নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জমি দখলের অভিযোগ উঠল জলপাইগুড়ির তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে। প্রহ্লাদ রায় নামে এক ব্যক্তি ওই নেতার নামে কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। দেবনগর বৈরাগীডাঙার বাসিন্দা প্রহ্লাদের অভিযোগ, ওই তৃণমূল নেতা তাঁর জমি দখল করেছেন। প্রতিবাদ করায় দলবল নিয়ে বাড়িতে এসে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে গিয়েছেন। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তিনি।
Advertisement
তৃণমূলের এসসি এসটি সেলের নেতা কৃষ্ণ দাসের দাবি, আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে। যিনি থানায় অভিযোগ করেছেন, তাঁর কাছে আমি ১০ লক্ষ টাকা পাই। তিনি আমার কাছে জমি বিক্রি করতে চেয়েছিলেন। সেইমতো আমি অ্যাকাউন্টে ও নগদে ওই টাকা দিই। কিন্তু পরে খোঁজখবর করে জানতে পারি, জমির কাগজপত্র ঠিক নেই। সেকারণে জমি কিনব না বলে জানিয়ে দিই এবং আমি যে টাকা দিয়েছি তা ফেরত চাই। টাকা ফেরত দিতে একের পর এক তারিখ দিচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। তারপর আচমকা থানায় গিয়ে আমার নামে অভিযোগ করেছেন বলে জানতে পারি। আমার কাছে সমস্ত নথিপত্র রয়েছে।
জেলার পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত বলেন, অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিস তদন্ত করছে।
থানায় দায়ের করা অভিযোগপত্রে প্রহ্লাদের দাবি, মেয়ের বিয়ের জন্য টাকার দরকার ছিল তাঁর। সেকারণে জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। ২০ লক্ষ টাকায় ৬০ ডেসিমেল জমি কিনতে চান কৃষ্ণ দাস। দু’লক্ষ টাকা দিয়ে বায়না করেন। এরপর আর টাকা দিচ্ছিলেন না। জমিও রেজিস্ট্রি করছিলেন না। তিনি তাগাদা দেওয়ায় ওই নেতা তাঁর অ্যাকাউন্টে পাঁচ লক্ষ টাকা দেন। বলেন, বাকি টাকা শীঘ্রই দিয়ে জমি রেজিস্ট্রি করবেন। কিন্তু তা না করায় ফের তাগাদা দেন। তখন ওই তৃণমূল নেতা জানিয়ে দেন, জমি কিনবেন না। প্রহ্লাদের অভিযোগ, ওই নেতা তাঁকে সাত লক্ষ টাকা দিলেও দশ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে বলেন। প্রতিবাদ করায় তাঁকে মারধর করে সাদা কাগজে ও স্ট্যাম্প পেপারে সই করিয়ে নেওয়া হয়। ভিডিও রেকর্ডিং করে জোর করে বলানো হয়, ১০ দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেবেন তিনি। এরপর ওই নেতা দলবল নিয়ে তাঁর বাড়িতে এসে হামলা চালান। মেরে ফেলার হুমকি দেন। জমির দলিল কেড়ে নিয়ে যান।
জেলার পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত বলেন, অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিস তদন্ত করছে।
থানায় দায়ের করা অভিযোগপত্রে প্রহ্লাদের দাবি, মেয়ের বিয়ের জন্য টাকার দরকার ছিল তাঁর। সেকারণে জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। ২০ লক্ষ টাকায় ৬০ ডেসিমেল জমি কিনতে চান কৃষ্ণ দাস। দু’লক্ষ টাকা দিয়ে বায়না করেন। এরপর আর টাকা দিচ্ছিলেন না। জমিও রেজিস্ট্রি করছিলেন না। তিনি তাগাদা দেওয়ায় ওই নেতা তাঁর অ্যাকাউন্টে পাঁচ লক্ষ টাকা দেন। বলেন, বাকি টাকা শীঘ্রই দিয়ে জমি রেজিস্ট্রি করবেন। কিন্তু তা না করায় ফের তাগাদা দেন। তখন ওই তৃণমূল নেতা জানিয়ে দেন, জমি কিনবেন না। প্রহ্লাদের অভিযোগ, ওই নেতা তাঁকে সাত লক্ষ টাকা দিলেও দশ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে বলেন। প্রতিবাদ করায় তাঁকে মারধর করে সাদা কাগজে ও স্ট্যাম্প পেপারে সই করিয়ে নেওয়া হয়। ভিডিও রেকর্ডিং করে জোর করে বলানো হয়, ১০ দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেবেন তিনি। এরপর ওই নেতা দলবল নিয়ে তাঁর বাড়িতে এসে হামলা চালান। মেরে ফেলার হুমকি দেন। জমির দলিল কেড়ে নিয়ে যান।



