত্র কেনাবেচার জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিস। সুরজকে পাঁচদিন পুলিসি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন সিজেএম। বাকি দু’জনের চারদিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর করেন বিচারক।
পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বনতির ক্যানেলপাড়ের কাছে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিল লালচাঁদ। তাকে ধরে তার শরীরে তল্লাশি চালায় পুলিস। তার কাছ থেকে একটি পাইপগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি পুলিসের। কাউকে আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহের জন্য সেখানে সে ঘোরাঘুরি করছিল বলে পুলিসের অনুমান।
অপর একটি ঘটনায়, মেমারি থানার পুলিস আগ্নেয়াস্ত্র সহ রাহুল মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। কর্ণাটকের হেব্বাল থানা এলাকায় তার আদি বাড়ি। বর্তমানে সে জামালপুর থানার কৃষ্ণচন্দ্রপুরে থাকে। পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে নুদিপুর এলাকায় নুদিপুর-জৌগ্রাম রোডে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরির সময় তাকে ধরা হয়। ধৃতের কাছ থেকে একটি পাইপগান ও একরাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিসের দাবি। অপরাধমূলক কাজের উদ্দেশ্যে সেখানে সে ঘোরাঘুরি করছিল বলে পুলিসের অনুমান। এদিন ধৃত তিনজনকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। আরও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করতে এবং অস্ত্র কেনাবেচার জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিস। সুরজকে পাঁচদিন পুলিসি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন সিজেএম। বাকি দু’জনের চারদিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর করেন বিচারক।



