Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জলপাইগুড়ির ৪টি বিধানসভায় সদস্য সংগ্রহে পিছিয়ে বিজেপি

জলপাইগুড়ির ৪টি বিধানসভায় সদস্য সংগ্রহে পিছিয়ে বিজেপি
  • ৫ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: চারটি বিধানসভা এলাকায় সদস্য সংগ্রহে পিছিয়ে বিজেপি। সামগ্রিকভাবেও জেলায় সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা এখনও ছুঁতে পারেনি গেরুয়া শিবির। টার্গেটের তুলনায় কম রয়েছে জেলায় সক্রিয় সদস্যের সংখ্যাও।
Advertisement
জেলা বিজেপি সূত্রে খবর, প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় অন্তত ২০ হাজার সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। সেই নিরিখে পিছিয়ে রয়েছে মাল, নাগরাকাটা, রাজগঞ্জ এবং ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি। এদের মধ্যে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে ১৮ হাজারের মতো সদস্য সংগ্রহ হলেও মাল বিধানসভা এখনও ১৫ হাজার পেরতে পারেনি। নাগরকাটা ও রাজগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় ১২ হাজারের আশেপাশে সদস্য সংগ্রহ হয়েছে। এদিকে, সবমিলিয়ে বিজেপির জলপাইগুড়ি সাংগঠনিক জেলায় সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে দেড় লক্ষ। সেখানে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত ১ লক্ষ ৩৭ হাজারের মতো সদস্য সংগ্রহ হয়েছে। ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সদস্য সংগ্রহের অভিযান চলবে। তারমধ্যে আদৌও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে কি না তা নিয়ে সংশয়ে দলের একাংশ।
জেলা বিজেপির সভাপতি বাপী গোস্বামী অবশ্য বলেন, আমরা সদস্য সংগ্রহে ১ লক্ষ ৩৭ হাজার পেরিয়ে গিয়েছি। কোথাও কেউ পিছিয়ে নেই। সর্বত্রই টার্গেট ছাপিয়ে যাবে আমাদের। 
তবে জেলা সভাপতি যাই দাবি করুন না কেন বিজেপির অন্দরের খবর, জলপাইগুড়ি জেলায় তাদের সক্রিয় সদস্যের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩৭০০। সেখানে গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হয়েছে ২৩৬৩। সেক্ষেত্রে কর্মসূচির শেষ ১০ দিনে সক্রিয় সদস্যের টার্গেট পূরণ করা নিয়েও সংশয়ে গেরুয়া শিবিরের একাংশ। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা ১৭ হাজারের কিছু বেশি সদস্য সংগ্রহ করতে পেরেছি। কর্মসূচি চলছে। ২০ হাজার করতে না পারলেও ১৯ হাজারের কাছাকাছি আমরা সদস্য সংগ্রহ করতে পারব বলে আশাবাদী।
বিজেপির জলপাইগুড়ি সাংগঠনিক জেলায় ১৯৮৮টি বুথ রয়েছে। প্রতিটি বুথে কমপক্ষে ৫০ জন সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে প্রতিটি মণ্ডল থেকে অন্তত ৫০ জনকে সক্রিয় সদস্য করতে বলা হয়েছে। বিজেপির যে কর্মী ৫০ জন সদস্য সংগ্রহ করতে পারবেন কিংবা যার সুপারিশে এটা হবে, তিনি সক্রিয় সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।
এর আগে ২০১৯ সালে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান হয়। সেসময় জলপাইগুড়ি জেলায় গেরুয়া শিবিরের সদস্য সংখ্যা ছিল ৫৬ হাজার। সেই হিসেবে এবার টার্গেট ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রতিটি বিধানসভা থেকে ন্যূনতম ২০ হাজার সদস্য করতে হবে। প্রাথমিকভাবে এই টার্গেট পূরণ করেছে জলপাইগুড়ি সদরের পাশাপাশি ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি ও মেখলিগঞ্জ।
সম্পর্কিত সংবাদ