নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: নুন আনতে পান্তা ফুরনোর দশা জামুড়িয়া থানার নিঘার রাজেশ পাসওয়ানের। পরিবারে বৃদ্ধ বাবা, মা’র পাশাপাশি তিনটি নাবালক সন্তান ও স্ত্রী। সংসার টানতে ভরসা পোল্ট্রি ফার্মের নৈশপ্রহরীর কাজ। ইসিএলের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারেই দিনগুজরান। দু’কামরার সেই কোয়ার্টারের জন্য তাঁর কাছে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৪৭৪ টাকা। বাড়িতে এসি, ওয়াশিং মেশিন নেই। টিভি থাকলেও তা তিন বছর ধরে খারাপ হয়ে পড়ে আছে। তাই দেখে ভিরমি খাওয়ার মতো অবস্থা পাসওয়ান পরিবারের। এর পরেই চমক। বিদ্যুৎ দপ্তরের কাছে লিখিত আবেদন করতেই সেই বিল এক ধাক্কায় কমে দাঁড়াল মাত্র ২২৫ টাকায়। এখন প্রশ্ন উঠছে, বিদ্যুৎ দপ্তরের এই ভূতুড়ে বিলের পিছনে কী কারণ রয়েছে? ডব্লুবিএসইডিসিএলের রিজিওন্যাল ম্যানেজার স্বপনকুমার মণ্ডল বলেন, নির্দিষ্ট করে এই বিষয়টি আমার জানা নেই। অনেক ক্ষেত্রেই রিডিং নেওয়ার পর বিলের টাইপিং মিসটেকের জন্য এধরনের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি খতিয়ে দেখব।



