সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ন’বছর আগে জমি হস্তান্তর হয়েছিল। স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও তুলে দেওয়া হয়েছিল পুলিস প্রশাসনের হাতে। কিন্তু আজও পূর্ণাঙ্গ থানা তৈরি হয়নি এলাকায়। ফলে স্বভাবতই হতাশ সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা। কুমারগ্রাম ব্লকের অসম-বাংলা সীমানার বর্ধিষ্ণু জনপদ বারোবিশা। প্রায় দুই দশক আগে এখানে থানা তৈরির দাবি উঠেছিল। বারোবিশা ব্যবসায়ী সমিতি প্রথম থানা তৈরির দাবিতে সরব হয়েছিল। সেসময় কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশন বা কেএলও’’র একের পর এক নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে এলাকায় ব্যাপক ত্রাসের সৃষ্টি হয়েছিল। এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীকে অসমের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অপহরণ করে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল। ওই পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে বারোবিশা ব্যবসায়ী সমিতি এলাকায় থানা তৈরির দাবিতে আওয়াজ তুলেছিল।
Advertisement
এর পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়ী সমিতি নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩১সি জাতীয় সড়কের পাশে দুই বিঘা জমি ক্রয় করে। ২০১৫ সালের ১১ জুলাই আলিপুরদুয়ারের তৎকালীন পুলিস সুপার আভারু রবীন্দ্রনাথের হাতে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও তুলে দেওয়া হয়। জেলা পরিষদের তৎকালীন সভাধিপতি মোহন শর্মা সহ এলাকার স্থানীয় বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে ওই জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। কিন্তু জমি হস্তান্তরের ন’বছর পরেও এলাকায় থানা গড়ে ওঠেনি। তাই কার্যত হতাশ এলাকার ব্যবসায়ী সহ সাধারণ মানুষ।
বারোবিশার বাসিন্দা দেবাশিস দেববর্মন বলেন, আমাদের দাবি দ্রুত এলাকায় থানা তৈরি করা হোক। আশা করছি, এই বিষয়ে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। থানা তৈরি হলে এলাকার সাধারণ মানুষ খুবই উপকৃত হবে।
বারোবিশা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি প্রভাসরঞ্জন দাস বলেন, বারোবিশার পূর্বে অসম সীমানা। উত্তরে ভুটান সীমান্ত। আর দক্ষিণে রয়েছে কোচবিহার জেলার অংশ। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদে থানা তৈরির দাবি ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে করা হয়। সমিতির পক্ষ থেকে জমি কিনে দেওয়া হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত থানা তৈরি না হওয়ায় আমরা হতাশ। আদৌ কি এখানে থানা তৈরি হবে, আমরা সেটাও বুঝে উঠতে পারছি না।
তৃণমূল কংগ্রেসের কুমারগ্রাম ব্লক সম্পাদক তথা কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি জয়প্রকাশ বর্মন বলেন, বারোবিশায় নতুন একটি থানা তৈরির দাবি রয়েছে। আমরা আশাবাদী, রাজ্য সরকার এই বিষয়ে সঠিক পদক্ষেপ নেবে। এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দাবি পূরণ আমাদের সরকারই করবে।
কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজকুমার ওরাওঁ বলেন, এটা বারোবিশার বাসিন্দাদের দুর্ভাগ্য যে, জমি হস্তান্তরের ন’বছর পরেও এখানে থানা তৈরি হয়নি। এটা রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা। বিষয়টি আমি বিধানসভায় তুলে ধরব। যদিও এ ব্যাপারে জেলা পুলিসের আধিকারিকরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। বিষয়টি রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে বলে পুলিস আধিকারিকরা জানিয়েছেন।
বারোবিশার বাসিন্দা দেবাশিস দেববর্মন বলেন, আমাদের দাবি দ্রুত এলাকায় থানা তৈরি করা হোক। আশা করছি, এই বিষয়ে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। থানা তৈরি হলে এলাকার সাধারণ মানুষ খুবই উপকৃত হবে।
বারোবিশা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি প্রভাসরঞ্জন দাস বলেন, বারোবিশার পূর্বে অসম সীমানা। উত্তরে ভুটান সীমান্ত। আর দক্ষিণে রয়েছে কোচবিহার জেলার অংশ। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদে থানা তৈরির দাবি ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে করা হয়। সমিতির পক্ষ থেকে জমি কিনে দেওয়া হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত থানা তৈরি না হওয়ায় আমরা হতাশ। আদৌ কি এখানে থানা তৈরি হবে, আমরা সেটাও বুঝে উঠতে পারছি না।
তৃণমূল কংগ্রেসের কুমারগ্রাম ব্লক সম্পাদক তথা কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি জয়প্রকাশ বর্মন বলেন, বারোবিশায় নতুন একটি থানা তৈরির দাবি রয়েছে। আমরা আশাবাদী, রাজ্য সরকার এই বিষয়ে সঠিক পদক্ষেপ নেবে। এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দাবি পূরণ আমাদের সরকারই করবে।
কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজকুমার ওরাওঁ বলেন, এটা বারোবিশার বাসিন্দাদের দুর্ভাগ্য যে, জমি হস্তান্তরের ন’বছর পরেও এখানে থানা তৈরি হয়নি। এটা রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা। বিষয়টি আমি বিধানসভায় তুলে ধরব। যদিও এ ব্যাপারে জেলা পুলিসের আধিকারিকরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। বিষয়টি রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে বলে পুলিস আধিকারিকরা জানিয়েছেন।



