নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: জমি দখলের চেষ্টা গাজোলে। বাধা দিতে গেলে মা ও মেয়েকে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগ স্থানীয় তৃণমূল নেতা, কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে। এনিয়ে গাজোল থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও অধরা দুষ্কৃতীরা। অগত্যা পুলিস সুপারের দ্বারস্থ আতঙ্কে ঘরছাড়া মা ও মেয়ে।
Advertisement
গাজোল ব্লকের দেওতলা গ্রামে এক অসহায় মহিলা দীর্ঘদিন মেয়েকে নিয়ে বাস করছেন। তাঁদের সম্বল বলতে স্বামীর ভিটে এবং চার বিঘা জমি। কয়েক বছর আগে ওই মহিলার স্বামীর মৃত্যু হয়। তারপর সেই জমির উপর নজর পড়ে মাফিয়াদের। আক্রান্ত মহিলার অভিযোগ, আমরা তৃণমূল কংগ্রেস করি। তা সত্ত্বেও স্থানীয় কিছু তৃণমূল নেতা আমাদের জমিতে চাষ করতে দিচ্ছে না। জমিতে গেলেই তারা গলা কেটে পুঁতে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। জমিতে হাল নিয়ে গেলেও হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। আমাকে জমিতে মারধর করে জামাকাপড় ছিঁড়ে দিয়েছে। ঘটনার সময় জমির পাশের রাস্তা দিয়ে এক উকিলবাবুর গাড়ি যাচ্ছিল। তিনি আমাদের বাঁচিয়েছেন।
মেয়েকেও জমিতে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন আক্রান্ত মহিলা। এই ঘটনায় তাঁরা গাজোল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু তারপরেও দুষ্কৃতীদের হদিশ মেলেনি। এখন লাগাতার হুমকির জেরে মেয়েকে নিয়ে ঘরছাড়া হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন মহিলা। মঙ্গলবার মেয়েকে নিয়ে পুলিস সুপারের অফিসে যান তিনি। থানা কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না দাবি করে তাঁরা পুলিস সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
যদিও এই ঘটনায় দলের নেতা, কর্মীদের যুক্ত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মালদহ জেলা তৃণমূল সহ সভাপতি দুলাল সরকার। তিনি বলেন, দুষ্কৃতীদের কোনও দল হয় না। পুলিস ও প্রশাসনকে অনুরোধ করব, রং না দেখে ঘটনার তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার করা হোক। এনিয়ে মালদহের পুলিস সুপার প্রদীপকুমার যাদবকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। মেসেজেরও উত্তর দেননি।
মেয়েকেও জমিতে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন আক্রান্ত মহিলা। এই ঘটনায় তাঁরা গাজোল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু তারপরেও দুষ্কৃতীদের হদিশ মেলেনি। এখন লাগাতার হুমকির জেরে মেয়েকে নিয়ে ঘরছাড়া হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন মহিলা। মঙ্গলবার মেয়েকে নিয়ে পুলিস সুপারের অফিসে যান তিনি। থানা কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না দাবি করে তাঁরা পুলিস সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
যদিও এই ঘটনায় দলের নেতা, কর্মীদের যুক্ত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মালদহ জেলা তৃণমূল সহ সভাপতি দুলাল সরকার। তিনি বলেন, দুষ্কৃতীদের কোনও দল হয় না। পুলিস ও প্রশাসনকে অনুরোধ করব, রং না দেখে ঘটনার তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার করা হোক। এনিয়ে মালদহের পুলিস সুপার প্রদীপকুমার যাদবকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। মেসেজেরও উত্তর দেননি।



