সংবাদদাতা, মানবাজার: জমি দিয়েও এলাকায় হয়নি হাসপাতাল। প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন মহিলারা। শুক্রবার সকালে পুরুলিয়ার মানবাজার ২ ব্লকের ডাঙ্গরডি গ্রামের ঘটনা। এদিন ভোর থেকেই মানবাজার বান্দোয়ান রাস্তার ডাঙ্গরডি মোড়ের কাছে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান মহিলারা। এদিন অবরোধের জেরে ব্যাপক যানজট হয়। অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বোরো থানার পুলিস। আসেন মানবাজার ২ ব্লকের বিডিও। সন্ধ্যা নাগাদ আসেন বান্দোয়ানের বিধায়ক রাজীব লোচন সরেন। তিনি বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিলে অবরোধ ওঠে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডাঙ্গরডি গ্রামে বড় হাসপাতাল তৈরি করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল গ্রামবাসীদের। এর জন্য গ্রামবাসীরা জমিও দান করেন। কিন্তু তারপর বছর ঘুরলেও এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল তৈরি হয়নি। প্রশাসনকে জানালে প্রতিবারেই আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও কাজই শুরু হয়নি বলে দাবি গ্রামবাসীদের। কয়েক মাস আগে হাসপাতাল তৈরির জন্য খুঁটিও পোতা হলেও কাজ শুরু হয়নি বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।
এদিন বিক্ষোভকারী মহিলারা জানান, এলাকায় তেমন কোনও বড় হাসপাতাল নেই। কারও কিছু হলে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে রেফার করে দেয়। তখন চিকিৎসার জন্য পুরুলিয়া, বাঁকুড়া কিংবা ঝাড়খণ্ডে ছুটতে হয়। দুর্ভোগ বাড়ে রোগী ও পরিজনদের। সেই কারণে ডাঙ্গরডি গ্রামে বড় হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়। হাসপাতাল তৈরির জন্য জমিও দিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু তারপর অনেক বছর কেটে গেলেও কাজ শুরু হয়নি। এর আগে প্রশাসন থেকে লোক এসে হাসপাতাল তৈরির জায়গায় মাপজোক করে। খুঁটিও পোতা হয়, তারপরও কাজ শুরু হয়নি।
তাঁদের আরও অভিযোগ, মাস ছয়েক আগে এলাকার বিধায়কও গ্রামে এসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দ্রুত কাজ শুরু হবে। মানবাজার মহকুমা ঘোষণা হলেও এখানকার গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বেহাল। বান্দোয়ান ব্লক হাসপাতালের ছবিটাও একই। ফলে এলাকায় বড় হাসপাতাল তৈরির দাবি ছিল স্থানীয়দের। কিন্তু প্রশাসনের উদাসীনতায় এদিন ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মহিলারা।
এদিন সকালে পথ অবরোধের জেরে মানবাজার-বান্দোয়ান রাস্তা ঘণ্টাখানেকের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়ে যাত্রীবাহী বাস সহ অন্যান্য যানবাহন। অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন মানবাজার ২ ব্লকের বিডিও শঙ্কু বিশ্বাস সহ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসন্তী মাহাত। কিন্তু তাঁরা কথা বলেও অবরোধকারীদের তুলতে পারেননি। বিধায়ক এসে আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। শুরু হয় যান চলাচল। এ নিয়ে মানবাজার ২ ব্লকের বিডিওকে ফোন করা হলে তিনি ফোন তোলেননি। অন্যদিকে বিধায়ক রাজীব লোচন সরেনও ফোন তোলেননি। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশোক বিশ্বাস ব্যস্ত থাকার কারণে কিছু জানাননি।
এদিন বিক্ষোভকারী মহিলারা জানান, এলাকায় তেমন কোনও বড় হাসপাতাল নেই। কারও কিছু হলে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে রেফার করে দেয়। তখন চিকিৎসার জন্য পুরুলিয়া, বাঁকুড়া কিংবা ঝাড়খণ্ডে ছুটতে হয়। দুর্ভোগ বাড়ে রোগী ও পরিজনদের। সেই কারণে ডাঙ্গরডি গ্রামে বড় হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়। হাসপাতাল তৈরির জন্য জমিও দিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু তারপর অনেক বছর কেটে গেলেও কাজ শুরু হয়নি। এর আগে প্রশাসন থেকে লোক এসে হাসপাতাল তৈরির জায়গায় মাপজোক করে। খুঁটিও পোতা হয়, তারপরও কাজ শুরু হয়নি।
তাঁদের আরও অভিযোগ, মাস ছয়েক আগে এলাকার বিধায়কও গ্রামে এসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দ্রুত কাজ শুরু হবে। মানবাজার মহকুমা ঘোষণা হলেও এখানকার গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বেহাল। বান্দোয়ান ব্লক হাসপাতালের ছবিটাও একই। ফলে এলাকায় বড় হাসপাতাল তৈরির দাবি ছিল স্থানীয়দের। কিন্তু প্রশাসনের উদাসীনতায় এদিন ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মহিলারা।
এদিন সকালে পথ অবরোধের জেরে মানবাজার-বান্দোয়ান রাস্তা ঘণ্টাখানেকের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়ে যাত্রীবাহী বাস সহ অন্যান্য যানবাহন। অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন মানবাজার ২ ব্লকের বিডিও শঙ্কু বিশ্বাস সহ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসন্তী মাহাত। কিন্তু তাঁরা কথা বলেও অবরোধকারীদের তুলতে পারেননি। বিধায়ক এসে আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। শুরু হয় যান চলাচল। এ নিয়ে মানবাজার ২ ব্লকের বিডিওকে ফোন করা হলে তিনি ফোন তোলেননি। অন্যদিকে বিধায়ক রাজীব লোচন সরেনও ফোন তোলেননি। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশোক বিশ্বাস ব্যস্ত থাকার কারণে কিছু জানাননি।



