নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: জেলার প্রাথমিক স্কুলগুলির পরিকাঠামো ঢেলে সাজার পরিকল্পনা নিয়েছে শিক্ষাদপ্তর। তারজন্য মোটা অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। ধাপে ধাপে প্রতিটি স্কুলে স্মার্ট ক্লাসরুম তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার প্রায় ১০০টি স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। পরে অন্যান্য স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করা হবে। অধিকাংশ স্কুলকে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা দেওয়া হচ্ছে। আউশগ্রামে ১০, বর্ধমান-২ ব্লকে ১২, মন্তেশ্বরের ১০টি স্কুলের পরিকাঠামোর জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। কেতুগ্রাম-১, কেতুগ্রাম-২ ও মেমারি-২ ব্লকে আটটি করে স্কুলকে অর্থ দেওয়া হবে। বর্ধমান জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার বলেন, অনেক প্রাথমিক স্কুলের সীমানা প্রাচীর নেই। ওই স্কুলগুলিতে ফেন্সিং দেওয়া হবে। ক্লাসরুম বেহাল থাকলে সেগুলি সংস্কার করা হবে। ধাপে ধাপে সব স্কুলে স্মার্ট ক্লাসরুম করা হবে।
Advertisement
পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান মধুসূদন ভট্টাচার্য বলেন, স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য তালিকা তৈরি করে রাজ্যে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে। অর্থ বরাদ্দ হওয়ায় কাজ শুরু হতে সমস্যা হবে না। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এতদিন শহরগুলিতে বেসরকারি স্কুলের রমরমা ছিল। এখন গ্রামেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মাথা তুলছে। অভিভাবকরা বেসরকারি স্কুলের দিকে ঝুঁকছেন। প্রাথমিক স্কুলগুলিতে পড়ুয়ার সংখ্যা কমে গিয়েছে। শিক্ষা সংসদের দাবি, জেলার প্রায় ২৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়ার সংখ্যা ২০-র নীচে নেমে গিয়েছে। চেয়ারম্যান বলেন, ওই স্কুলগুলি সংযুক্তকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গ্রামীণ স্কুলগুলিতে পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়ানোর জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। অভিভাবকদের দাবি, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির ভোল বদল না করলে পরিস্থিতি উন্নত হবে না। শহরের স্কুলগুলিতে ছাত্রছাত্রী কম। শিক্ষক বেশি। আবার গ্রামীণ স্কুলগুলিতে অন্য ছবি দেখা যাচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক স্কুলগুলির শিক্ষার মান যাচাই করতে আধিকারিকরা লাগাতার পরিদর্শন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। খোদ জেলাশাসক আয়েশা রানি এ শনিবার বড়শুলের একাধিক স্কুলে যান। তিনি শিক্ষক- শিক্ষিকাদের সঙ্গে কথা বলেন। ক্লাসও নেন। এছাড়া মিড ডে মিল ঠিকমতো হচ্ছে কি না, সেটাও তিনি খতিয়ে দেখেন। জেলার অন্যান্য স্কুলেও তাঁরা পরিদর্শনে যাবেন। শিক্ষাদপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কচিকাঁচাদের মজার ছলে শিক্ষক- শিক্ষিকারা যাতে পড়াতে পারেন তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারজন্য শিক্ষকদের ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রতিটি স্কুলের পরিকাঠামো আধুনিক মানের করা হচ্ছে। মিড ডে মিলের জন্য রান্নাঘর, ডাইনিং হল তৈরি করা হচ্ছে। অনেক স্কুলেই তা হয়েছে। বাকি স্কুলগুলিতেও এধরনের পরিকাঠামো তৈরি করা হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক স্কুলগুলির শিক্ষার মান যাচাই করতে আধিকারিকরা লাগাতার পরিদর্শন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। খোদ জেলাশাসক আয়েশা রানি এ শনিবার বড়শুলের একাধিক স্কুলে যান। তিনি শিক্ষক- শিক্ষিকাদের সঙ্গে কথা বলেন। ক্লাসও নেন। এছাড়া মিড ডে মিল ঠিকমতো হচ্ছে কি না, সেটাও তিনি খতিয়ে দেখেন। জেলার অন্যান্য স্কুলেও তাঁরা পরিদর্শনে যাবেন। শিক্ষাদপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কচিকাঁচাদের মজার ছলে শিক্ষক- শিক্ষিকারা যাতে পড়াতে পারেন তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারজন্য শিক্ষকদের ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রতিটি স্কুলের পরিকাঠামো আধুনিক মানের করা হচ্ছে। মিড ডে মিলের জন্য রান্নাঘর, ডাইনিং হল তৈরি করা হচ্ছে। অনেক স্কুলেই তা হয়েছে। বাকি স্কুলগুলিতেও এধরনের পরিকাঠামো তৈরি করা হবে।



