সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: হরিশ্চন্দ্রপুরের সদর এলাকায় জমির দখলদারিতে নাম জড়িয়ে গেল হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি সামিরুল ইসলামের। যদিও তাঁর দাবি, ওই জমি তিনি আইনত রেজিস্ট্রি এবং রেকর্ড করিয়েছেন। এলাকার কিছু দালাল জাল দলিল তৈরি করে তাঁর জমি দখল করার চেষ্টা করছেন। এই নিয়ে তিনি ভূমি সংস্কার দপ্তরে অভিযোগ করেছিলেন। সেখান থেকে তাঁকে ওই জমি দখলের বৈধ কাগজপত্র দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, অভিযোগকারী মঙ্গল দাস এবং মোশরেফা বিবির বক্তব্য, তাঁরা দু’বছর আগে স্থানীয় বাসিন্দা সোনালী রায়ের কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেছিলেন। দেখা যাচ্ছে সামিরুল এবং তাঁর দলবল ওই জমি দখল করার চেষ্টা করছে। এই নিয়ে মঙ্গলরা থানা ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন। দুই পক্ষের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার। মঙ্গল ও মোশরেফার অভিযোগ, তাঁরা দু’বছর আগে জমিটি সোনালীর কাছ থেকে কিনেছিলেন। তার দলিলও রয়েছে। কিন্তু সামিরুল ওই জমির মালিক বলে দাবি করছেন। গায়ের জোরে এলাকার কিছু মাফিয়াকে কাজে লাগিয়ে জমি দখল করতে চাইছেন তিনি। তাই এর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন।
Advertisement
সামিরুলের পাল্টা দাবি, ওই ১০ কাঠা জমি এলাকার মহিদুল রহমান ও তৌহিদুর রহমানের কাছ থেকে আইন মেনেই কিনেছেন। তাঁর কাছে দলিল রয়েছে। কিছু দালাল জাল দলিল তৈরি করে জমি দখল করছে। আমি এই জমির মালিকানা ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে পেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। আমার জমি আইন মেনে দখল করেছি।
এপ্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের ভূমি সংস্কার আধিকারিক উদয় শঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, ওই জমি নিয়ে অভিযোগ হয়েছে। আমরা এসডিও কোর্টের আদেশে তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছি।
এপ্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের ভূমি সংস্কার আধিকারিক উদয় শঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, ওই জমি নিয়ে অভিযোগ হয়েছে। আমরা এসডিও কোর্টের আদেশে তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছি।



