সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনেও জমজমাট জলপাইগুড়ি জেলা বইমেলা। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা থেকে শুরু করে নতুন লেখকদের বই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে ইংরেজি বইয়ের চাহিদা কম। ময়নাগুড়িতে এই জেলা বইমেলায় ছোটদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ভূতের বই ও কমিক্সের বই। বিক্রেতাদের দাবি, অন্যান্য জেলার তুলনায় এখানে বইয়ের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বেশি। কারণ, এখনও পর্যন্ত মেলায় বই বিক্রি নিয়ে খুশি বিক্রেতারা।
Advertisement
গত সোমবার থেকে ময়নাগুড়ি ফুটবল ময়দানে শুরু হয়েছে ৩২তম জলপাইগুড়ি জেলা বইমেলা। দুপুর ১টায় মেলার গেট খুলতেই ভিড় করছেন ক্রেতারা। পাশাপাশি সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও যথেষ্ট ভিড় হচ্ছে। রাজ্য সরকারের জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের উদ্যোগে এই মেলা চলবে ২২ ডিসেম্বর রবিবার পর্যন্ত। কলকাতা থেকে আসা ব্যবসায়ী সুজয় শিকদার বলেন, ইংরেজি বইয়ের চাহিদা একেবারেই কম। বাংলা গল্পের বই বেশি বিক্রি হচ্ছে। আরেক ব্যবসায়ী বিজয় সাহা বলেন, সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা। বাংলা নতুন লেখকদের বই বিক্রি হচ্ছে। তবে ইংরেজি বইয়ের চাহিদা নেই।
অন্য এক ব্যবসায়ী শান্তনু সরকার বলেন, ছোট ছেলেমেয়েদের ভূতের বই ও কমিক্সের বইয়ের প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে মানুষজন বই কিনছে। এতে আমরা খুশি। বিক্রি ভালো হচ্ছে। বইমেলায় আসা ময়নাগুড়ি শহরের বাসিন্দা রাজা রায়, সুস্মিতা রায়রা বলেন, আমরা গল্পের বই কিনতে এসেছি। এখানে প্রচুর স্টল ও প্রচুর বই রয়েছে। বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখছি। কিছু বই কিনেছি। বই পড়তে ভালো লাগে। বইমেলা কমিটির কার্যকারী সম্পাদক মনোজ রায় বলেন, বইয়ের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বেড়েছে। মেলায় ভিড় দেখেই এটা বোঝা যাচ্ছে। জেলা বইমেলা ময়নাগুড়িতে হওয়ায় আমরা খুশি।
অন্য এক ব্যবসায়ী শান্তনু সরকার বলেন, ছোট ছেলেমেয়েদের ভূতের বই ও কমিক্সের বইয়ের প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে মানুষজন বই কিনছে। এতে আমরা খুশি। বিক্রি ভালো হচ্ছে। বইমেলায় আসা ময়নাগুড়ি শহরের বাসিন্দা রাজা রায়, সুস্মিতা রায়রা বলেন, আমরা গল্পের বই কিনতে এসেছি। এখানে প্রচুর স্টল ও প্রচুর বই রয়েছে। বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখছি। কিছু বই কিনেছি। বই পড়তে ভালো লাগে। বইমেলা কমিটির কার্যকারী সম্পাদক মনোজ রায় বলেন, বইয়ের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বেড়েছে। মেলায় ভিড় দেখেই এটা বোঝা যাচ্ছে। জেলা বইমেলা ময়নাগুড়িতে হওয়ায় আমরা খুশি।



