সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: জমি দখলকে কেন্দ্র করে মা ও দুই মেয়েকে জমিতে ফেলে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের অঞ্চল সভাপতি রুস্তম আলি ও পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সহ সভাপতি ফেসান আলি সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। মারধরের ভিডিও (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি ‘বর্তমান’) ভাইরাল হওয়ার পর ঘটনার কথা সামনে আসে।
Advertisement
হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে রুস্তমকে। শুক্রবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুরের তিলডাঙ্গি এলাকায়।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিলডাঙ্গি এলাকায় আদালতে বিচারাধীন থাকা ১২ শতক জমির দখলদারি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ওঠে ওই জমির একটি অংশের মালিকানা থাকা পুষ্পিতা মণ্ডল, বেবি মণ্ডল এবং তাঁদের মা প্রতিমা মণ্ডলকে বেধড়ক মারধর করে অভিযুক্তরা। তাঁদের শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। তাঁরা হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আক্রান্ত পুষ্পিতা বলেন, ৩৬ শতক জমির একটি অংশীদার নিতাই চন্দ্র দাস নিজের ভাগ স্থানীয় কিছু জমি মাফিয়াদের বিক্রি করেন। রুস্তম ও ফেসানরা কিনেছিল সেই জমি। ওরা ইচ্ছা করে রাস্তার ধারের অংশ নিজেদের নামে করিয়ে এখন আমাদের দখলে থাকা ১২ শতক জমি দখল করতে আসছে গায়ের জোরে। বাধা দেওয়ায় দিদি, মা এবং আমাকে মারধর করেছে।
এই ঘটনায় সরব হয়েছেন মহেন্দ্রপুর অঞ্চলের শাসক দলের অঞ্চল সভাপতি পঙ্কজ দাস। তিনি বলেন, দলের একটি অংশ জমি মাফিয়াদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নাম খারাপ করছে। নিরীহ লোকজনকে মারধর করছে। ওদের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ জানাব।
অভিযুক্ত ফেসানকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, ছ’জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিলডাঙ্গি এলাকায় আদালতে বিচারাধীন থাকা ১২ শতক জমির দখলদারি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ ওঠে ওই জমির একটি অংশের মালিকানা থাকা পুষ্পিতা মণ্ডল, বেবি মণ্ডল এবং তাঁদের মা প্রতিমা মণ্ডলকে বেধড়ক মারধর করে অভিযুক্তরা। তাঁদের শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। তাঁরা হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আক্রান্ত পুষ্পিতা বলেন, ৩৬ শতক জমির একটি অংশীদার নিতাই চন্দ্র দাস নিজের ভাগ স্থানীয় কিছু জমি মাফিয়াদের বিক্রি করেন। রুস্তম ও ফেসানরা কিনেছিল সেই জমি। ওরা ইচ্ছা করে রাস্তার ধারের অংশ নিজেদের নামে করিয়ে এখন আমাদের দখলে থাকা ১২ শতক জমি দখল করতে আসছে গায়ের জোরে। বাধা দেওয়ায় দিদি, মা এবং আমাকে মারধর করেছে।
এই ঘটনায় সরব হয়েছেন মহেন্দ্রপুর অঞ্চলের শাসক দলের অঞ্চল সভাপতি পঙ্কজ দাস। তিনি বলেন, দলের একটি অংশ জমি মাফিয়াদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নাম খারাপ করছে। নিরীহ লোকজনকে মারধর করছে। ওদের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ জানাব।
অভিযুক্ত ফেসানকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, ছ’জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।



