সংবাদদাতা, বালুরঘাট: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলির আপ্তৈরে অত্যাধুনিক ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট তৈরির জন্য ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জমি অধিগ্রহণের সময় চৃড়ান্ত করে দিল ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া। একাধিক জটিলতা থাকায় এত কম সময়ে জমি অধিগ্রহণ শেষ করার নির্দেশ পেতেই বিপাকে ভূমি দপ্তর।
Advertisement
হিলি ভূমি দপ্তরের আধিকারিক দিপেশ মল্লিক বলেন, ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট তৈরির জন্য ২৫ একর জমির প্রয়োজন। আমরা জমি কেনা শুরু করেছি। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। আশা করছি কিছু জমি হস্তান্তর করতে পারব। হিলি চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টের মাধ্যমে যাত্রী যাতায়াতের চাপ রয়েছে। অন্যদিকে পণ্যবাহী লরি প্রতিদিন একই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের কারণে ব্যাপক সমস্যা হয়ে থাকে। সেজন্য ২৫ একর জমিতে চেকপোস্ট তৈরি করা হবে। এজন্য ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যদিও ৪.৫ একর জমির মালিকের হদিশ মিললেও তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও আবার পাট্টার জমি রয়েছে। সেই জমির মালিকদের কাছ থেকে কীভাবে জমি কেনা হবে, তা নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৩.৫ একর দেবত্র জমি রয়েছে। ফলে এত জটিলতার মধ্যে সময়ে জমি অধিগ্রহণ করা নিয়ে সংশয়।
হিলি এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক ধীরাজ অধিকারী বলেন, এই ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট তৈরি হলে ব্যবসা ভালো হবে। প্রশাসন জমি কেনা শুরু করেছে। সময়সীমা চূড়ান্ত হলে সেভাবে কাজ করা উচিত।
দপ্তর সূত্রে খবর, চেকপোস্টে বাণিজ্যিক কাজে গড়া হবে ওয়্যারহাউস এবং কোল্ড স্টোরেজ, কার্গো কমপ্লেক্স, লরি চালকদের বিশ্রামকক্ষ, খাওয়া ও থাকার হোটেল। দুই দেশে যাতায়াতকারীদের জন্য থাকবে স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বাস পরিষেবা, ব্যাঙ্ক, ট্রলি এবং হুইল চেয়ার, বিমানবন্দরের মতো ওয়েটিংরুম, নিখরচার ইন্টারনেট, আধুনিক শৌচাগার এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও।
হিলি এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক ধীরাজ অধিকারী বলেন, এই ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট তৈরি হলে ব্যবসা ভালো হবে। প্রশাসন জমি কেনা শুরু করেছে। সময়সীমা চূড়ান্ত হলে সেভাবে কাজ করা উচিত।
দপ্তর সূত্রে খবর, চেকপোস্টে বাণিজ্যিক কাজে গড়া হবে ওয়্যারহাউস এবং কোল্ড স্টোরেজ, কার্গো কমপ্লেক্স, লরি চালকদের বিশ্রামকক্ষ, খাওয়া ও থাকার হোটেল। দুই দেশে যাতায়াতকারীদের জন্য থাকবে স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বাস পরিষেবা, ব্যাঙ্ক, ট্রলি এবং হুইল চেয়ার, বিমানবন্দরের মতো ওয়েটিংরুম, নিখরচার ইন্টারনেট, আধুনিক শৌচাগার এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও।



