নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বর্ধমান শহরে প্রমোটিংয়ের জন্য ফাঁকা জমি কমেছে। তাই এখন জমি মাফিয়াদের নজর জলাভূমির দিকে। চার থেকে পাঁচ কাঠা জলাজমি ভরাট করতে পারলেই কয়েক কোটি টাকা পকেটে ঢোকে। পুরসভা অভিযোগ পাওয়ার পর জলাভূমি ভরাট বন্ধের নির্দেশ দিলেও বেপরোয়া মাফিয়ারা। একের পর এক পুকুর ভরাট হয়েই চলছে। পুর কর্তৃপক্ষর সতর্কতায় কাজ না হওয়ায় চেয়ারম্যান পরেশ সরকার এবার জেলাশাসক আয়েশা রানি এ’কে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। চেয়ারম্যান বলেন, সম্প্রতি আট থেকে ১০টি পুকুর ভরাটের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই ফাইল জেলাশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে। পুরসভা কোনও জলাশয় ভরাটের অনুমতি কাউকে দেয়নি। কিছু লোক গায়ের জোরে এসবের চেষ্টা করছে। জেলাশাসক বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Advertisement
শহরের বাসিন্দারা বলেন, শশাঙ্ক বিল ভরাটের চেষ্টা করা হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে এই জলাশয়ের বেশকিছুটা এলাকা ভরাট করা হয়েছে। এর আগেও জলাশয়টি ভরাটের চেষ্টা করা হয়েছিল। সেবার স্থানীয়দের বাধা পেয়ে ভরাটকারীরা পিছু হটে। আবারও জলাশয় ভরাট শুরু হওয়ায় স্থানীয়রা গর্জে উঠেছেন। তারা বর্ধমান পুরসভায় বিষয়টি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, জলাশয় ভরাট তাঁরা কখনই হতে দেবেন না। এদিন চেয়ারম্যান জলাশয় পরিদর্শনে যান। তিনি বলেন, ভরাটের কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা এই কাজ করছে তাদেরকে ডাকা হয়েছে। তাদের কাছে কী নথি রয়েছে তা দেখা হবে। জলাশয় ভরাট হওয়া কখনই কাম্য নয়। কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার বলেন, শাসক দলের মদত না থাকলে শহরজুড়ে এভাবে জলাভূমি ভরাট হতো না। আগামী দিনে হয়তো শহরে আর কোনও জলাশয় থাকবে না। নিয়ম না মেনে বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে। পুরসভা কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্যই জমি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। শশাঙ্ক জলাভূমি আমরা কখনই ভরাট করতে দেব না। বড় জলাশয় ভরাট হয়ে গেলে শহরের নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। সৎ সাহস থাকলে রাতের অন্ধকারে জলাভূমি ভরাট তারা করত না। তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, দল কোনও অনৈতিক কাজ সমর্থন করে না। কেউ নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে এসব কাজ করলে তার দায় দল নেবে না। নেতৃত্ব সব কিছুর উপর নজর রাখছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের বিভিন্ন প্রান্তেই পুকুর ভরাট শুরু হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ায় পার সাত-আটটি জায়গায় পুর কর্তৃপক্ষ অভিযান চালায়। জলাভূমি ভরাট বন্ধের নির্দেশও দেওয়া হয়। কিছুদিন ভরাটের কাজ বন্ধ থাকলেও পরে তা আবার শুরু হয়ে যায়। এক আধিকারিক বলেন, নিয়ম না মেনে কেউ জলাভূমি ভরাট করলে জেল হতে পারে। কর্তৃপক্ষর উচিত ছিল কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেই এফআইআর করা। তাহলে এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের বিভিন্ন প্রান্তেই পুকুর ভরাট শুরু হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ায় পার সাত-আটটি জায়গায় পুর কর্তৃপক্ষ অভিযান চালায়। জলাভূমি ভরাট বন্ধের নির্দেশও দেওয়া হয়। কিছুদিন ভরাটের কাজ বন্ধ থাকলেও পরে তা আবার শুরু হয়ে যায়। এক আধিকারিক বলেন, নিয়ম না মেনে কেউ জলাভূমি ভরাট করলে জেল হতে পারে। কর্তৃপক্ষর উচিত ছিল কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেই এফআইআর করা। তাহলে এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না।



