নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: জামবনি ব্লকের চিল্কিগড় দিয়ে বয়ে গিয়েছে ডুলুং নদী। বৃষ্টি হলেই সেই নদী ভয়ঙ্কর চেহারা নেয়। চিল্কিগড় কজওয়ের উপর প্রবল স্রোতে জল বইতে থাকে। সেসময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নদীর দুই পারের প্রায় ৮৬টি গ্রামের বাসিন্দারা সমস্যায় পড়েন। এবার সেই সমস্যা মিটতে চলেছে। প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ডুলুং নদীর উপর সেতু তৈরি হবে।
Advertisement
পূর্তদপ্তরের ঝাড়গ্রামের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার মৃত্যুঞ্জয় পাল বলেন, মাটি পরীক্ষার কাজ শেষ। ডিপিআর তৈরি হয়ে গিয়েছে। জমির সমস্যাও মিটে গিয়েছে। সেতু তৈরির জন্য প্রায় ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে।
চিল্কিগড়ে ডুলুং নদীর পূর্বদিকে দুবড়া, জামবনি ও কেন্দডাংরি পঞ্চায়েত রয়েছে। পশ্চিমদিকে রয়েছে চিল্কিগড়, ধড়সা, গিধনি, পড়িহাটি ও লালবাঁধ পঞ্চায়েত। চিল্কিগড় কজওয়ের উপর দিয়ে জল বইলে দুই প্রান্তের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চিল্কিগড়ে গ্রামীণ হাসপাতাল, বিডিও অফিস, গিধনি রেলস্টেশন আছে। নদীর অপরপ্রান্তে জামবনী থানা রয়েছে। জল বেড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে দুই প্রান্তের মানুষ যাতায়াতের সমস্যায় পড়েন। এমনকী, কজওয়ে পার করার সময় হড়পা বানে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গাড়ি ও ট্রাক্টর ভেসে চালক ও যাত্রীদের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এবারের বর্ষাতেও স্থানীয়রা ঝুঁকি নিয়ে কজওয়ে পার করেছেন। পর্যটকদেরও চিল্কিগড়ে বেড়াতে এসে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। চিল্কিগড়ে নদীর পূর্বদিকে রয়েছে কনকদুর্গা মন্দির। পশ্চিমদিকে চিল্কিগড় রাজপ্রাসাদ। কজওয়ের উপর দিয়ে জল বইলে ঝাড়গ্রাম শহর থেকে আসা পর্যটকরা মন্দির দেখার পর রাজপ্রাসাদের দিকে যেতে পারেন না। যাঁরা গিধনির দিক থেকে আসেন, তাঁদের কনকদুর্গা মন্দির না দেখেই ফিরে যেতে হয়। বছরের পর বছর ধরে চলা এই সমস্যার এবার সমাধান হতে চলেছে।
কিছুদিন আগে ঝাড়গ্রামে এসেছিলেন সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকে ডুলুং নদীতে সেতু তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়। এরপরই সেতু তৈরির তৎপরতা শুরু হয়েছে। বুধবার জামবনি ব্লকের পড়িহাটিতে জয় জোহার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলাশাসক সুনীল আগরওয়াল বলেন, চিল্কিগড়ে ডুলুং নদীর উপর নতুন সেতু তৈরির কাজ তাড়াতাড়ি শুরু হবে। জমি জরিপ, টাকা বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। জামবনি ব্লকের বেলদার বাসিন্দা নৃপেন দলই বলেন, কজওয়েতে জল বাড়লে ২০ কিমি ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়। সেতু তৈরি হলে এলাকার দীর্ঘদিনের যাতায়াতের সমস্যা মিটবে।
চিল্কিগড়ে ডুলুং নদীর পূর্বদিকে দুবড়া, জামবনি ও কেন্দডাংরি পঞ্চায়েত রয়েছে। পশ্চিমদিকে রয়েছে চিল্কিগড়, ধড়সা, গিধনি, পড়িহাটি ও লালবাঁধ পঞ্চায়েত। চিল্কিগড় কজওয়ের উপর দিয়ে জল বইলে দুই প্রান্তের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চিল্কিগড়ে গ্রামীণ হাসপাতাল, বিডিও অফিস, গিধনি রেলস্টেশন আছে। নদীর অপরপ্রান্তে জামবনী থানা রয়েছে। জল বেড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে দুই প্রান্তের মানুষ যাতায়াতের সমস্যায় পড়েন। এমনকী, কজওয়ে পার করার সময় হড়পা বানে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। গাড়ি ও ট্রাক্টর ভেসে চালক ও যাত্রীদের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এবারের বর্ষাতেও স্থানীয়রা ঝুঁকি নিয়ে কজওয়ে পার করেছেন। পর্যটকদেরও চিল্কিগড়ে বেড়াতে এসে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। চিল্কিগড়ে নদীর পূর্বদিকে রয়েছে কনকদুর্গা মন্দির। পশ্চিমদিকে চিল্কিগড় রাজপ্রাসাদ। কজওয়ের উপর দিয়ে জল বইলে ঝাড়গ্রাম শহর থেকে আসা পর্যটকরা মন্দির দেখার পর রাজপ্রাসাদের দিকে যেতে পারেন না। যাঁরা গিধনির দিক থেকে আসেন, তাঁদের কনকদুর্গা মন্দির না দেখেই ফিরে যেতে হয়। বছরের পর বছর ধরে চলা এই সমস্যার এবার সমাধান হতে চলেছে।
কিছুদিন আগে ঝাড়গ্রামে এসেছিলেন সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকে ডুলুং নদীতে সেতু তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়। এরপরই সেতু তৈরির তৎপরতা শুরু হয়েছে। বুধবার জামবনি ব্লকের পড়িহাটিতে জয় জোহার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলাশাসক সুনীল আগরওয়াল বলেন, চিল্কিগড়ে ডুলুং নদীর উপর নতুন সেতু তৈরির কাজ তাড়াতাড়ি শুরু হবে। জমি জরিপ, টাকা বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। জামবনি ব্লকের বেলদার বাসিন্দা নৃপেন দলই বলেন, কজওয়েতে জল বাড়লে ২০ কিমি ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়। সেতু তৈরি হলে এলাকার দীর্ঘদিনের যাতায়াতের সমস্যা মিটবে।



