সংবাদদাতা, পতিরাম: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় শুরু হয়েছে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যে প্রথম ধাপে প্যানেল প্রকাশ করেছে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ। কিন্তু এবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠল। কাউন্সেলিং ছাড়াই সিনিয়রিটি না দেখে নিয়োগে স্বজনপোষণ, পছন্দের শিক্ষকদের কাছাকাছি স্কুলে নিয়োগ করা হচ্ছে বলে দাবি করে জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন দু’জন। কিন্তু তাঁরা কারা, হদিশ পাচ্ছে না প্রশাসন। জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেছেন, অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
এবিষয়ে সংসদের চেয়ারম্যান সন্তোষ হাঁসদা বলেন, জেলাশাসককে অভিযোগ জানানো ওই দু’জন কারা, জানি না। কোন স্কুলের কথা বলা হয়েছে সেটাও বোঝা যাচ্ছে না। তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
এবিষয়ে বিরোধী শিক্ষক সংগঠন নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতিরও একই সুর। সংগঠনের জেলা সম্পাদক শংকর ঘোষ বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। এখনও পর্যন্ত অনিয়ম দেখিনি। যারা এই অভিযোগ তুলেছে, বিষয়টি না জেনেই হয়তো এমন কাজ করেছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আটটি ব্লকে ১৭ টি সার্কেল রয়েছে। যার মধ্যে ১০৮৯ টি প্রাথমিক স্কুল। কয়েকবছর আগে পাঁচটি স্কুল ছাত্রের অভাবে বন্ধ করা হয়েছে। বর্তমানে জেলায় ১১৮৪ টি স্কুল রয়েছে। তার মধ্যে ৭১ শতাংশ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। শেষবার ২০১৩ সালে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ১২ বছর ধরে শূন্যপদ বেড়ে হয়েছে ৮৪০। এবার সেই পদেই নিয়োগ করছে সংসদ। জেলাজুড়ে ১২৮১ টি আবেদন পড়েছিল। তার মধ্যে নথি ভুলের কারণে অনেক আবেদন বাতিল হয়। এবার ১২৬৮ জনের নথি যাচাই করা হচ্ছে।
এবিষয়ে বিরোধী শিক্ষক সংগঠন নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতিরও একই সুর। সংগঠনের জেলা সম্পাদক শংকর ঘোষ বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। এখনও পর্যন্ত অনিয়ম দেখিনি। যারা এই অভিযোগ তুলেছে, বিষয়টি না জেনেই হয়তো এমন কাজ করেছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আটটি ব্লকে ১৭ টি সার্কেল রয়েছে। যার মধ্যে ১০৮৯ টি প্রাথমিক স্কুল। কয়েকবছর আগে পাঁচটি স্কুল ছাত্রের অভাবে বন্ধ করা হয়েছে। বর্তমানে জেলায় ১১৮৪ টি স্কুল রয়েছে। তার মধ্যে ৭১ শতাংশ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। শেষবার ২০১৩ সালে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ১২ বছর ধরে শূন্যপদ বেড়ে হয়েছে ৮৪০। এবার সেই পদেই নিয়োগ করছে সংসদ। জেলাজুড়ে ১২৮১ টি আবেদন পড়েছিল। তার মধ্যে নথি ভুলের কারণে অনেক আবেদন বাতিল হয়। এবার ১২৬৮ জনের নথি যাচাই করা হচ্ছে।



