সংবাদদাতা, সিউড়ি: সিউড়ির তিলপাড়া ব্যারেজের বেহাল অবস্থা। প্রায় ৭৫ বছরের পুরনো এই ব্যারেজ সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা সেচদপ্তর। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে দু’মাসের জন্য সংস্কারের কাজ শুরু হবে এই ব্যারেজে। তাই ইতিমধ্যেই এই ব্যারেজকে জলশূন্য করে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে আসন্ন বোরো চাষে সেচের জল আদৌ দেওয়া সম্ভব হবে কি না, তাই নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ এই দু’মাস ব্যারেজ সংস্কারের কাজ হলে সেখান থেকে জল দেওয়ার সুযোগ খুব একটা থাকবে বলে মনে করছেন না প্রশাসনের আধিকারিকরা। তাও এখনই বোরো চাষে জল না দেওয়ার কথা ঘোষণা করার আগে চিন্তাভাবনা করছেন প্রশাসনিক কর্তারা। জেলা সেচদপ্তর এবং প্রশাসনিক দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বোরো চাষে জল দেওয়াকে কেন্দ্র করে। সেই বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত হবে আদৌ এবছর বীরভূম ও মুর্শিদাবাদের একাংশের চাষিদের চাষের জল দেওয়া হবে কিনা তাই নিয়ে।
Advertisement
কারণ ব্যারেজের ওপরে জাতীয় সড়ক যেমন ভগ্ন অবস্থায় রয়েছে তেমনি ব্যারেজের নীচেও বেশ কিছু জায়গায় ফাটল ও ব্যারেজের এক প্রান্তে জলের অ্যাপ্রোচিং স্থল ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। ব্যারেজের গেটের এক প্রান্তে এই অ্যাপ্রোচিং জায়গাটি সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে কিছুদিন আগেই। এবার ১৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে ব্যারেজের সংস্কারের কাজ। অর্থাৎ ব্যারেজকে জলশূন্য করে তার নীচের অংশের ফাটল এবং অন্যান্য সমস্যা মেরামতের কাজ শুরু হবে। তাই দু’মাসের জন্য ব্যারেজের ওপর জাতীয় সড়ক দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। অর্থাৎ তিলপাড়া ব্যারেজটিকে সার্বিকভাবে সংস্কার করতে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে প্রশাসনকে।
কিন্তু বীরভূম জেলা এবং মুর্শিদাবাদ জেলার বীরভূম সীমানা লাগোয়া অংশের চাষিরা এই ব্যারেজের জলের ভরসায় চাষাবাদ করে থাকেন। দুই জেলার প্রায় হাজার খানেকেরও বেশি চাষি চাষ করেন সেচের জলে। ঝাড়খণ্ডের ম্যাসাঞ্জোর ড্যাম থেকে জল আসে এই ময়ূরাক্ষী তিলপাড়া ব্যারেজে। তারপর এই ব্যারেজ থেকে জল ছাড়া হলে সেই জল চলে যায় সাঁইথিয়া হয়ে একদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার কিছু অংশে এবং অন্যদিকে বীরভূম জেলার অন্যান্য শাখানদী ও ক্যানেলগুলিতে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই জেলাজুড়ে বোরো ধান চাষ হওয়ার কথা। তাই তার আগে এই ব্যারেজ জলশূন্য থাকায় চাষের সময় সেচের জল মিলবে কি না, সেই নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। জেলা সেচদপ্তরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, প্রাথমিকভাবে এখন তিলপাড়া ব্যারেজ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ব্যারেজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলার চাষের জন্য। ব্যারেজের জল চাষের ক্ষেত্রে সেচের কাজে ব্যবহার করেন চাষিরা। কিন্তু এই ব্যারেজ সংস্কার করতে গেলে তাকে জলশূন্য রাখা খুবই প্রয়োজন। দ্রুত সংস্কারের কাজ যদি শেষ হয়, সেক্ষেত্রে চাষের জল দেওয়ার কথা চিন্তাভাবনা করা হবে। বোরো ধান চাষে জল দেওয়া হবে কি হবে না, সেই নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
কিন্তু বীরভূম জেলা এবং মুর্শিদাবাদ জেলার বীরভূম সীমানা লাগোয়া অংশের চাষিরা এই ব্যারেজের জলের ভরসায় চাষাবাদ করে থাকেন। দুই জেলার প্রায় হাজার খানেকেরও বেশি চাষি চাষ করেন সেচের জলে। ঝাড়খণ্ডের ম্যাসাঞ্জোর ড্যাম থেকে জল আসে এই ময়ূরাক্ষী তিলপাড়া ব্যারেজে। তারপর এই ব্যারেজ থেকে জল ছাড়া হলে সেই জল চলে যায় সাঁইথিয়া হয়ে একদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার কিছু অংশে এবং অন্যদিকে বীরভূম জেলার অন্যান্য শাখানদী ও ক্যানেলগুলিতে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই জেলাজুড়ে বোরো ধান চাষ হওয়ার কথা। তাই তার আগে এই ব্যারেজ জলশূন্য থাকায় চাষের সময় সেচের জল মিলবে কি না, সেই নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। জেলা সেচদপ্তরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, প্রাথমিকভাবে এখন তিলপাড়া ব্যারেজ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ব্যারেজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলার চাষের জন্য। ব্যারেজের জল চাষের ক্ষেত্রে সেচের কাজে ব্যবহার করেন চাষিরা। কিন্তু এই ব্যারেজ সংস্কার করতে গেলে তাকে জলশূন্য রাখা খুবই প্রয়োজন। দ্রুত সংস্কারের কাজ যদি শেষ হয়, সেক্ষেত্রে চাষের জল দেওয়ার কথা চিন্তাভাবনা করা হবে। বোরো ধান চাষে জল দেওয়া হবে কি হবে না, সেই নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।



