সংবাদদাতা, করিমপুর: জাল দলিল দাখিল করে ভূমি সংস্কার দপ্তরে রেকর্ড করাতে এসে গ্রেপ্তার হল এক অভিযুক্ত। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত শ্যামসুন্দর পোদ্দারকে গ্রেপ্তার করেছে করিমপুর থানার পুলিস। এই ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না পুলিস খতিয়ে দেখছে।
Advertisement
পুলিস ও ভূমি সংস্কার দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, করিমপুরের গোপালেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শ্যামসুন্দর জাল দলিল তৈরি করে কিছুদিন আগে অন্যের ৬৬ শতক জমি নিজের নামে রেকর্ড করাতে করিমপুর-১ ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে আবেদন করেছিল। ওই আবেদনপত্র খতিয়ে দেখার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত রেভিনিউ অফিসারের সন্দেহ হয়। তিনি দলিলটি আসল কি না করিমপুর অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসের কাছে জানতে চান। এরপর রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানানো হয়, ওই নম্বরের কোনও দলিল নেই। দলিলটি জাল। এরপর ভূমি সংস্কার দপ্তরের পক্ষ থেকে জালিয়াতির অভিযোগ জানিয়ে পুলিসের কাছে অভিযোগ করা হয়। তারপর অভিযুক্ত শ্যামসুন্দরকে ওইদিন রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়।
করিমপুর-১ ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক সুমনকুমার পাল বলেন, এই অফিসে একটি জালিয়াতি চক্র সক্রিয়। তা জানতে পেরে অন্যান্য আধিকারিকদের কড়া নজর রাখতে বলেছিলাম। শেষ পর্যন্ত জাল দলিল দাখিল করে জমি রেকর্ড করতে আসা একজনকে ধরা গিয়েছে। পুলিসের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানোর পরই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। আগামী দিনেও সকলকে এই বিষয়ে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে। এখানে কোনও রকম দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না।
ভূমি সংস্কার দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে ২০২২ সালে জাল দলিলের হদিশ মিলেছিল। এছাড়াও গত কয়েক মাসে মুরুটিয়ার টেপিদহ গ্রামের একজন ও হোগলবেড়িয়ার মানিকনগরের দু’জন জমির মালিক অভিযোগ করেন, তাঁদের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করা হয়েছে। সেইসব নথিপত্র খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, দাখিল করা দলিলগুলি জাল।
করিমপুর-১ ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক সুমনকুমার পাল বলেন, এই অফিসে একটি জালিয়াতি চক্র সক্রিয়। তা জানতে পেরে অন্যান্য আধিকারিকদের কড়া নজর রাখতে বলেছিলাম। শেষ পর্যন্ত জাল দলিল দাখিল করে জমি রেকর্ড করতে আসা একজনকে ধরা গিয়েছে। পুলিসের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানোর পরই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। আগামী দিনেও সকলকে এই বিষয়ে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে। এখানে কোনও রকম দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না।
ভূমি সংস্কার দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে ২০২২ সালে জাল দলিলের হদিশ মিলেছিল। এছাড়াও গত কয়েক মাসে মুরুটিয়ার টেপিদহ গ্রামের একজন ও হোগলবেড়িয়ার মানিকনগরের দু’জন জমির মালিক অভিযোগ করেন, তাঁদের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করা হয়েছে। সেইসব নথিপত্র খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, দাখিল করা দলিলগুলি জাল।



