সংবাদদাতা, বেলদা: ২০০৪ সালে বাম আমলে বেলদায় স্টেডিয়াম তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জমি জটের কারণে সেই উদ্যোগ আর বাস্তবে রূপ পায়নি। দু’ দশক বাদে কাটল সেই জমি জট। সরকারিভাবে সম্পূর্ণ জমি পঞ্চায়েত সমিতিতে হস্তান্তর হয়েছে। খুব শীঘ্রই স্টেডিয়াম পেতে চলেছেন বেলদাবাসী, বলে জানালেন নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট।
Advertisement
বেলদা, কেশিয়াড়ি ও দাঁতন বিধানসভা এলাকায় সব থেকে বড় খেলার মাঠ রয়েছে বেলদাতে। ২০০৪ সালে বাম আমলে জাতীয় সড়কের পাশে প্রায় ১০ একর জায়গা চিহ্নিত করে তাতে স্টেডিয়াম গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে আর্থিক বরাদ্দ করে সেই মাঠে মাটি ফেলা হয়। কিন্তু তারপরে সে কাজ আর এগয়নি। পরিবর্তনের পরে বর্তমান সরকার সরকারিভাবে এই মাঠে স্টেডিয়াম করার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু জমিটি একটি ক্লাবের নামে রেজিস্ট্রিকৃত থাকায় সরকারিভাবে তাতে আর্থিক বরাদ্দ করতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। ফলে ভুগতে হচ্ছিল ক্রীড়াপ্রেমীদের। মাঠের সংস্কার না হওয়ার সেই মাঠে বড় বড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যাচ্ছিল না। স্থানীয়ভাবে কয়েকটি ক্রীড়াপ্রেমী সংগঠন বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে এই মাঠে। নিজেরা খরচ করে সেই মাঠ সংস্কার করার চেষ্টা করে। কিন্তু মাঠটি পুরোপুরি সংস্কার করতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন যা ওই সংগঠনগুলির পক্ষে করা সম্ভব নয়। সম্প্রতি নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্টের উদ্যোগে জমি হস্তান্তরের কাজ সম্পূর্ণ হয়। ক্লাবের কাছ থেকে প্রায় ১০ একর জমি রাজ্য সরকারের পক্ষে নারায়ণগড় পঞ্চায়েত সমিতির নামে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে।
বেলদার ক্রীড়া সংগঠনগুলির পক্ষে অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ দাস বলেন, এই মাঠের এক পাশে আমরা ক্রিকেটের কোচিং করাই। বছরে বিভিন্ন সময়ে খেলার আয়োজন করে থাকি। কিন্তু মাটি সঠিকভাবে সংস্কার না হওয়ায় আমাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে এবারে মাঠটিতে স্টেডিয়াম নির্মাণ হবে শুনে খুশি হলাম। আশা করছি বর্তমান সরকার দ্রুত আমাদের মতো খেলোয়াড়দের কথা ভেবে সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ করবেন।
নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট বলেন, বামফ্রন্টের আমলে মানুষকে ভাঁওতা দিয়ে ক্লাবের জমিতে স্টেডিয়াম করার স্বপ্ন দেখিয়েছিল নেতারা। ২০২১ সালে নারায়ণগড় বিধানসভায় জয়ী হয়ে বিধায়ক হওয়ার পর আমি সেই জমি জটিলতা কাটাতে উদ্যোগ নিই। সেই মোতাবেক আমার অনুরোধে সম্প্রতি পঞ্চায়েত সমিতির হাতে সেই জমি হস্তান্তর করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তাদেরকে এর জন্য ধন্যবাদ জানাই। এবার সরকারিভাবে এই মাঠটিকে স্টেডিয়ামে রূপান্তরিত করতে পারব। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে স্টেডিয়ামের মাঠ সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে যাবে। তারপর ধাপে ধাপে আর্থিক বরাদ্দ করে স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হবে। আশা রাখছি আগামী বছরই এই কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
বেলদার ক্রীড়া সংগঠনগুলির পক্ষে অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ দাস বলেন, এই মাঠের এক পাশে আমরা ক্রিকেটের কোচিং করাই। বছরে বিভিন্ন সময়ে খেলার আয়োজন করে থাকি। কিন্তু মাটি সঠিকভাবে সংস্কার না হওয়ায় আমাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে এবারে মাঠটিতে স্টেডিয়াম নির্মাণ হবে শুনে খুশি হলাম। আশা করছি বর্তমান সরকার দ্রুত আমাদের মতো খেলোয়াড়দের কথা ভেবে সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ করবেন।
নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট বলেন, বামফ্রন্টের আমলে মানুষকে ভাঁওতা দিয়ে ক্লাবের জমিতে স্টেডিয়াম করার স্বপ্ন দেখিয়েছিল নেতারা। ২০২১ সালে নারায়ণগড় বিধানসভায় জয়ী হয়ে বিধায়ক হওয়ার পর আমি সেই জমি জটিলতা কাটাতে উদ্যোগ নিই। সেই মোতাবেক আমার অনুরোধে সম্প্রতি পঞ্চায়েত সমিতির হাতে সেই জমি হস্তান্তর করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তাদেরকে এর জন্য ধন্যবাদ জানাই। এবার সরকারিভাবে এই মাঠটিকে স্টেডিয়ামে রূপান্তরিত করতে পারব। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে স্টেডিয়ামের মাঠ সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে যাবে। তারপর ধাপে ধাপে আর্থিক বরাদ্দ করে স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হবে। আশা রাখছি আগামী বছরই এই কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।



