নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: জমি ও বাড়ি দখলের উদ্দেশ্যে রাতের অন্ধকারে বিধবা বৃদ্ধা ও তাঁর পুত্রবধূকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল শান্তিপুরে। সেখানকার রামকৃষ্ণ কলোনির ওই পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু পুলিস এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
Advertisement
২০ নভেম্বর রাতে মূল ঘটনাটি ঘটেছে। শান্তিপুর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণ কলোনিতে দীর্ঘদিন ধরেই ওই বৃদ্ধা তাঁর ছেলে ও বউমাকে নিয়ে থাকেন। বৃদ্ধার স্বামী প্রয়াত হয়েছেন। সম্প্রতি ওই বাড়ি ও লাগোয়া জমি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের নজরে পড়েছে। তারপর থেকেই বিভিন্ন সময়ে হুমকি এসেছে। বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য বহুবার ওই জমির কারবারিরা নিদান দেয়। বিভিন্ন সময় ঘুরপথে বাড়ি বিক্রির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। একাধিকবার হুমকি পেয়েও ওই পরিবার বাড়ি ছাড়েনি।
এহেন পরিস্থিতিতে ২০ নভেম্বর রাতে বেশ কিছু স্থানীয় দুষ্কৃতী ওই বৃদ্ধার বাড়িতে হামলা চালায়। বৃদ্ধার পাশাপাশি তাঁর পুত্রবধূ শিখা দত্তকেও মারধর করা হয়। শিখাদেবী বলেন, জমিটি আমার শাশুড়ির বাবার ছিল। তিনিই আমার শাশুড়িকে দিয়ে গিয়েছিলেন। বহু বছর ধরে আমরা এখানে রয়েছি। তা সত্ত্বেও আমাদের বাড়ি বিক্রি করে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যখন দেখছে আমরা শুনছি না, তখন রাতে এসে আমাদের মারধর করা হয়েছে। আমার বৃদ্ধা শাশুড়িকেও ছাড়া হয়নি। আমরা দোষীদের চরম শাস্তি চাইছি। এলাকার এক জমির দালালের অঙ্গুলিহেলনেই এসব চলছে। মারধরের কারণে আমি এতদিন অসুস্থ ছিলাম। শনিবার অভিযোগ দায়ের করলাম।
পুলিস অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
এহেন পরিস্থিতিতে ২০ নভেম্বর রাতে বেশ কিছু স্থানীয় দুষ্কৃতী ওই বৃদ্ধার বাড়িতে হামলা চালায়। বৃদ্ধার পাশাপাশি তাঁর পুত্রবধূ শিখা দত্তকেও মারধর করা হয়। শিখাদেবী বলেন, জমিটি আমার শাশুড়ির বাবার ছিল। তিনিই আমার শাশুড়িকে দিয়ে গিয়েছিলেন। বহু বছর ধরে আমরা এখানে রয়েছি। তা সত্ত্বেও আমাদের বাড়ি বিক্রি করে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যখন দেখছে আমরা শুনছি না, তখন রাতে এসে আমাদের মারধর করা হয়েছে। আমার বৃদ্ধা শাশুড়িকেও ছাড়া হয়নি। আমরা দোষীদের চরম শাস্তি চাইছি। এলাকার এক জমির দালালের অঙ্গুলিহেলনেই এসব চলছে। মারধরের কারণে আমি এতদিন অসুস্থ ছিলাম। শনিবার অভিযোগ দায়ের করলাম।
পুলিস অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।



