সংবাদদাতা, লালবাগ: মুর্শিদাবাদ আর আমবাগান প্রায় সমার্থক। কিন্তু মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন শতাব্দীপ্রাচীন আমবাগানে থাবা বসাচ্ছে জমি মাফিয়ারা। কয়েক বছরে বিঘার পর বিঘা আমবাগান সাফ হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন প্রজাতির শতাব্দীপ্রাচীন হাজার হাজার আমগাছ কাটা পড়েছে। ফলে সাবেক নবাবি তালুকের ঐতিহ্য অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে।
Advertisement
সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দিঘিপাড়ায় একটি আমবাগানের সমস্ত গাছ রাতারাতি কেটে ফেলা হয়। যে ঘটনায় হতভম্ব পুরপ্রধানও। ওই ঘটনার প্রতিবাদে নাগরিক সমাজ সরব হয়েছে। প্রাচীন আমগাছ রক্ষায় প্রশাসন ও পুরসভা সদর্থক ভূমিকা নিক, এই দাবি তুলেছেন মুর্শিদাবাদের সর্বস্তরের মানুষ। লালবাগের মহকুমা শাসক বনমালী রায় বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মুর্শিদাবাদে ঘুরতে আসা দেশবিদেশের পর্যটকদের কাছে এখানকার ঐতিহাসিক স্থাপত্যের পাশাপাশি আমবাগানেরও আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মুর্শিদাবাদের নবাবরা খুব শৌখিন ছিলেন। অনেকে আম বিশেষজ্ঞও ছিলেন। কলম করে ও সঙ্করায়ণ ঘটিয়ে বেশ কিছু নতুন প্রজাতির আম তৈরি করেছিলেন তাঁরা। নবাবদের সময় থেকেই শহরজুড়ে একাধিক আমবাগান গড়ে ওঠে। অনেকে দাবি করেন, নবাবি আমলে মুর্শিদাবাদে দু’শোর বেশি প্রজাতির আম পাওয়া যেত। কিন্তু এখন ঐতিহাসিক শহরটির আমবাগান নির্বিচারে কেটে বসতি গড়ে তুলতে মরিয়া জমি মাফিয়ারা।
কিছুদিন আগে আস্ত একটি আমবাগান প্রশাসনের নাকের ডগা থেকে রাতারাতি উধাও হয়ে যায়। মুর্শিদাবাদ শহর কংগ্রেস সভাপতি অর্ণব রায় বলেন, কিছুদিন আগে যখন ওই বাগানের গাছ কাটা শুরু হয়, তখনই মহকুমা শাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েছিলাম। সেদিন মহকুমা শাসক গিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করে দেন। কিন্তু পরদিন সকালে সূর্য না উঠতেই বাগানের গাছ কেটে সাফ করে দেয় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা জমি মাফিয়ারা। প্রশাসনের নাকের ডগায় আমবাগান কেটে সাফ করা হলেও তাদের হেলদোল নেই।
এবিষয়ে সিপিএমের মুর্শিদাবাদ পশ্চিম এরিয়া কমিটির সম্পাদক মনু শেখ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মহকুমা অফিস ও থানা মাত্র এক কিলোমিটার দূরে। প্রশাসন চাইলে পদক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসন পদক্ষেপ করছে না।
মুর্শিদাবাদ পুরসভার চেয়ারম্যান ইন্দ্রজিৎ ধর বলেন, গাছ কাটার জন্য পুরসভার থেকে নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট নিতে হয়। এক্ষেত্রে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে সেদিন পুরসভার এক প্রতিনিধিকে পাঠিয়েছিলাম। মহকুমা শাসককেও জানিয়েছিলাম। সেদিন গাছ কাটা বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ বাগান উধাও হওয়ায় আমরা সবাই হতভম্ব। আশা করছি, প্রশাসন দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে। শহরের বাসিন্দারা জানান, পুরসভা ও প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে ধীরে ধীরে মুর্শিদাবাদের সমস্ত আমবাগান কংক্রিটের ভিড়ে হারিয়ে যাবে।
মুর্শিদাবাদে ঘুরতে আসা দেশবিদেশের পর্যটকদের কাছে এখানকার ঐতিহাসিক স্থাপত্যের পাশাপাশি আমবাগানেরও আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মুর্শিদাবাদের নবাবরা খুব শৌখিন ছিলেন। অনেকে আম বিশেষজ্ঞও ছিলেন। কলম করে ও সঙ্করায়ণ ঘটিয়ে বেশ কিছু নতুন প্রজাতির আম তৈরি করেছিলেন তাঁরা। নবাবদের সময় থেকেই শহরজুড়ে একাধিক আমবাগান গড়ে ওঠে। অনেকে দাবি করেন, নবাবি আমলে মুর্শিদাবাদে দু’শোর বেশি প্রজাতির আম পাওয়া যেত। কিন্তু এখন ঐতিহাসিক শহরটির আমবাগান নির্বিচারে কেটে বসতি গড়ে তুলতে মরিয়া জমি মাফিয়ারা।
কিছুদিন আগে আস্ত একটি আমবাগান প্রশাসনের নাকের ডগা থেকে রাতারাতি উধাও হয়ে যায়। মুর্শিদাবাদ শহর কংগ্রেস সভাপতি অর্ণব রায় বলেন, কিছুদিন আগে যখন ওই বাগানের গাছ কাটা শুরু হয়, তখনই মহকুমা শাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েছিলাম। সেদিন মহকুমা শাসক গিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করে দেন। কিন্তু পরদিন সকালে সূর্য না উঠতেই বাগানের গাছ কেটে সাফ করে দেয় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা জমি মাফিয়ারা। প্রশাসনের নাকের ডগায় আমবাগান কেটে সাফ করা হলেও তাদের হেলদোল নেই।
এবিষয়ে সিপিএমের মুর্শিদাবাদ পশ্চিম এরিয়া কমিটির সম্পাদক মনু শেখ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মহকুমা অফিস ও থানা মাত্র এক কিলোমিটার দূরে। প্রশাসন চাইলে পদক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসন পদক্ষেপ করছে না।
মুর্শিদাবাদ পুরসভার চেয়ারম্যান ইন্দ্রজিৎ ধর বলেন, গাছ কাটার জন্য পুরসভার থেকে নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট নিতে হয়। এক্ষেত্রে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে সেদিন পুরসভার এক প্রতিনিধিকে পাঠিয়েছিলাম। মহকুমা শাসককেও জানিয়েছিলাম। সেদিন গাছ কাটা বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ বাগান উধাও হওয়ায় আমরা সবাই হতভম্ব। আশা করছি, প্রশাসন দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে। শহরের বাসিন্দারা জানান, পুরসভা ও প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে ধীরে ধীরে মুর্শিদাবাদের সমস্ত আমবাগান কংক্রিটের ভিড়ে হারিয়ে যাবে।



