নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: শহরে ৮০টিরও বেশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের নিজস্ব ভবন নেই। বেশিরভাগই কারও বাড়ি কিংবা ক্লাব ঘর ভাড়া নিয়ে চলছে। ফলে সেন্টারগুলি চালাতে নানা সমস্যা হচ্ছে। জলপাইগুড়ি শহরে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির হাল-হকিকত খতিয়ে দেখতে পরিদর্শন করছেন সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী। তাঁর ওই পরিদর্শনের মাঝেই সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি আর কতদিন ভাড়ার ঘরে চলবে? কবে নিজস্ব ভবন পাবে জলপাইগুড়ি শহরের আইসিডিএস সেন্টারগুলি? প্রশ্নের উত্তরে মহকুমা শাসকের দাবি, আমরা সবার কাছে জমি দেওয়ার জন্য আবেদন করছি। জমি পেলে সেখানে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র তৈরি করা হবে।
Advertisement
শহরে ৮৯টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে। এরমধ্যে একটি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের ভিতরে এবং অন্যটি নিষিদ্ধপল্লিতে চলে। বাকি কেন্দ্রগুলির বেশিরভাগই ঘর ভাড়া নিয়ে চলছে। মাসে ভাড়া বাবদ সরকারের তরফে এক হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। ফলে একটি ঘরে কোনওমতে অঙ্গনওয়াড়ি চালাতে হচ্ছে। সেই ঘরে চাল-ডাল মজুত রাখা আবার সেখানেই পড়াশোনা, ফলে সমস্যা থেকেই যায়। প্রশাসন সূত্রে খবর, দক্ষিণ পিলখানা এলাকায় একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের নিজস্ব ভবন তৈরির কাজ চলছে।
এদিন পরিদর্শনে গিয়ে এসডিও প্রথমে দক্ষিণ পিলখানা এলাকার একটি আইসিডিএস সেন্টারে যান। সেখান থেকে আদরপাড়া দক্ষিণেশ্বরী কালীবাড়ি এলাকার অঙ্গনওয়াড়ি পরিদর্শন করেন। এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি লাগোয়া প্রাথমিক স্কুলের পুরনো ভবনে চলছে। এসডিও’র সঙ্গে ছিলেন শিশুবিকাশ প্রকল্প আধিকারিক (সিডিপিও) সুদীপ তামাং। পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের সঙ্গে কথা বলে এসডিও জেনে নেন, কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না। পরে প্রশ্নের উত্তরে বলেন, জলপাইগুড়ি সদর মহকুমা এলাকায় প্রায় ১৬০০ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে। সেগুলি ঠিকমতো চলছে কি না তা খতিয়ে দেখতে পরিদর্শন শুরু হয়েছে। বিডিওরাও যাবেন।
আদরপাড়া দক্ষিণেশ্বরী কালীবাড়ি এলাকার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী অপর্ণা পালদাস বলেন, আমাদের সেন্টারে এসডিও এসেছিলেন। শিশুরা তাঁকে ছড়া, কবিতা শুনিয়েছে। তিনিও খুশি হয়েছেন। শিশুদের উপস্থাপনা তাঁর ভালো লেগেছে বলে খাতায় লিখেও গিয়েছেন।
এদিন পরিদর্শনে গিয়ে এসডিও প্রথমে দক্ষিণ পিলখানা এলাকার একটি আইসিডিএস সেন্টারে যান। সেখান থেকে আদরপাড়া দক্ষিণেশ্বরী কালীবাড়ি এলাকার অঙ্গনওয়াড়ি পরিদর্শন করেন। এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি লাগোয়া প্রাথমিক স্কুলের পুরনো ভবনে চলছে। এসডিও’র সঙ্গে ছিলেন শিশুবিকাশ প্রকল্প আধিকারিক (সিডিপিও) সুদীপ তামাং। পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের সঙ্গে কথা বলে এসডিও জেনে নেন, কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না। পরে প্রশ্নের উত্তরে বলেন, জলপাইগুড়ি সদর মহকুমা এলাকায় প্রায় ১৬০০ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে। সেগুলি ঠিকমতো চলছে কি না তা খতিয়ে দেখতে পরিদর্শন শুরু হয়েছে। বিডিওরাও যাবেন।
আদরপাড়া দক্ষিণেশ্বরী কালীবাড়ি এলাকার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী অপর্ণা পালদাস বলেন, আমাদের সেন্টারে এসডিও এসেছিলেন। শিশুরা তাঁকে ছড়া, কবিতা শুনিয়েছে। তিনিও খুশি হয়েছেন। শিশুদের উপস্থাপনা তাঁর ভালো লেগেছে বলে খাতায় লিখেও গিয়েছেন।



