অগ্নিভ ভৌমিক, চাপড়া: বুধবার সকালে চাপড়া থানার মহেশনগরে জমি বিবাদ নিয়ে সংঘর্ষে প্রাণ গেল এক ব্যক্তির। এলাকার তিনটি গোষ্ঠীর সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আলহামদা শেখ(৫২) নামে একজন মারা গিয়েছেন। জখম মোহাব্বার শেখ এবং কানু শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে তাঁরা চিকিৎসাধীন। মৃত ও জখমরা একই পরিবারের সদস্য। এই ঘটনায় রিজাউল করিম ওরফে ইজাজকে চাপড়া থানার পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত ব্যক্তি অসমে বিএসএফে কর্মরত বলে জানা গিয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার তাকে কৃষ্ণনগর আদালতে তোলা হবে। ঘটনায় জড়িত বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস।
Advertisement
কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার এসপি অমরনাথ কে বলেন, জমি নিয়ে বিবাদের জেরেই এই ঘটনা ঘটে। ঘটনায় দু’জন জখম হয়েছেন এবং একজন মারা গিয়েছেন। অভিযুক্ত এক বিএসএফের কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে চলছে। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বাকিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
চাপড়া ব্লকের হাতিশালা-১ পঞ্চায়েতের মহেশনগর এলাকায় জমি নিয়ে অশান্তি নতুন নয়। সেখানে ঝামেলা প্রায়ই লেগে থাকে। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে জলঙ্গি নদী। নদীর ওপারে রয়েছে নাকাশিপাড়া ব্লকের ধনঞ্জয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েত। নদীর চরের সরকারি জমি কে দখলে রাখবে, সেই নিয়েই এলাকার কয়েকটি গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ লেগে থাকত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জলঙ্গি নদী লাগোয়া একটি সরকারি জমি কয়েক মাস আগে আলহামদা শেখ ‘কিনে’ ছিলেন। সেই জমিতে চাষাবাদ করতে শুরু করেন তিনি। সেই সময় রিজাউল করিমের নজর যায় জমির উপর। তখন থেকেই শুরু হয় নতুন করে বিবাদ। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে আলহামদা মাঠে যান। সেইসময় রিজাউলের দলবদল ও তৃতীয় পক্ষের লোকজন সেখানে হানা দেয়। উভয়ের মধ্যে বচসা থেকে শুরু হয় বোমা-গুলির লড়াই। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলে। আলহামদোর গলার ঠিক উপরে গুলি লাগে। কানু শেখকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয় ও মোহাব্বার শেখকে রামদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পোঁছয় চাপড়া থানার পুলিস। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকেই চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক আলহামদাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মৃতের মেয়ে ঝর্ণা খাতুন বলেন, আমরা বাবাকে ওরা গুলি করে খুন করেছে। ওরা আমাদের জমি দখল করতে চেয়েছিল। প্রতিবাদ করার জন্য আমার বাবাকে খুন করল। আমরা এর বিচার চাই।
চাপড়ার বিধায়ক রুকবানুর রহমান বলেন, ওই এলাকায় জমি নিয়ে বিবাদ দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। ছ’মাস আগেই আমরা পুলিসকে বিষয়টি অবগত করেছিলাম। জমি দখলের প্রতিবাদ করতে গিয়ে একজন প্রাণ হারালেন। আমরা মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁদের পাশে আছি আমরা।
চাপড়া ব্লকের হাতিশালা-১ পঞ্চায়েতের মহেশনগর এলাকায় জমি নিয়ে অশান্তি নতুন নয়। সেখানে ঝামেলা প্রায়ই লেগে থাকে। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে জলঙ্গি নদী। নদীর ওপারে রয়েছে নাকাশিপাড়া ব্লকের ধনঞ্জয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েত। নদীর চরের সরকারি জমি কে দখলে রাখবে, সেই নিয়েই এলাকার কয়েকটি গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ লেগে থাকত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জলঙ্গি নদী লাগোয়া একটি সরকারি জমি কয়েক মাস আগে আলহামদা শেখ ‘কিনে’ ছিলেন। সেই জমিতে চাষাবাদ করতে শুরু করেন তিনি। সেই সময় রিজাউল করিমের নজর যায় জমির উপর। তখন থেকেই শুরু হয় নতুন করে বিবাদ। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে আলহামদা মাঠে যান। সেইসময় রিজাউলের দলবদল ও তৃতীয় পক্ষের লোকজন সেখানে হানা দেয়। উভয়ের মধ্যে বচসা থেকে শুরু হয় বোমা-গুলির লড়াই। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলে। আলহামদোর গলার ঠিক উপরে গুলি লাগে। কানু শেখকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয় ও মোহাব্বার শেখকে রামদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পোঁছয় চাপড়া থানার পুলিস। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকেই চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক আলহামদাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মৃতের মেয়ে ঝর্ণা খাতুন বলেন, আমরা বাবাকে ওরা গুলি করে খুন করেছে। ওরা আমাদের জমি দখল করতে চেয়েছিল। প্রতিবাদ করার জন্য আমার বাবাকে খুন করল। আমরা এর বিচার চাই।
চাপড়ার বিধায়ক রুকবানুর রহমান বলেন, ওই এলাকায় জমি নিয়ে বিবাদ দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। ছ’মাস আগেই আমরা পুলিসকে বিষয়টি অবগত করেছিলাম। জমি দখলের প্রতিবাদ করতে গিয়ে একজন প্রাণ হারালেন। আমরা মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁদের পাশে আছি আমরা।



