নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: শুধুমাত্র জলপাইগুড়ি সদর ব্লকে কন্যাশ্রীর রিনিউয়াল বকেয়া ১৪১১ জনের। প্রশাসনের তরফে বারবার বলার পরও এ কাজে গতি আসছে না। বরং বেশকিছু স্কুল নিজেদের দায় এড়াতেই ব্যস্ত। বৃহস্পতিবার বৈঠকে জলপাইগুড়ি সদরের ৩০টি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকার সামনে বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভ উগরে দেন বিডিও মিহির কর্মকার।
Advertisement
তিনি বলেন, ১৮৩৭ জন ছাত্রীর মধ্যে দেখা যাচ্ছে কন্যাশ্রীর (কে-টু) রিনিউয়াল হয়নি ১৪১১ জনের। রাজ্য সরকার এককালীন ২৫ হাজার টাকা দিচ্ছে। তারপরও রিনিউয়াল করার কাজে ছাত্রীদের মধ্যে এই অনীহা কেন? স্কুলগুলিই বা কী করছে? কিছু স্কুল তাদের দায়িত্ব পালন করবে না, আর তার জন্য রাজ্যের কাছে মুখ পুড়বে প্রশাসনের, এমনটা মোটেই যে বরদাস্ত করা হবে না, তা এদিনের বৈঠকে স্পষ্ট করে দেন বিডিও। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যেসব ছাত্রী এখনও কে-টু রিনিউয়াল করেনি, তারা যাতে দ্রুত ওই প্রক্রিয়া সেরে ফেলে, সেজন্য বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে স্কুলগুলিকে।
কোন কোন ছাত্রী কন্যাশ্রীর রিনিউয়াল করেনি, তাদের বাড়িতে খবর পাঠাতে হবে। পঞ্চায়েত প্রধানদের হাতে তালিকা তুলে দিক স্কুলগুলি। তাঁরা ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। প্রয়োজনে বিষয়টি দেখভাল করার জন্য প্রতিটি পঞ্চায়েতে মনিটরিং সেল তৈরির নির্দেশ দেন বিডিও। কন্যাশ্রীর পাশাপাশি জলপাইগুড়ি সদরে ওয়েসিস, ঐক্যশ্রী স্কলারশিপের আবেদনপত্র যাচাইয়ের কাজেও তেমন গতি না থাকায় উষ্মাপ্রকাশ করেন বিডিও।
কোনও কোনও স্কুলের বক্তব্য, ওই ছাত্রীরা বেশিরভাগ দিনই স্কুলে আসে না।
যদিও স্কুলের এই সাফাই মানতে নারাজ বিডিও। বলেন, পড়ুয়ারা যদি দিনের পর দিন স্কুলে না আসে, তাহলে তো স্কুলছুট হয়ে পড়বে। সেদিকে নজর রাখবে কারা? স্কুলের কি কোনও দায়িত্ব নেই? কেন একজন ছেলে বা মেয়ে ঠিকমতো স্কুলে আসছে না, তার খোঁজ রাখতে হবে শিক্ষকদের। প্রয়োজনে পঞ্চায়েত প্রধান বা প্রশাসনকে জানাতে হবে।
কয়েকটি স্কুলের শিক্ষিকারা বলেন, লুকিয়ে বিয়ে করে ফেলছে ছাত্রীরা। তারপর তা গোপন রেখে কন্যাশ্রীর রিনিউয়াল করছে। অন্য ছাত্রীদের কাছ থেকে তা জানতে পারছেন তাঁরা। অথচ সংশ্লিষ্ট ছাত্রী নিজেদের ‘অবিবাহিত’ বলে ডিক্লারেশন দিচ্ছে। ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে স্কুলকে। এনিয়ে বিডিও’র নির্দেশ, কোনও ছাত্রীর সম্পর্কে এ ধরনের তথ্য পেলে তা পঞ্চায়েত প্রধান বা ব্লক প্রশাসনকে জানাক স্কুল। কিন্তু কোনও অজুহাতে কন্যাশ্রী, ঐক্যশ্রীর কাজ ফেলে রাখা যাবে না।
কোন কোন ছাত্রী কন্যাশ্রীর রিনিউয়াল করেনি, তাদের বাড়িতে খবর পাঠাতে হবে। পঞ্চায়েত প্রধানদের হাতে তালিকা তুলে দিক স্কুলগুলি। তাঁরা ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। প্রয়োজনে বিষয়টি দেখভাল করার জন্য প্রতিটি পঞ্চায়েতে মনিটরিং সেল তৈরির নির্দেশ দেন বিডিও। কন্যাশ্রীর পাশাপাশি জলপাইগুড়ি সদরে ওয়েসিস, ঐক্যশ্রী স্কলারশিপের আবেদনপত্র যাচাইয়ের কাজেও তেমন গতি না থাকায় উষ্মাপ্রকাশ করেন বিডিও।
কোনও কোনও স্কুলের বক্তব্য, ওই ছাত্রীরা বেশিরভাগ দিনই স্কুলে আসে না।
যদিও স্কুলের এই সাফাই মানতে নারাজ বিডিও। বলেন, পড়ুয়ারা যদি দিনের পর দিন স্কুলে না আসে, তাহলে তো স্কুলছুট হয়ে পড়বে। সেদিকে নজর রাখবে কারা? স্কুলের কি কোনও দায়িত্ব নেই? কেন একজন ছেলে বা মেয়ে ঠিকমতো স্কুলে আসছে না, তার খোঁজ রাখতে হবে শিক্ষকদের। প্রয়োজনে পঞ্চায়েত প্রধান বা প্রশাসনকে জানাতে হবে।
কয়েকটি স্কুলের শিক্ষিকারা বলেন, লুকিয়ে বিয়ে করে ফেলছে ছাত্রীরা। তারপর তা গোপন রেখে কন্যাশ্রীর রিনিউয়াল করছে। অন্য ছাত্রীদের কাছ থেকে তা জানতে পারছেন তাঁরা। অথচ সংশ্লিষ্ট ছাত্রী নিজেদের ‘অবিবাহিত’ বলে ডিক্লারেশন দিচ্ছে। ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে স্কুলকে। এনিয়ে বিডিও’র নির্দেশ, কোনও ছাত্রীর সম্পর্কে এ ধরনের তথ্য পেলে তা পঞ্চায়েত প্রধান বা ব্লক প্রশাসনকে জানাক স্কুল। কিন্তু কোনও অজুহাতে কন্যাশ্রী, ঐক্যশ্রীর কাজ ফেলে রাখা যাবে না।



