নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ি জেলায় ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে ঘর পাচ্ছেন ৬৬ হাজার ৫৪৭ জন। বুধবার জেলা প্রশাসনের তরফে ওই তালিকা অনুমোদন করা হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলায় আবাসের যে খসড়া তালিকা টাঙানো হয়েছিল, তাতে সুপার চেকিংয়ের পর ‘যোগ্য’ হিসেবে নাম ছিল ৬৬ হাজার ৯৮ জনের। এছাড়া ৪১২ জন উপভোক্তার ক্ষেত্রে তাঁরা বাংলার বাড়ি পাওয়ার যোগ্য কি না, সেব্যাপারে রিপোর্ট ‘হোল্ড’ ছিল। পরবর্তীতে বিডিওরা ওইসব উপভোক্তার বাড়িতে গিয়ে সরেজমিনে খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেন। সেইমতো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়াও খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় কিছু উপভোক্তার ক্ষেত্রে যাচাইয়ের কাজ পুরোপুরি সম্পূর্ণ হয়নি। যদিও পরে তা দ্রুত শেষ করে ফেলা হয়। সবটা মিলিয়ে তৈরি হয় চূড়ান্ত তালিকা।
Advertisement
এদিন জেলাশাসকের দপ্তরে ডিস্ট্রিক্ট লেভেল মনিটারিং কমিটির বৈঠক ছিল। সেখানেই আবাসের তালিকার অনুমোদন দেওয়া হয় জেলা প্রশাসনের তরফে। এরপর ওই তালিকা রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সেখান থেকে ধাপে ধাপে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বাড়ি বানানোর জন্য টাকা আসবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত জেলাশাসক রৌণক আগরওয়াল বলেন, ব্লকস্তর থেকে আমাদের কাছে ৬৬ হাজার ৫৪৭ জনের নামের তালিকা জমা পড়েছে। এদিনের বৈঠকে জেলা প্রশাসনের তরফে ওই তালিকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
খসড়া তালিকা টাঙানোর পর বিভিন্ন জায়গা থেকে যেমন অভিযোগ ওঠে, পাকাবাড়ি কিংবা গাড়ি থাকা সত্ত্বেও বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ‘যোগ্য’ হিসেবে তাঁর নাম রয়েছে, তেমনই ভাঙাঘরে বাস করা সত্ত্বেও তাঁদের নাম আবাসের তালিকায় ওঠেনি বলেও পঞ্চায়েত কিংবা বিডিও অফিসে জমা পড়ে অভিযোগ। আবাসের তালিকায় নাম থাকা যেসব উপভোক্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ে, সঙ্গে সঙ্গে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয় প্রশাসন। সেক্ষেত্রে নাম বাদ পড়ে খোদ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের।
জলপাইগুড়ি সদরের পাহাড়পুর পঞ্চায়েতের বালাপাড়ার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য বাবলু বসাক ও তাঁর পরিবারের অনেকের নাম আবাসের তালিকায় থাকা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। এরপরই বিডিও মিহির কর্মকার নিজে গিয়ে তদন্ত করে আসেন। পরবর্তীতে পঞ্চায়েত সদস্য সহ তাঁর পরিবার ও ঘনিষ্ঠ মিলিয়ে ১২ জনের নাম আবাসের তালিকা থেকে বাদ যায়।
অন্যদিকে, ভাঙা ঘরে বাস করা সত্ত্বেও যাঁদের নাম আবাসের তালিকায় ওঠেনি, তাঁরা নতুন করে আবেদন জমা দিচ্ছেন। জেলার প্রতিটি ব্লকেই সেই আবেদন গ্রহণ করছে প্রশাসন।
জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত জেলাশাসক রৌণক আগরওয়াল বলেন, ব্লকস্তর থেকে আমাদের কাছে ৬৬ হাজার ৫৪৭ জনের নামের তালিকা জমা পড়েছে। এদিনের বৈঠকে জেলা প্রশাসনের তরফে ওই তালিকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
খসড়া তালিকা টাঙানোর পর বিভিন্ন জায়গা থেকে যেমন অভিযোগ ওঠে, পাকাবাড়ি কিংবা গাড়ি থাকা সত্ত্বেও বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ‘যোগ্য’ হিসেবে তাঁর নাম রয়েছে, তেমনই ভাঙাঘরে বাস করা সত্ত্বেও তাঁদের নাম আবাসের তালিকায় ওঠেনি বলেও পঞ্চায়েত কিংবা বিডিও অফিসে জমা পড়ে অভিযোগ। আবাসের তালিকায় নাম থাকা যেসব উপভোক্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ে, সঙ্গে সঙ্গে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয় প্রশাসন। সেক্ষেত্রে নাম বাদ পড়ে খোদ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের।
জলপাইগুড়ি সদরের পাহাড়পুর পঞ্চায়েতের বালাপাড়ার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য বাবলু বসাক ও তাঁর পরিবারের অনেকের নাম আবাসের তালিকায় থাকা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। এরপরই বিডিও মিহির কর্মকার নিজে গিয়ে তদন্ত করে আসেন। পরবর্তীতে পঞ্চায়েত সদস্য সহ তাঁর পরিবার ও ঘনিষ্ঠ মিলিয়ে ১২ জনের নাম আবাসের তালিকা থেকে বাদ যায়।
অন্যদিকে, ভাঙা ঘরে বাস করা সত্ত্বেও যাঁদের নাম আবাসের তালিকায় ওঠেনি, তাঁরা নতুন করে আবেদন জমা দিচ্ছেন। জেলার প্রতিটি ব্লকেই সেই আবেদন গ্রহণ করছে প্রশাসন।



