নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: মালদহে জালনোটের কারবারে রাশ টানতে ‘ব্লু প্রিন্ট’ তৈরি করছে পুলিস। গত কয়েকদিন পরপর ‘এ’ গ্রেডের পাঁচশো টাকার জালনোট ধরা পড়ার ঘটনার তদন্তের পর পুলিকর্তাদের দাবি, বাংলাদেশ থেকেই মুলত আসছে জালনোট। পাচারের এন্ট্রি পয়েন্ট হল বৈষ্ণবনগরের সীমান্তবর্তী চরিঅনন্তপুর। কখনও কাঁটাতারের ওপর দিয়ে ঢিল ছুড়ে, আবার উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করা হচ্ছে নোট। পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, জালনোটের কারবার রুখতে লাগাতার অভিযান এবং ধরপাকড় চলছে।
Advertisement
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈষ্ণবনগরে জালনোট ঢোকামাত্রই পাচারকারী এবং সমস্ত নোট পুলিসের জালে পড়ে যাচ্ছে। কিন্তু মাঝেমধ্যে সকলের চোখে ধুলো দিয়ে বৈষ্ণবনগর করিডর দিয়েই লক্ষ লক্ষ টাকার জালনোট পৌঁছে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কখনও সড়কপথে ফরাক্কা হয়ে ভিনরাজ্যে যাচ্ছে। আবার গঙ্গার জলপথ দিয়েও পাচার হচ্ছে জালনোট। এছাড়া ইংলিশবাজার হয়ে ট্রেনেও জালনোট সরবরাহ হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
জালনোটের কারবার এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চল দিয়ে পাচার বন্ধ করতেই ব্লু প্রিন্ট তৈরি করেছে পুলিস। ইতিমধ্যেই তারা বিভিন্ন জায়গায় নজরদারি শুরু করেছে। জালনোট সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে স্থানীয় বাজারে যাচ্ছে পুলিস। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে হাট এবং বাজারগুলিতে। আসল এবং নকল নোটের তফাৎ বোঝানোর কথাও ভাবা হচ্ছে এবার। এছাড়াও গোয়েন্দাদের বিশেষ টিম তৈরি করা হয়েছে। যারা সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজর রাখছে।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পুলিস এবং এসটিএফ বারবার জালনোট সহ পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করলেও বাংলাদেশি জালে পড়েনি। ফলে ভারত বিরোধী আন্তর্জাতিক চক্র জালনোটের কারবার বিস্তার করতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যবহার করছে সেবিষয়ে নিশ্চিত তাঁরা।
ডিসেম্বর মাসে গত এক সপ্তাহে প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি সব ‘এ’ গ্রেডের পাঁচশো টাকার। তাই সব অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে এবার জালনোটের কারবার বন্ধ করতে মরিয়া পুলিস।
জালনোটের কারবার এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চল দিয়ে পাচার বন্ধ করতেই ব্লু প্রিন্ট তৈরি করেছে পুলিস। ইতিমধ্যেই তারা বিভিন্ন জায়গায় নজরদারি শুরু করেছে। জালনোট সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে স্থানীয় বাজারে যাচ্ছে পুলিস। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে হাট এবং বাজারগুলিতে। আসল এবং নকল নোটের তফাৎ বোঝানোর কথাও ভাবা হচ্ছে এবার। এছাড়াও গোয়েন্দাদের বিশেষ টিম তৈরি করা হয়েছে। যারা সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজর রাখছে।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পুলিস এবং এসটিএফ বারবার জালনোট সহ পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করলেও বাংলাদেশি জালে পড়েনি। ফলে ভারত বিরোধী আন্তর্জাতিক চক্র জালনোটের কারবার বিস্তার করতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যবহার করছে সেবিষয়ে নিশ্চিত তাঁরা।
ডিসেম্বর মাসে গত এক সপ্তাহে প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি সব ‘এ’ গ্রেডের পাঁচশো টাকার। তাই সব অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে এবার জালনোটের কারবার বন্ধ করতে মরিয়া পুলিস।



