নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: সরকারি দপ্তরে কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তিকর বকেয়া জলপাইগুড়ি পুরসভার। এর মধ্যে বেশকিছু দপ্তরের কাছে বছরের পর বছর ধরে লাখ লাখ টাকা সম্পত্তিকর বকেয়া পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। আর্থিক বছর শেষ হতে চলায় চলতি মাসেই ওই বকেয়া আদায়ে মরিয়া পুরসভা। যেসমস্ত দপ্তরের কাছে পুরসভার সম্পত্তিকর বকেয়া, টাকা আদায়ে সেসব অফিসে হত্যে দেওয়া শুরু করেছেন পুর আধিকারিকরা।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে খবর, জেলা প্রশাসনিক ভবনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যদপ্তর, কারাদপ্তর, কৃষিদপ্তর সহ বিভিন্ন দপ্তরের কাছে মোটা অঙ্কের সম্পত্তিকর পাওনা রয়েছে। বর্তমানে পুরসভার কার্যত ‘ভাঁড়ে মা ভবানী’ অবস্থা। পিএফের প্রায় চার কোটি টাকা বকেয়া। তহবিলে টাকা না থাকায় অবসরপ্রাপ্ত পুরকর্মীদের পেনশন দিতে গিয়েও বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকারি দপ্তরগুলি থেকে বকেয়া কর আদায় হলে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া যাবে বলে মনে করছেন পুর আধিকারিকরা।
কোন দপ্তরের কাছে কত টাকা সম্পত্তিকর বকেয়া, তা ভাঙতে না চাইলেও জলপাইগুড়ি পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার দেবদুলাল পাত্র বলেন, কিছু ক্ষেত্রে ২০১২ সাল থেকে সম্পত্তিকর বকেয়া রয়েছে। প্রতিবছর কিছু কিছু করে আদায় হলেও এখনও অনেকটাই পাওনা। সরকারি দপ্তরগুলি থেকে যদি সব বকেয়া সম্পত্তিকর পাওয়া যায়, তা কোটি টাকারও বেশি হবে। এ মাসে আর্থিক বছর শেষ হতে চলেছে। সেকারণে চলতি মাসেই যতটা সম্ভব বকেয়া সম্পত্তিকর আদায়ের চেষ্টা চলছে। যেসমস্ত দপ্তরের কাছে ওই কর পাওনা রয়েছে, মোবাইলে মেসেজ করে তাদের বিষয়টি জানানো হচ্ছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আমরা নিজেরাই সেই দপ্তরে গিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিষয়টি জানাচ্ছি।
এদিকে, প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সম্পত্তিকরের কাঠামো পরিবর্তন হওয়ার কথা থাকলেও গত ১৫ বছরে জলপাইগুড়ি শহরে তা হয়নি। ফলে পুরনো কাঠামোতেই কর আদায় চলছে। এতে পুরসভার যে মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান হচ্ছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন এগজিকিউটিভ অফিসার। তিনি বলেন, প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সম্পত্তিকরের কাঠামো বদলানোর কথা। কিন্তু আমাদের এখানে ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে একই কর কাঠামো রয়ে গিয়েছে। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর থেকে কর কাঠামো নির্ধারণের জন্য টিম পাঠানো হয়। কিন্তু যেকোনও কারণে সেই টিম আসেনি। রাজ্য থেকে যদি ট্যাক্স অ্যাসেসররা সমীক্ষা করতে না আসেন, সেক্ষেত্রে পুরসভা সম্পত্তিকরের কাঠামো পুনর্মূল্যায়ণ করতে পারে, সেই সুযোগ রয়েছে। সেটাই এবার চেষ্টা করা হচ্ছে।
কোন দপ্তরের কাছে কত টাকা সম্পত্তিকর বকেয়া, তা ভাঙতে না চাইলেও জলপাইগুড়ি পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার দেবদুলাল পাত্র বলেন, কিছু ক্ষেত্রে ২০১২ সাল থেকে সম্পত্তিকর বকেয়া রয়েছে। প্রতিবছর কিছু কিছু করে আদায় হলেও এখনও অনেকটাই পাওনা। সরকারি দপ্তরগুলি থেকে যদি সব বকেয়া সম্পত্তিকর পাওয়া যায়, তা কোটি টাকারও বেশি হবে। এ মাসে আর্থিক বছর শেষ হতে চলেছে। সেকারণে চলতি মাসেই যতটা সম্ভব বকেয়া সম্পত্তিকর আদায়ের চেষ্টা চলছে। যেসমস্ত দপ্তরের কাছে ওই কর পাওনা রয়েছে, মোবাইলে মেসেজ করে তাদের বিষয়টি জানানো হচ্ছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আমরা নিজেরাই সেই দপ্তরে গিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিষয়টি জানাচ্ছি।
এদিকে, প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সম্পত্তিকরের কাঠামো পরিবর্তন হওয়ার কথা থাকলেও গত ১৫ বছরে জলপাইগুড়ি শহরে তা হয়নি। ফলে পুরনো কাঠামোতেই কর আদায় চলছে। এতে পুরসভার যে মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান হচ্ছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন এগজিকিউটিভ অফিসার। তিনি বলেন, প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সম্পত্তিকরের কাঠামো বদলানোর কথা। কিন্তু আমাদের এখানে ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে একই কর কাঠামো রয়ে গিয়েছে। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর থেকে কর কাঠামো নির্ধারণের জন্য টিম পাঠানো হয়। কিন্তু যেকোনও কারণে সেই টিম আসেনি। রাজ্য থেকে যদি ট্যাক্স অ্যাসেসররা সমীক্ষা করতে না আসেন, সেক্ষেত্রে পুরসভা সম্পত্তিকরের কাঠামো পুনর্মূল্যায়ণ করতে পারে, সেই সুযোগ রয়েছে। সেটাই এবার চেষ্টা করা হচ্ছে।



