সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: জমি বিবাদ। তার জেরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা এবং ছেলের মাথায় কোপ মারার অভিযোগ আত্মীয়র বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপগরের।
Advertisement
ছেলের মাথায় পাঁচটি এবং মায়ের মাথায় ন’টি সেলাই পড়েছে। জখম মহিলা জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় জখম যুবক রবিবার চারজনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের পাল্টা দাবি, জমি সংক্রান্ত বিবাদ নিয়ে মা ও ছেলেই তাদের উপর হামলা করেছ। শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। দু’পক্ষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ময়নাগুড়ি থানার পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।
রবিবার সকালে জমি বিবাদ নিয়ে ভাই এবং দাদার পরিবারের মধ্যে ঝামেলা বাধে। জখম যুবকের বাবা বলেন, হঠাৎ করেই ভাইয়ের বাড়ির লোকজন আমাদের জমি দখল করতে যায়। ওরা জমিতে যাতায়াতের রাস্তা করতে চায়। এই বিষয় নিয়ে শুরু হয় বচসা। চারজন কোদাল, দাঁ, লাঠি নিয়ে আমাদের আক্রমণ করে। আমার ছেলেকে মারধর করে। ছেলের মাথায়, বুকে ও হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। ওর মা ছুটে এলে অভিযুক্তরা মাথায় কোপ মারে। দু’জনেই ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে। ওদের উদ্ধার করে ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাই। আমার স্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের তরফে এক মহিলা। তিনি বলেন, আমাদের এলাকার রাস্তা বর্ধিত করা হবে। সেই বিষয় নিয়ে যারা অভিযোগ করছে তারাই প্রথম বাধা দেয়। পরবর্তীতে ধারালো অস্ত্র, লাঠি নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। আমাদের মারধর করা হয়। তাদের মধ্যে একজন আমার শ্লীলতাহানি করে। সম্মানরক্ষার্থে একজনকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাই। সে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন।
রবিবার সকালে জমি বিবাদ নিয়ে ভাই এবং দাদার পরিবারের মধ্যে ঝামেলা বাধে। জখম যুবকের বাবা বলেন, হঠাৎ করেই ভাইয়ের বাড়ির লোকজন আমাদের জমি দখল করতে যায়। ওরা জমিতে যাতায়াতের রাস্তা করতে চায়। এই বিষয় নিয়ে শুরু হয় বচসা। চারজন কোদাল, দাঁ, লাঠি নিয়ে আমাদের আক্রমণ করে। আমার ছেলেকে মারধর করে। ছেলের মাথায়, বুকে ও হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। ওর মা ছুটে এলে অভিযুক্তরা মাথায় কোপ মারে। দু’জনেই ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে। ওদের উদ্ধার করে ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাই। আমার স্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের তরফে এক মহিলা। তিনি বলেন, আমাদের এলাকার রাস্তা বর্ধিত করা হবে। সেই বিষয় নিয়ে যারা অভিযোগ করছে তারাই প্রথম বাধা দেয়। পরবর্তীতে ধারালো অস্ত্র, লাঠি নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। আমাদের মারধর করা হয়। তাদের মধ্যে একজন আমার শ্লীলতাহানি করে। সম্মানরক্ষার্থে একজনকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাই। সে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন।



