নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: জমি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বেলাগাম! অভিযোগ, মালদহে একের পর এক সরকারি জমিতে থাবা বসাচ্ছে মাফিয়ারা। এনিয়ে অভিযানে নামতে চলেছে প্রশাসন। পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরকে প্রশাসন নির্দেশ দিয়েছে, যে সমস্ত দপ্তরের পতিত জমি আছে সেখানে সাইনবোর্ড বসাতে হবে।
Advertisement
মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া বলেন, কোনও ধরনের অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না। সরকারি জমি হস্তান্তরের অভিযোগ আসছে। সমীক্ষা চলছে। ধরা পড়লে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহ জুড়ে সরকারি জমি হস্তান্তরের প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই নানা মহল থেকে এবিষয়ে অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। সব থেকে বেশি অভিযোগ আসছে পুরাতন মালদহ ব্লক থেকে। পুরাতন মালদহের সাহাপুর থেকে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখেতে ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি জমির ভুয়ো নথি বের করে কেউ হস্তান্তরের চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। জমি মাফিয়া তো বটেই, সরকারি জমি হস্তান্তরের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই এফআইআর করা হবে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন প্রশাসনিক কর্তারা। জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া, অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) দেবহুতি ইন্দ্র সহ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি, সহকারী সভাধিপতি, ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সহ অন্যান্যরা।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেলা পরিষদ সহ সমস্ত সরকারি দপ্তরের অধীনে ঠিক কতটা পরিমাণ জমি আছে তার হিসেব করে ‘ল্যান্ড ব্যাঙ্ক’ তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে।
জেলা পরিষদ ছাড়াও পূর্তদপ্তরের অধীনেই সবথেকে বেশি জমি রয়েছে। বেশকিছু জমি আছে কৃষিদপ্তরের অধীনেও। এছাড়াও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে সেচদপ্তরেরও অনেক জমি পড়ে রয়েছে।
মালদহে মূলত জাতীয় সড়ক সংলগ্ন জমিতেই জমি মাফিয়াদের নজর সবথেকে বেশি। সেখানে অধিকাংশ জমিই পূর্ত ও কৃষিদপ্তরের। ইংলিশবাজার, সাহাপুর, গাজোলে সরকারি জমি জবরদখলের সংখ্যা সবথেকে বেশি বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
সরকারি জমি জবরদখল নিয়ে এও অভিযোগ যে, একাংশ কারবারি দালাল ধরে জমির ভুয়ো নথি বের করে নিচ্ছে। দখল হয়ে যাওয়া সেই সমস্ত জমি পুনরুদ্ধারে এবার উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই তারা বেশকিছু সরকারি জমি দখলমুক্ত করেছে। কিছু জায়গায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর তাদের সাইনবোর্ড বসিয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহ জুড়ে সরকারি জমি হস্তান্তরের প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই নানা মহল থেকে এবিষয়ে অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। সব থেকে বেশি অভিযোগ আসছে পুরাতন মালদহ ব্লক থেকে। পুরাতন মালদহের সাহাপুর থেকে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখেতে ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি জমির ভুয়ো নথি বের করে কেউ হস্তান্তরের চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। জমি মাফিয়া তো বটেই, সরকারি জমি হস্তান্তরের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই এফআইআর করা হবে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন প্রশাসনিক কর্তারা। জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া, অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) দেবহুতি ইন্দ্র সহ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি, সহকারী সভাধিপতি, ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সহ অন্যান্যরা।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেলা পরিষদ সহ সমস্ত সরকারি দপ্তরের অধীনে ঠিক কতটা পরিমাণ জমি আছে তার হিসেব করে ‘ল্যান্ড ব্যাঙ্ক’ তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে।
জেলা পরিষদ ছাড়াও পূর্তদপ্তরের অধীনেই সবথেকে বেশি জমি রয়েছে। বেশকিছু জমি আছে কৃষিদপ্তরের অধীনেও। এছাড়াও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে সেচদপ্তরেরও অনেক জমি পড়ে রয়েছে।
মালদহে মূলত জাতীয় সড়ক সংলগ্ন জমিতেই জমি মাফিয়াদের নজর সবথেকে বেশি। সেখানে অধিকাংশ জমিই পূর্ত ও কৃষিদপ্তরের। ইংলিশবাজার, সাহাপুর, গাজোলে সরকারি জমি জবরদখলের সংখ্যা সবথেকে বেশি বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
সরকারি জমি জবরদখল নিয়ে এও অভিযোগ যে, একাংশ কারবারি দালাল ধরে জমির ভুয়ো নথি বের করে নিচ্ছে। দখল হয়ে যাওয়া সেই সমস্ত জমি পুনরুদ্ধারে এবার উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই তারা বেশকিছু সরকারি জমি দখলমুক্ত করেছে। কিছু জায়গায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর তাদের সাইনবোর্ড বসিয়েছে।



