সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শীতের আমেজে জমজমাট উত্তরবঙ্গ হস্তশিল্প মেলা। শিলিগুড়ির কাওয়াখালি বিশ্ববাংলা শিল্পী হাটে উত্তরবঙ্গ হস্তশিল্প মেলায় হরেক রকম জিনিস এনেছেন বিভিন্ন জেলার শিল্পীরা। মেলার সবে দু’দিন পেরিয়েছে। এর মধ্যে নজর কাড়ছে পূর্ব মেদিনীপুরের রায়চকের ভক্তি ভৌমিক এবং নদীয়ার চাকদহের নাড়ুগোপাল ঘোষের স্টল।
Advertisement
ভক্তিবাবু এবারই প্রথম এই হস্তশিল্প মেলায় এসেছেন। নিম কাঠ দিয়ে ডিনারসেট তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, একসময়, ঝিনুক দিয়ে খাবার পরিবেশনের চামচ, হাতা, ছোট বাটি সহ মেয়েদের নানা গয়না তৈরি করতাম। কিন্তু, দিল্লি সহ বিভিন্ন জায়গায় ঝিনুকের
জিনিস নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছে। সেজন্য কাঠ দিয়ে থালা-বাটি, হাতা, চামচ সহ নানা জিনিস তৈরি শুরু করি। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের তরফে দেওয়া প্রশিক্ষণ আমাকে এই পরিবেশবান্ধব কাঠের ডিনারসেট তৈরিতে অনেকটা এগিয়ে দেয়।
বড় বড় হোটেলে ডাইনিং টেবিলে কাঠের এই বাসনপত্র বিদেশিদের পছন্দ। একসময় মাটির জিনিসের প্রতি আকর্ষণ ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে নিম কাঠের থালা, বাটি, গ্লাস, চামচ, হাতার চাহিদা বেড়েছে। পরিবেশবান্ধব হওয়ার পাশাপাশি এতে দূষণের কোনও সম্ভাবনা নেই।
ভক্তিবাবু বলেন, এই মেলায় এবার প্রথম এসেছি। প্রথম দু’দিনে আমার আট হাজার টাকার জিনিস বিক্রি হয়েছে। দিল্লির গান্ধী ময়দান সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক বড় বড় হস্তশিল্প মেলায় গিয়েছি। কিন্তু প্রথম দুদিনে এত টাকার জিনিস কোথাও বিক্রি হয়নি। এখানে নিম কাঠের জিনিসের চাহিদা রয়েছে। একই জিনিস তৈরি করেন নদীয়ার চাকদহের নাড়ুগোপাল ঘোষ। তবে তিনি মাটি দিয়ে ডিনার সেট বানান। এই ডিনার সেটের ছোট-বড় চামচ, হাতা, থালা-বাটি গ্লাস তৈরি করেছেন ১০বছর ধরে। নাড়ুগোপালবাবু বলেন, শিলিগুড়ির এই মেলায় প্রতিবছরই আসি। ভালো ব্যবসা হয়। এবার প্রথম দু’দিনে পাঁচ হাজার টাকার জিনিস বিক্রি হয়েছে। বোঝা যাচ্ছে, মেলা যত গড়াবে ততই জিনিসের বিক্রি বাড়বে। মাটির ডিনার সেটের পাশাপাশি জলের বোতল এবং তাওয়া এনেছেন। তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব জিনিসের প্রতি সকলের আগ্রহ বাড়ায় কাজের চাহিদা বাড়ছে।
ভক্তিবাবু বলেন, জিনিস বিক্রির পাশাপাশি প্রত্যেকটি স্টল ঘুরে দেখি। কোন শিল্পী কী জিনিস তৈরি করছেন, তা দেখি। প্রতিদিনই হস্তশিল্পের ভাবনায় পরিবর্তন ঘটছে। মানুষের চাহিদাও বদলাচ্ছে। তার সঙ্গে তালমিলিয়ে চলতে গেলে মেলায় অংশ নিতে হবে। মেলায় ঘুরলেই এই পরিবর্তনটা ভালোমতো বোঝা যায়। নতুন কিছু শেখা যায়। বছর জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় এই মেলার আয়োজন করে রাজ্য সরকার আমাদের উপকৃত করেছে। উপার্জনের পাশাপাশি হস্তশিল্পের নতুন নতুন ধারার সঙ্গে আমরা পরিচিত ও প্রশিক্ষিত হচ্ছি।
জিনিস নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছে। সেজন্য কাঠ দিয়ে থালা-বাটি, হাতা, চামচ সহ নানা জিনিস তৈরি শুরু করি। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের তরফে দেওয়া প্রশিক্ষণ আমাকে এই পরিবেশবান্ধব কাঠের ডিনারসেট তৈরিতে অনেকটা এগিয়ে দেয়।
বড় বড় হোটেলে ডাইনিং টেবিলে কাঠের এই বাসনপত্র বিদেশিদের পছন্দ। একসময় মাটির জিনিসের প্রতি আকর্ষণ ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে নিম কাঠের থালা, বাটি, গ্লাস, চামচ, হাতার চাহিদা বেড়েছে। পরিবেশবান্ধব হওয়ার পাশাপাশি এতে দূষণের কোনও সম্ভাবনা নেই।
ভক্তিবাবু বলেন, এই মেলায় এবার প্রথম এসেছি। প্রথম দু’দিনে আমার আট হাজার টাকার জিনিস বিক্রি হয়েছে। দিল্লির গান্ধী ময়দান সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক বড় বড় হস্তশিল্প মেলায় গিয়েছি। কিন্তু প্রথম দুদিনে এত টাকার জিনিস কোথাও বিক্রি হয়নি। এখানে নিম কাঠের জিনিসের চাহিদা রয়েছে। একই জিনিস তৈরি করেন নদীয়ার চাকদহের নাড়ুগোপাল ঘোষ। তবে তিনি মাটি দিয়ে ডিনার সেট বানান। এই ডিনার সেটের ছোট-বড় চামচ, হাতা, থালা-বাটি গ্লাস তৈরি করেছেন ১০বছর ধরে। নাড়ুগোপালবাবু বলেন, শিলিগুড়ির এই মেলায় প্রতিবছরই আসি। ভালো ব্যবসা হয়। এবার প্রথম দু’দিনে পাঁচ হাজার টাকার জিনিস বিক্রি হয়েছে। বোঝা যাচ্ছে, মেলা যত গড়াবে ততই জিনিসের বিক্রি বাড়বে। মাটির ডিনার সেটের পাশাপাশি জলের বোতল এবং তাওয়া এনেছেন। তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব জিনিসের প্রতি সকলের আগ্রহ বাড়ায় কাজের চাহিদা বাড়ছে।
ভক্তিবাবু বলেন, জিনিস বিক্রির পাশাপাশি প্রত্যেকটি স্টল ঘুরে দেখি। কোন শিল্পী কী জিনিস তৈরি করছেন, তা দেখি। প্রতিদিনই হস্তশিল্পের ভাবনায় পরিবর্তন ঘটছে। মানুষের চাহিদাও বদলাচ্ছে। তার সঙ্গে তালমিলিয়ে চলতে গেলে মেলায় অংশ নিতে হবে। মেলায় ঘুরলেই এই পরিবর্তনটা ভালোমতো বোঝা যায়। নতুন কিছু শেখা যায়। বছর জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় এই মেলার আয়োজন করে রাজ্য সরকার আমাদের উপকৃত করেছে। উপার্জনের পাশাপাশি হস্তশিল্পের নতুন নতুন ধারার সঙ্গে আমরা পরিচিত ও প্রশিক্ষিত হচ্ছি।



