নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: ঘন কুয়াশা। তাতেই গোরু পাচারের চেষ্টা। এনিয়ে বাধা দিতেই বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামালা চালায় বাংলাদেশি সশস্ত্র গোরু পাচারকারীরা। এমনকী, গুলিও চালানো হয়। পাল্টা আত্মরক্ষায় গুলি চালায় জওয়ানরা। শুক্রবার ভোরে ঘটনাটি ঘটে জলপাইগুড়ির সীমান্ত গ্রাম সিংপাড়ায়। দু’পক্ষের গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে এক বাংলাদেশি পাচারকারীর। আহত হয়েছেন এক জওয়ান। উভয়পক্ষের মধ্যে প্রায় ১৫ রাউন্ড গুলি চলেছে বলে খবর। এনিয়ে বিজিবি’র সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিং করে বিএসএফ। তারা মিটিংয়ে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে। সমগ্র ঘটনা নিয়ে সীমান্ততে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
Advertisement
এদিন ভোরে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল গোটা এলাকা। দৃশ্যমানতা ছিল অত্যন্ত কম। এমন আবহাওয়াকে কাজে লাগাতেই সিংপাড়ায় জড়ো হয় সশস্ত্র বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। বিএসএফ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অবৈধভাবে এপারের গ্রামে প্রবেশ করে বাংলাদেশি পাচারকারীরা। তারা ২০-২৫ জন ছিল। তাদের হাতে ছিল দা, হাঁসুয়া, বাঁশ, আগ্নেয়াস্ত্র। তারা চাষের জমির উপর দিয়ে গোরু নিয়ে বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছিল। জওয়ানরা বাধা দিলেও পাচারকারীরা কর্ণপাত করেনি। তখন জওয়ানরা পাচারকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে হ্যান্ড গ্রেনেড চার্জ করে। তাতেও কোনও লাভ হয়নি। বরং জওয়ানদের উপর হামলা চালায় সশস্ত্র পাচারকারীরা। বাঁশ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে জওয়ানদের উপর চড়াও হয়। পর পর পাঁচ রাউন্ড গুলিও চালায়। নিরুপায় হয়ে গুলি চালিয়েছে জওয়ানরা। এতে অধিকাংশ পাচারকারী পালিয়ে গেলেও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
পাল্টা বিএসএফ জওয়ানরা প্রায় ১০ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে বলে খবর। ঘটনাস্থল থেকে একটি গোরু আটক করা হয়েছে। পুলিসের মানিকগঞ্জ আউট পোস্ট সূত্রে খবর, মৃত বাংলাদেশি পাচারকারীর নাম আনোয়ার হোসেন (৩৫)। সেই দেশের পঞ্চগড় জেলার পাঁচমাইল গ্ৰামে তার বাড়ি।
দু’পক্ষের সংঘর্ষে সাধন সাউড়ি নামে বিএসএফ জওয়ান জখম হয়েছেন। তাঁকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিএসএফের ৯৩ নম্বর ব্যাটালিয়নের চাণক্য বিওপি’র অ্যাসিস্ট্যান্ট কোম্পানি কমান্ডান্ট মনোজ কুমার জানান, গোরু পাচারে বাধা দিলে জওয়ানদের উপর হামলা চালায় বাংলাদেশের সশস্ত্র পাচারকারীরা। আত্মরক্ষায় জওয়ানরা জবাব দিয়েছে। এ ব্যাপারে জলপাইগুড়ি জেলার কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করা হবে।
জলপাইগুড়ি জেলার স্পর্শকাতরা সীমান্ত গ্রামগুলির মধ্যে সিংপাড়া অন্যতম। সদর ব্লকের নগর বেরুবাড়ি গ্ৰাম পঞ্চায়েতের অধীনে সংশ্লিষ্ট গ্রাম। সেখানে সীমান্ত এলাকা উন্মুক্ত। এখনও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট এলাকায় রয়েছে বিএসএফের ৯৩ নম্বর ব্যাটালিয়নের চাণক্য বিওপি। পাচারকারীদের সঙ্গে জওয়ানদের গুলির লড়াইয়ের পর থেকে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গ্রামবাসীদের একাংশ বাংলাদেশি পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য নিয়ে সরব হয়েছেন। এই অবস্থায় এদিন গ্রামে বিজিবি’র সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিং করে বিএসএফ। স্থানীয় সূত্রের খবর, মৃত পাচারকারীর দেহ শনাক্ত করে বিজিপি। তাদের হাতে মৃতদেহ তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশি পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য নিয়ে বিএসএফ জওয়ানরা মিটিংয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
পাল্টা বিএসএফ জওয়ানরা প্রায় ১০ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে বলে খবর। ঘটনাস্থল থেকে একটি গোরু আটক করা হয়েছে। পুলিসের মানিকগঞ্জ আউট পোস্ট সূত্রে খবর, মৃত বাংলাদেশি পাচারকারীর নাম আনোয়ার হোসেন (৩৫)। সেই দেশের পঞ্চগড় জেলার পাঁচমাইল গ্ৰামে তার বাড়ি।
দু’পক্ষের সংঘর্ষে সাধন সাউড়ি নামে বিএসএফ জওয়ান জখম হয়েছেন। তাঁকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিএসএফের ৯৩ নম্বর ব্যাটালিয়নের চাণক্য বিওপি’র অ্যাসিস্ট্যান্ট কোম্পানি কমান্ডান্ট মনোজ কুমার জানান, গোরু পাচারে বাধা দিলে জওয়ানদের উপর হামলা চালায় বাংলাদেশের সশস্ত্র পাচারকারীরা। আত্মরক্ষায় জওয়ানরা জবাব দিয়েছে। এ ব্যাপারে জলপাইগুড়ি জেলার কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করা হবে।
জলপাইগুড়ি জেলার স্পর্শকাতরা সীমান্ত গ্রামগুলির মধ্যে সিংপাড়া অন্যতম। সদর ব্লকের নগর বেরুবাড়ি গ্ৰাম পঞ্চায়েতের অধীনে সংশ্লিষ্ট গ্রাম। সেখানে সীমান্ত এলাকা উন্মুক্ত। এখনও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট এলাকায় রয়েছে বিএসএফের ৯৩ নম্বর ব্যাটালিয়নের চাণক্য বিওপি। পাচারকারীদের সঙ্গে জওয়ানদের গুলির লড়াইয়ের পর থেকে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গ্রামবাসীদের একাংশ বাংলাদেশি পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য নিয়ে সরব হয়েছেন। এই অবস্থায় এদিন গ্রামে বিজিবি’র সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিং করে বিএসএফ। স্থানীয় সূত্রের খবর, মৃত পাচারকারীর দেহ শনাক্ত করে বিজিপি। তাদের হাতে মৃতদেহ তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশি পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য নিয়ে বিএসএফ জওয়ানরা মিটিংয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।



