নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: তিস্তা-করলা উৎসব শুরু হল জলপাইগুড়িতে। মঙ্গলবার উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী। উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি সদরের বিধায়ক প্রদীপকুমার বর্মা ও পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল। উৎসব চলবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। জলপাইগুড়ি মিলন সঙ্ঘের পরিচালনায় এই উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উৎসব প্রাঙ্গণে প্রতিদিনই থাকছে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতা। তিস্তা ও করলা এই দুই নদী জলপাইগুড়ির পরিচিতি। ফলে উৎসবের মধ্যে দিয়ে ওই নদী দু’টির বিশেষ করে করলার প্রাণ ফেরানোর দাবি জানানোই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। সেইসঙ্গে উৎসব প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয়েছে শিল্প বাণিজ্য মেলার। দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে হস্তশিল্পীরা যোগ দিয়েছেন ওই মেলায়। তবে ভারত বিদ্বেষী মনোভাবের জন্য বয়কট করা হয়েছে বাংলাদেশকে। ওপার বাংলার কোনও স্টল থাকছে না।
Advertisement
তিস্তা-করলা উৎসবের মূল আকর্ষণ ৩১ ডিসেম্বর। পয়লা জানুয়ারি জলপাইগুড়ির জন্মদিন। এবার ১৫৭ বছরে পা রাখছে তিস্তা ও করলা পাড়ের শহর জলপাইগুড়ি। এই উপলক্ষ্যে ৩১ ডিসেম্বর রাত বারোটায় উৎসব প্রাঙ্গণে ১৫৭ পাউন্ডের কেক কাটা হবে। এছাড়া ওইদিন উৎসব ও মেলা প্রাঙ্গণে যাঁরা আসবেন, তাঁদের প্রত্যেককে কেক দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
জলপাইগুড়ি মিলন সঙ্ঘ তথা তিস্তা-করলা উৎসব কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ মিত্র বলেন, তিস্তা ও করলা নদীকে রেখে কীভাবে জলপাইগুড়ি শহরকে আরও সাজিয়ে তোলা যায়, প্রশাসনের কাছে সেই দাবি রেখেছি আমরা। এনিয়ে উৎসবের শেষদিন অর্থাৎ ৫ জানুয়ারি একটি সেমিনারেরও আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, প্রত্যেক জেলারই একটা নিজস্ব পরিচিতি থাকে। জলপাইগুড়ির ক্ষেত্রে তা তিস্তা ও করলা নদী। করলা নদীর অতীতে বহু পরিকল্পনার কথা শোনা গিয়েছে। কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। সেই নদীর বর্তমান হাল দেখলে কষ্ট পেতে হয়। সেকারণে আমরা চাইছি, উৎসব প্রাঙ্গণ থেকেই শহরবাসী হারিয়ে যেতে বসা নদীর প্রাণ ফিরিয়ে দেওয়ার জোরালো দাবি তুলুন।
জলপাইগুড়ি মিলন সঙ্ঘ তথা তিস্তা-করলা উৎসব কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ মিত্র বলেন, তিস্তা ও করলা নদীকে রেখে কীভাবে জলপাইগুড়ি শহরকে আরও সাজিয়ে তোলা যায়, প্রশাসনের কাছে সেই দাবি রেখেছি আমরা। এনিয়ে উৎসবের শেষদিন অর্থাৎ ৫ জানুয়ারি একটি সেমিনারেরও আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, প্রত্যেক জেলারই একটা নিজস্ব পরিচিতি থাকে। জলপাইগুড়ির ক্ষেত্রে তা তিস্তা ও করলা নদী। করলা নদীর অতীতে বহু পরিকল্পনার কথা শোনা গিয়েছে। কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। সেই নদীর বর্তমান হাল দেখলে কষ্ট পেতে হয়। সেকারণে আমরা চাইছি, উৎসব প্রাঙ্গণ থেকেই শহরবাসী হারিয়ে যেতে বসা নদীর প্রাণ ফিরিয়ে দেওয়ার জোরালো দাবি তুলুন।



