নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: পয়লা জানুয়ারি ১৫৭ বছরে পা রাখতে চলেছে জলপাইগুড়ি। অবিভক্ত বাংলায় রংপুরের ডিভিশনাল শহর ছিল, যা আজও জলপাইগুড়ি উত্তরবঙ্গের ডিভিশনাল শহর। তিস্তাপাড়ের এই শহরের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে অনেক অজানা ইতিহাস। সেই ইতিহাসকে তুলে ধরতে এবার জলপাইগুড়ি শহরের নানাপ্রান্তে স্মারক বসতে চলেছে। উদ্যোগী পুরসভা। নতুন বছরেই শুরু হবে এই কাজ। মঙ্গলবার পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, শিক্ষা-সংস্কৃতির পাশাপাশি ঐতিহাসিক দিক থেকেও জলপাইগুড়ির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। নতুন প্রজন্মের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছে সেই ইতিহাস তুলে ধরতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় স্মারক বসানো হবে। নতুন বছরেই আমরা ওই কাজ শুরু করব।
Advertisement
পুরসভার এগজিকিউটিভ দেবদুলাল পাত্র বলেন, শহরে দৃশ্যদূষণ রুখতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগী হয়েছে পুরসভা। কিছুদিন আগেও শহরজুড়ে রাস্তার উপর তারের জাল ছিল। রাস্তার পাশে লাইটপোস্টে কুণ্ডলি পাকিয়ে রেখে দেওয়া হতো কেবল তারের গোছা। যত্রতত্র রাস্তার উপর দিয়ে কেবলের তার ক্রস করা হতো। যা শহরে দৃশ্যদূষণ বাড়াচ্ছিল। প্রশাসনের নির্দেশে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, হোর্ডিং, ফ্লেক্সে শহর ভরে যাচ্ছে। পুরসভায় এজন্য অর্থ জমা পড়ছে না। পুরসভা এবার বেআইনি হোর্ডিং, ফ্লেক্সের বিরুদ্ধে অভিযানে নামবে।
নতুন বছরে ‘নেশামুক্ত জলপাইগুড়ি শহর’ গড়ার শপথ নিয়েছে পুরসভা। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করে প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে পুর কর্তৃপক্ষের তরফে। এদিন ইন্দিরা কলোনি এলাকায় এক অনুষ্ঠানে ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, শহরের আনাচে কানাচে মাদক বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছে। পুরুষরা মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ায় বহু পরিবার ভেঙে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে যুব সমাজ।। পুলিস তাদের মতো ব্যবস্থা নিচ্ছে। কিন্তু আমরা শহরের মানুষকে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে চাই। নতুন বছরে এটাই পুরসভার শপথ। নেশামুক্ত শহর উপহার দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
নতুন বছরে ‘নেশামুক্ত জলপাইগুড়ি শহর’ গড়ার শপথ নিয়েছে পুরসভা। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করে প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে পুর কর্তৃপক্ষের তরফে। এদিন ইন্দিরা কলোনি এলাকায় এক অনুষ্ঠানে ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, শহরের আনাচে কানাচে মাদক বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছে। পুরুষরা মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ায় বহু পরিবার ভেঙে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে যুব সমাজ।। পুলিস তাদের মতো ব্যবস্থা নিচ্ছে। কিন্তু আমরা শহরের মানুষকে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে চাই। নতুন বছরে এটাই পুরসভার শপথ। নেশামুক্ত শহর উপহার দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।



