সংবাদদাতা, করিমপুর: জলঙ্গি নদীর পাড় থেকে বেআইনিভাবে মাটি কেটে নিচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটা কর্তৃপক্ষ। করিমপুর-২ ব্লকের থানারপাড়া থানার আজলামপুরে এঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, এই বেআইনি কাজের সঙ্গে প্রভাবশালীরা যুক্ত। তাই এবিষয়ে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর এবং পুলিসকে জানিয়েও লাভ হয়নি।
Advertisement
তেহট্ট মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক তথাগত মুখোপাধ্যায় বলেন, এলাকার মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে সপ্তাহখানেক আগেই সেখানে অভিযান চালানো হয়েছিল। এমনকী, একটি ইটভাটাকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়। আমাদের দপ্তরের তরফে মাটি কাটা রুখতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। কোনও নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সেটাকে খুব গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
আজলামপুরের বাসিন্দারা জানান, জলঙ্গি নদীর পূর্বদিকে নদীয়া ও পশ্চিমদিকে মুর্শিদাবাদ। দু’পাড়েই অবাধে মাটি কাটা হচ্ছে। সেই মাটির বেশিরভাগই দুই জেলার বিভিন্ন ইটভাটায় চলে যাচ্ছে। একটি জায়গায় নদীর পাড় কাটতে কাটতে অনেকটা ভিতরের দিকে চলে এসেছে। পাড় লাগোয়া এলাকায় কোনও ইটভাটা নেই। কিন্তু এই মাটি কেটে নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার নানা এলাকার ইটভাটায় পাচার করা হচ্ছে। এলাকার মানুষের অভিযোগ, ইটভাটা মালিকরা খুব প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না। তাঁদের পিছনে শাসকদলের একাংশের মদত রয়েছে। ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তর এবং পুলিসের নজরে বিষয়টি আনা হলেও তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি।
আজলামপুরের একটি ইটভাটার অংশীদার তথা নারায়ণপুর-২ পঞ্চায়েতের সদস্য সাইদুল কবিরাজ বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে যৌথভাবে একটি ইটভাটা চালাই। ইট তৈরিতে আমরা যে মাটি ব্যবহার করি, সেই মাটির যথাযথ ট্যাক্স সরকারের দপ্তরে জমা দিই। সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই আমরা ইটভাটা চালাচ্ছি। নদী থেকে মাটি কাটার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কোথায় কারা মাটি কাটছে, সেই দোষ সবসময় ইটভাটা মালিকদের উপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
তৃণমূলের করিমপুর-২ ব্লক সভাপতি কার্তিক মণ্ডল বলেন, যে সমস্ত কাজ সরকারি নীতির বিরুদ্ধে, সেসব আমাদের দল কখনও প্রশ্রয় দেয় না। তাই দলের তরফে কোনও ইটভাটা মালিককে এরকম কাজে মদতের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এসবের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই।
পুলিস জানিয়েছে, বেআইনিভাবে মাটি কাটা রুখতে এলাকার সর্বত্র কড়া নজরদারি চালানো হয়। এবিষয়ে কোনও অভিযোগ পেলে তা খতিয়ে দেখে আইনি পদক্ষেপও করা হয়।
আজলামপুরের বাসিন্দারা জানান, জলঙ্গি নদীর পূর্বদিকে নদীয়া ও পশ্চিমদিকে মুর্শিদাবাদ। দু’পাড়েই অবাধে মাটি কাটা হচ্ছে। সেই মাটির বেশিরভাগই দুই জেলার বিভিন্ন ইটভাটায় চলে যাচ্ছে। একটি জায়গায় নদীর পাড় কাটতে কাটতে অনেকটা ভিতরের দিকে চলে এসেছে। পাড় লাগোয়া এলাকায় কোনও ইটভাটা নেই। কিন্তু এই মাটি কেটে নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার নানা এলাকার ইটভাটায় পাচার করা হচ্ছে। এলাকার মানুষের অভিযোগ, ইটভাটা মালিকরা খুব প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না। তাঁদের পিছনে শাসকদলের একাংশের মদত রয়েছে। ভূমি ও ভূমিসংস্কার দপ্তর এবং পুলিসের নজরে বিষয়টি আনা হলেও তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি।
আজলামপুরের একটি ইটভাটার অংশীদার তথা নারায়ণপুর-২ পঞ্চায়েতের সদস্য সাইদুল কবিরাজ বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে যৌথভাবে একটি ইটভাটা চালাই। ইট তৈরিতে আমরা যে মাটি ব্যবহার করি, সেই মাটির যথাযথ ট্যাক্স সরকারের দপ্তরে জমা দিই। সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই আমরা ইটভাটা চালাচ্ছি। নদী থেকে মাটি কাটার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কোথায় কারা মাটি কাটছে, সেই দোষ সবসময় ইটভাটা মালিকদের উপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
তৃণমূলের করিমপুর-২ ব্লক সভাপতি কার্তিক মণ্ডল বলেন, যে সমস্ত কাজ সরকারি নীতির বিরুদ্ধে, সেসব আমাদের দল কখনও প্রশ্রয় দেয় না। তাই দলের তরফে কোনও ইটভাটা মালিককে এরকম কাজে মদতের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এসবের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই।
পুলিস জানিয়েছে, বেআইনিভাবে মাটি কাটা রুখতে এলাকার সর্বত্র কড়া নজরদারি চালানো হয়। এবিষয়ে কোনও অভিযোগ পেলে তা খতিয়ে দেখে আইনি পদক্ষেপও করা হয়।



