সংবাদদাতা, সিউড়ি: বহু প্রতীক্ষার পর বীরভূম জেলার ৫২হাজার উপভোক্তাকে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের টাকা দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় প্রকল্পের উদ্বোধন করার পরই এই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে সরকারি অনুদানের টাকা ঢুকতে শুরু করে। জেলায় একলক্ষের বেশি উপভোক্তার মধ্যে প্রথম ৫২হাজার জনকে টাকা দেওয়া শুরু হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার আবাসের টাকা দেওয়া বন্ধ করার পর রাজ্য সরকারই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে দুঃস্থ মানুষকে পাকা বাড়ি দিচ্ছে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে খুশি উপভোক্তারা।
Advertisement
আগে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার যৌথ উদ্যোগে আবাস যোজনা নামে প্রকল্পের মাধ্যমে দুঃস্থ মানুষকে পাকা বাড়ি তৈরির টাকা দিত। কিন্তু এই প্রকল্পের নাম বদল ও উপভোক্তাদের তালিকা নিয়ে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল রাজ্যের বিরোধী দল। শাসকদলের কিছু নেতৃত্বের বিরুদ্ধে পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও অনেককে সরকারি প্রকল্পে বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল। আর সেই অভিযোগকে খাড়া করে বাংলার গরিব মানুষকে বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। এরপর বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে একাধিকবার দিল্লির দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তাতেও চিঁড়ে ভেজেনি। আবাসের টাকা দিতে কেন্দ্র রাজি হয়নি। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, এবার থেকে রাজ্য সরকারই এই পাকা বাড়ি তৈরির টাকা দেবে। সেই অনুযায়ী নতুন তালিকা তৈরি ও সমীক্ষা শুরু হয়েছিল। সেই তালিকা চূড়ান্ত স্বীকৃতি পাওয়ার পর ১৭ ডিসেম্বর থেকে বীরভূমের ৫২ হাজার উপভোক্তাকে টাকা দিচ্ছে রাজ্য।
বীরভূম জেলা পরিষদ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক উপভোক্তাকে ৬০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এখনও অবধি বীরভূমের প্রায় ১ লক্ষ ১০০০ উপভোক্তার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম ৫২ হাজার উপভোক্তাকে বাড়ির প্রথম কিস্তির জন্য প্রায় ৩১২ কোটি টাকা দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। ৩১ডিসেম্বরের মধ্যে এই টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। তারপর দু’টি দফায় ধাপে ধাপে আরও ৪০ ও ২০ হাজার টাকা উপভোক্তাদের দেওয়া হবে।
সিউড়ির নগরী এলাকার বাসিন্দা সুন্দরী টুডু, রাজনগরের বাসিন্দা লক্ষ্মীরাম হাঁসদা বলেন, আমরা বহুদিন আগে থেকে বাড়ি পাওয়ার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনুরোধ করেছিলাম। তাঁরা আমাদের বলতেন, তালিকায় নাম আছে। দেরি হলেও আমরা বাড়ি পাবই। অবশেষে আমাদের পাকা বাড়ি তৈরি হবে শুনে খুব ভালো লাগছে। শুনেছি মুখ্যমন্ত্রীই আমাদের এই টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তাই তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।
বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার মানুষকে বঞ্চনা করেছে। কিন্তু রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী দুঃস্থ মানুষের কথা চিন্তা করে পাকা বাড়ি তৈরির জন্য এই অনুদান দিচ্ছেন। কলকাতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এই প্রকল্প উদ্বোধনের পর বীরভূমের উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে।
বীরভূম জেলা পরিষদ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক উপভোক্তাকে ৬০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এখনও অবধি বীরভূমের প্রায় ১ লক্ষ ১০০০ উপভোক্তার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম ৫২ হাজার উপভোক্তাকে বাড়ির প্রথম কিস্তির জন্য প্রায় ৩১২ কোটি টাকা দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। ৩১ডিসেম্বরের মধ্যে এই টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। তারপর দু’টি দফায় ধাপে ধাপে আরও ৪০ ও ২০ হাজার টাকা উপভোক্তাদের দেওয়া হবে।
সিউড়ির নগরী এলাকার বাসিন্দা সুন্দরী টুডু, রাজনগরের বাসিন্দা লক্ষ্মীরাম হাঁসদা বলেন, আমরা বহুদিন আগে থেকে বাড়ি পাওয়ার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনুরোধ করেছিলাম। তাঁরা আমাদের বলতেন, তালিকায় নাম আছে। দেরি হলেও আমরা বাড়ি পাবই। অবশেষে আমাদের পাকা বাড়ি তৈরি হবে শুনে খুব ভালো লাগছে। শুনেছি মুখ্যমন্ত্রীই আমাদের এই টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তাই তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।
বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার মানুষকে বঞ্চনা করেছে। কিন্তু রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী দুঃস্থ মানুষের কথা চিন্তা করে পাকা বাড়ি তৈরির জন্য এই অনুদান দিচ্ছেন। কলকাতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এই প্রকল্প উদ্বোধনের পর বীরভূমের উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে।



