নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: বারবার বলা সত্ত্বেও বন্ধ করা যাচ্ছিল না জলের অপচয়। শেষপর্যন্ত পুলিসের কাছে ৫০০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে সুরাহার ব্যবস্থা করল জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তর। অভিযোগ, নিয়মিত জল জীবন মিশন প্রকল্পের মাধ্যমে উত্তোলিত জলের অপচয় ও জল চুরি করে পরিশ্রুত পানীয় জল দিয়ে গবাদি পশু স্নান করানো, খেতে জল দেওয়া, অনৈতিকভাবে পাম্প চালিয়ে বেশি পরিমাণে জল টেনে নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেই যাচ্ছিল। পরিস্থিতি এমন জায়গায় যায় যে কিছুদিন আগে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এধরনের সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তারপরেই নড়েচড়ে বসে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তর।
Advertisement
জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুর জেলায় ১৩টি জিডি করে ৫০০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে দপ্তর। তার মধ্যে ৪০০ জনের বিরুদ্ধে পুলিস প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় ঠেকানো গিয়েছে দেদার জল অপচয়। আর এই পদক্ষেপের পর থেকে জেলার গ্রামাঞ্চলগুলিতে সুষ্ঠুভাবে জল জীবন মিশনের কাজ চলছে বলে দপ্তর সূত্রে খবর।
পিএইচই’র উত্তর দিনাজপুর জেলার এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার অনিরুদ্ধ ভট্টাচার্য বলেন, জল অপচয় ও চুরি রুখতে আমরা বারবার বললেও মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব ছিল। কিন্তু সম্প্রতি প্রশাসন ও পুলিসকে মুখ্যমন্ত্রী কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিতেই পরিস্থিতি বদলেছে। আমরা ১৩টি জিডির মাধ্যমে ৫০০ জনের বিরুদ্ধে পুলিসকে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। অতি দ্রুত সেই সমস্ত অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে ৪০০ জনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে পুলিস পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রশাসনও খুব গুরুত্ব দিয়ে জলজীবন মিশনের কাজ শেষ করতে উঠেপড়ে লেগেছে।
জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তর সূত্রে খবর, জেলায় ৫ লাখ ৮১ হাজার বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ হচ্ছে। তারমধ্যে ২ লাখ ২৪ হাজার বাড়িতে জলের পাইলাইনের সংযোগ দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এই পরিসংখ্যানের নিরিখে মূল লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এখনও পর্যন্ত জলের পাইলাইনের সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কাজ হয়েছে ৩৮.৫ শতাংশ। গত তিনমাসে মাত্র ৩ শতাংশ কাজ এগিয়েছে। আরও একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলায় গত ৬ মাসে ৪০ হাজার বাড়িতে জল পৌঁছেছে। তবে এখন রাজ্যস্তর থেকে দফায় দফায় মনিটরিং বৈঠক হচ্ছে। জেলাতেও তিনজনের একটি কমিটিও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের কাজ নিয়ে বৈঠক করছে। জমিজমা, বিদ্যুৎ ইত্যাদি সমস্যা নিয়েও নিয়মিত বৈঠক চলছে। প্রশাসন ও পুলিসের সমন্বয়ে দ্রুত কাজ শেষ হবে বলেই মনে করছেন দপ্তরের কর্মীরা।
পিএইচই’র উত্তর দিনাজপুর জেলার এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার অনিরুদ্ধ ভট্টাচার্য বলেন, জল অপচয় ও চুরি রুখতে আমরা বারবার বললেও মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব ছিল। কিন্তু সম্প্রতি প্রশাসন ও পুলিসকে মুখ্যমন্ত্রী কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিতেই পরিস্থিতি বদলেছে। আমরা ১৩টি জিডির মাধ্যমে ৫০০ জনের বিরুদ্ধে পুলিসকে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। অতি দ্রুত সেই সমস্ত অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে ৪০০ জনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে পুলিস পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রশাসনও খুব গুরুত্ব দিয়ে জলজীবন মিশনের কাজ শেষ করতে উঠেপড়ে লেগেছে।
জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তর সূত্রে খবর, জেলায় ৫ লাখ ৮১ হাজার বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ হচ্ছে। তারমধ্যে ২ লাখ ২৪ হাজার বাড়িতে জলের পাইলাইনের সংযোগ দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এই পরিসংখ্যানের নিরিখে মূল লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এখনও পর্যন্ত জলের পাইলাইনের সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কাজ হয়েছে ৩৮.৫ শতাংশ। গত তিনমাসে মাত্র ৩ শতাংশ কাজ এগিয়েছে। আরও একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলায় গত ৬ মাসে ৪০ হাজার বাড়িতে জল পৌঁছেছে। তবে এখন রাজ্যস্তর থেকে দফায় দফায় মনিটরিং বৈঠক হচ্ছে। জেলাতেও তিনজনের একটি কমিটিও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের কাজ নিয়ে বৈঠক করছে। জমিজমা, বিদ্যুৎ ইত্যাদি সমস্যা নিয়েও নিয়মিত বৈঠক চলছে। প্রশাসন ও পুলিসের সমন্বয়ে দ্রুত কাজ শেষ হবে বলেই মনে করছেন দপ্তরের কর্মীরা।



