নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: নিজস্ব জমি ছিল না। সরকারি জমিতে ত্রিপল টাঙিয়ে কোনও রকমে তাঁরা বসবাস করতেন। জমির উপর নিজস্ব অধিকার না থাকায় উচ্ছেদ হওয়ার আতঙ্ক সব সময় তাঁদের গ্রাস করত। এবার জেলার সেই পরিবারগুলিকে জমির পাট্টা দেওয়ার পাশাপাশি পাকাবাড়িও দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য সরকার প্রতিটি জেলার ভূমিহীনদের জমির পাশাপাশি বাড়ি তৈরি করে দিচ্ছে। বাংলার বাড়ি প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁরা এই সুবিধা পাবেন। পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৩১৩টি পরিবারকে প্রাথমিক পর্যায়ে জমি ও বাড়ি দেওয়া হচ্ছে। খণ্ডঘোষের ১০টি পরিবারকে ইতিমধ্যে পাট্টার জমি চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে। খণ্ডঘোষের বিডিও অভীককুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বোয়াই এলাকায় পরিবারগুলিকে জমি দেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। তাঁরা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করবেন।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার প্রতিটি ব্লকের বাসিন্দারা পাট্টা পাচ্ছেন। যাঁদের নিজস্ব জমি নেই, তাঁদেরই তা দেওয়া হবে। পাট্টার জন্য অনেকেই আবেদন করেছিলেন। সেগুলি খতিয়ে দেখে জমি দেওয়া হচ্ছে। ধাপে ধাপে ওই পরিবারগুলিকে পাট্টা দেওয়া হবে। এক আধিকারিক বলেন, সরকার সবাইকেই মাথার উপর ছাদ দিতে চান। কিন্তু, বহু পরিবারের নিজস্ব জমি না থাকায় তাঁরা চিন্তায় পড়েছিলেন। তাঁরা কেউ নদ বা নদীর ধারে বসবাস করতেন আবার কেউ পূর্তদপ্তরের জমিতে বাড়ি করেছেন। তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে পাট্টা জমি দেওয়া হবে। সরকার যে এলাকায় জমি দেবে সেখানেই তাঁদের থাকতে হবে। তাঁরা নিজেদের পছন্দের জায়গায় বাড়ি তৈরি করতে পারবেন না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের কাজে নজরদারি চালানোর জন্য বিশেষ অ্যাপস আনা হয়েছে। উপভোক্তাদের বাড়ি তৈরির কাজ কতটা এগিয়েছে, তা এই অ্যাপসের মাধ্যমে নবান্নে বসেই আধিকারিকরা জানতে পারবেন। জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, প্রথম ধাপের টাকা উপভোক্তারা বেশ কিছুদিন আগেই পেয়ে গিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেককেই বাড়ির কাজ শুরু করতে হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার গরিব মানুষদের বঞ্চিত করছে। কিন্তু, রাজ্য সরকার ওই পরিবারগুলির পাশে রয়েছে। সেই কারণে যাঁদের জমি নেই, তাঁদেরও বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়া হয়েছে।
খণ্ডঘোষের বোঁয়াই এলাকার এক গৃহবধূ বলেন, জমি কিনে বাড়ি তৈরি করার ক্ষমতা আমাদের ছিল না। সরকার আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাট্টা জমি দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করব। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, পাট্টার নথি হাতে পেতে উপভোক্তাদের কিছুদিন সময় লাগবে। তবে তাঁরা জমি পেয়ে গিয়েছেন। কাজ শুরু করতে কোনও সমস্যা নেই।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের কাজে নজরদারি চালানোর জন্য বিশেষ অ্যাপস আনা হয়েছে। উপভোক্তাদের বাড়ি তৈরির কাজ কতটা এগিয়েছে, তা এই অ্যাপসের মাধ্যমে নবান্নে বসেই আধিকারিকরা জানতে পারবেন। জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, প্রথম ধাপের টাকা উপভোক্তারা বেশ কিছুদিন আগেই পেয়ে গিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেককেই বাড়ির কাজ শুরু করতে হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার গরিব মানুষদের বঞ্চিত করছে। কিন্তু, রাজ্য সরকার ওই পরিবারগুলির পাশে রয়েছে। সেই কারণে যাঁদের জমি নেই, তাঁদেরও বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়া হয়েছে।
খণ্ডঘোষের বোঁয়াই এলাকার এক গৃহবধূ বলেন, জমি কিনে বাড়ি তৈরি করার ক্ষমতা আমাদের ছিল না। সরকার আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাট্টা জমি দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করব। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, পাট্টার নথি হাতে পেতে উপভোক্তাদের কিছুদিন সময় লাগবে। তবে তাঁরা জমি পেয়ে গিয়েছেন। কাজ শুরু করতে কোনও সমস্যা নেই।



