নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: শহরে ১৪টি বিপজ্জনক বাড়ি রয়েছে। ইঞ্জিনিয়াররা খতিয়ে দেখে আগেই রিপোর্ট দিয়েছেন, অবিলম্বে বাড়িগুলি ভেঙে ফেলতে হবে। নতুবা যেকোনও মুহূর্তে বিপদ ঘটতে পারে। সেইমতো পুরসভার তরফে একাধিকবার নোটিস দেওয়া হয়েছে বাড়িগুলির মালিকদের। তারপরও তাঁরা বিপজ্জনক ওইসব বাড়ি ভাঙতে উদ্যোগী হননি বলে অভিযোগ। ফলে শুক্রবার পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে পুরসভা শহরের বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু করল। এদিন কোতোয়ালি থানামোড় সংলগ্ন একটি বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হয়। ধাপে ধাপে শহরের বাকি বিপজ্জনক বাড়িগুলিও ভাঙা হবে বলে জানানো হয়েছে পুরসভার তরফে। আগস্ট মাসে সমাজপাড়া মোড়ে একটি বিপজ্জনক বাড়ির কার্নিশ ভেঙে পড়ে। তারপরই শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিপজ্জনক বাড়িগুলি নিয়ে টনক নড়ে পুরসভার। পুর এলাকায় কতগুলি বিপজ্জনক বাড়ি রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে রাস্তায় নামেন পুর চেয়ারপার্সন, ভাইস চেয়ারম্যান সহ পুরসভার আধিকারিক ও কাউন্সিলাররা। সমীক্ষা চালিয়ে দেখা যায়, জলপাইগুড়ি শহরে ১৪-১৫টি বিপজ্জনক বাড়ি আছে। ওইসব বাড়ির মালিকদের নতুন করে নোটিস পাঠানো হয়। কিন্তু পুরসভার নোটিস পাওয়ার পর সমাজপাড়া মোড়ে ‘মুক্তা ভবন’ ছাড়া এখনও পর্যন্ত কোনও মালিক নিজে থেকে বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু করেননি।
Advertisement
এদিন থানামোড় সংলগ্ন যে বিপজ্জনক বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয়, সেটি শতবর্ষ প্রাচীন। ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টরেটকে খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিল। তারা জানিয়েছে, বাড়িটি খুবই বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়ে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। তারপর বাড়িটির তিনজন মালিককে নোটিস ধরানো হয়। তাঁরা বাড়িটি ভাঙবেন বলে জানালেও গড়িমসি করছিলেন। সেকারণে বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে বাড়িটি এদিন ভাঙার কাজ শুরু করা হল। শহরের বাকি বিপজ্জনক বাড়িগুলিও একইভাবে ভেঙে দেওয়া হবে।
এদিকে, পুরসভার তরফে এদিন যে দোতলা বাড়িটি ভাঙা শুরু হয়েছে, সেটির নীচের তলায় বেশকিছু দোকান ছিল। তাদের কয়েকজন দোকান সরিয়ে নিলেও বাকিরা এখনও দোকান সরাতে পারেননি। তারইমধ্যে পুরসভা বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু করে দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেন তাঁরা। বলেন, আমরা আরও কিছুদিন সময় চেয়েছিলাম পুরসভার কাছে। কিন্তু তা দেওয়া হল না। আচমকা বাড়ি ভাঙতে শুরু করায় দোকানের সামগ্রী অনেকটাই নষ্ট হল।
ভাইস চেয়ারম্যানের অবশ্য দাবি, মাসের পর মাস ধরে নোটিস দেওয়া হয়েছে বাড়ির মালিকদের। তাছাড়া বাড়িটির নীচতলায় যে ক’টি দোকান ছিল, দু’টি বাদে সবাই সরে গিয়েছে। যে দু’টি দোকান রয়ে গিয়েছিল, তাদেরও সরে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে, পুরসভার তরফে এদিন যে দোতলা বাড়িটি ভাঙা শুরু হয়েছে, সেটির নীচের তলায় বেশকিছু দোকান ছিল। তাদের কয়েকজন দোকান সরিয়ে নিলেও বাকিরা এখনও দোকান সরাতে পারেননি। তারইমধ্যে পুরসভা বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু করে দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেন তাঁরা। বলেন, আমরা আরও কিছুদিন সময় চেয়েছিলাম পুরসভার কাছে। কিন্তু তা দেওয়া হল না। আচমকা বাড়ি ভাঙতে শুরু করায় দোকানের সামগ্রী অনেকটাই নষ্ট হল।
ভাইস চেয়ারম্যানের অবশ্য দাবি, মাসের পর মাস ধরে নোটিস দেওয়া হয়েছে বাড়ির মালিকদের। তাছাড়া বাড়িটির নীচতলায় যে ক’টি দোকান ছিল, দু’টি বাদে সবাই সরে গিয়েছে। যে দু’টি দোকান রয়ে গিয়েছিল, তাদেরও সরে যেতে বলা হয়েছে।



