নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: জলঙ্গি সীমান্ত পার করাতে ২৩ হাজার টাকা দর হাঁকাচ্ছে দালালরা। বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের সেফ করিডর এখন জলঙ্গি সীমান্ত। রাতের অন্ধকারে বাংলাদেশিদের সীমান্ত দিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে। মোটা টাকার বিনিময়ে এই কাজ করছে দালালরা। লালগোলায় ধৃত বাংলাদেশি যুবক সোহেল রানা জলঙ্গি সীমান্ত দিয়েই ভারতে প্রবেশ করে। তার কাছ থেকে ২৩ হাজার টাকা নিয়ে সাবধানতার সঙ্গে সীমান্ত পার করিয়ে দেয় জলঙ্গি থানার দয়ারামপুরের বাসিন্দা শাহরুল মোল্লা। তাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস এই সেফ করিডরের ব্যাপারে জানতে পেরেছে।
Advertisement
বাংলাদেশ থেকে বহু যুবক সীমান্ত পেরিয়ে এপারে ঠাঁই নিচ্ছে। কয়েকদিন সীমান্ত লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দাদের বাড়িতে আত্মীয়ের পরিচয়ে থাকছে তারা। গ্রামে কয়েকদিন কাটিয়ে তারপর তারা চলে যাচ্ছে ভিন রাজ্যে। সেখানে গিয়ে অধিকাংশই রাজমিস্ত্রির ঠিকা শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে। বেশ কিছু দালাল সীমান্তের গ্রাম থেকে তাদেরকে চেন্নাই, কেরল কিংবা তামিলনাড়ুতে কাজে নিয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ ভারতে কাজ পেলে এক একজন শ্রমিকের মোটা টাকা উপার্জন হচ্ছে আর সেই টাকা থেকে দালালদের কমিশন দিচ্ছে তারা।
জানা যাচ্ছে, জলঙ্গির ঘোষপাড়া ও চর পরশপুর খোলা সীমান্ত দিয়ে গভীর রাতে কিংবা ভোররাতে অনেক বাংলাদেশি এপারে ঢুকেছে। তারা সীমান্ত পেরিয়ে দু’একদিন ওই গ্রামে কাটাচ্ছে। তারপর সেখান থেকে অন্য এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে থাকে। ততদিনে দালালরা তাদের কাগজপত্র ও টিকিট তৈরি করে দক্ষিণ ভারতে কাজের ব্যবস্থা করে দেয়। তার বিনিময়ে মোটা টাকা উপার্জন করছে দালালরা।
উল্লেখ্য, দু’দিন আগে জলঙ্গি সীমান্ত দিয়ে তিন বাংলাদেশিকে ওপারে পাঠানোর ব্যবস্থা করছিল দালালরা। তারা বেশ কিছুদিন আগে এই সীমান্ত দিয়েই মুর্শিদাবাদে ঢুকে দক্ষিণ ভারতে কাজে চলে যায়। বাড়ি ফেরার সময় সীমান্ত পার হতেই বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে যায়। তাদের কাছ থেকে সীমান্ত পার করে দেওয়ার জন্য ২১ হাজার টাকা দাবি করে দালালরা। বাংলাদেশিরা পাকড়াও হলেও কিন্তু সেই দালালরা ধরা পড়েনি। তাদের খোঁজে পুলিস সীমান্ত এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে।
এদিকে, লালগোলায় ধৃত সোহেলের বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহির গোদাগাড়িতে। সে সাত বছর আগে ভারতে ঢোকে জলঙ্গি সীমান্ত দিয়ে। তবে সে সেখানে বেশিদিন থাকেনি। জলঙ্গি থেকে সোজা চলে আসে লালগোলার আটরশিয়াতে। সেখানকার রামনগর এলাকায় এক যুবতীকে বিয়ে করে থাকতে শুরু করে। তার কাছ থেকে ভুয়ো আধার কার্ড উদ্ধার করেছে পুলিস। সোহেল রাজশাহির বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও লালগোলার আটরশিয়ার ঠিকানা দিয়ে নতুন আধার কার্ড বের করে নেয়। সোহেলের আধার কার্ডে তার বাবা ও মায়ের নামের পরিবর্তে স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল রশিদ ও শেফালি বিবির নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। তাদেরই মেয়েকে বিয়ে করে সোহেল। এদিকে সোহলের প্রকৃত বাবা ও মায়ের নাম সাইফুল ইসলাম ও জুলেখা বিবি। তারা বাংলাদেশের বাসিন্দা। পুলিসি জেরায় এসব কথা স্বীকার করেছে সে। বেআইনিভাবে আধার কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তনের অভিযোগে লালগোলার বালিগ্রাম থেকে অলিউল আলম নামে সোহেলের বন্ধুকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। সোহেল, অলিউল ও শাহরুল মিলে একটি মানব পাচারের র্যাকেট তৈরির চেষ্টা করছিল বলেই পুলিস জেনেছে।
জানা যাচ্ছে, জলঙ্গির ঘোষপাড়া ও চর পরশপুর খোলা সীমান্ত দিয়ে গভীর রাতে কিংবা ভোররাতে অনেক বাংলাদেশি এপারে ঢুকেছে। তারা সীমান্ত পেরিয়ে দু’একদিন ওই গ্রামে কাটাচ্ছে। তারপর সেখান থেকে অন্য এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে থাকে। ততদিনে দালালরা তাদের কাগজপত্র ও টিকিট তৈরি করে দক্ষিণ ভারতে কাজের ব্যবস্থা করে দেয়। তার বিনিময়ে মোটা টাকা উপার্জন করছে দালালরা।
উল্লেখ্য, দু’দিন আগে জলঙ্গি সীমান্ত দিয়ে তিন বাংলাদেশিকে ওপারে পাঠানোর ব্যবস্থা করছিল দালালরা। তারা বেশ কিছুদিন আগে এই সীমান্ত দিয়েই মুর্শিদাবাদে ঢুকে দক্ষিণ ভারতে কাজে চলে যায়। বাড়ি ফেরার সময় সীমান্ত পার হতেই বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে যায়। তাদের কাছ থেকে সীমান্ত পার করে দেওয়ার জন্য ২১ হাজার টাকা দাবি করে দালালরা। বাংলাদেশিরা পাকড়াও হলেও কিন্তু সেই দালালরা ধরা পড়েনি। তাদের খোঁজে পুলিস সীমান্ত এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে।
এদিকে, লালগোলায় ধৃত সোহেলের বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহির গোদাগাড়িতে। সে সাত বছর আগে ভারতে ঢোকে জলঙ্গি সীমান্ত দিয়ে। তবে সে সেখানে বেশিদিন থাকেনি। জলঙ্গি থেকে সোজা চলে আসে লালগোলার আটরশিয়াতে। সেখানকার রামনগর এলাকায় এক যুবতীকে বিয়ে করে থাকতে শুরু করে। তার কাছ থেকে ভুয়ো আধার কার্ড উদ্ধার করেছে পুলিস। সোহেল রাজশাহির বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও লালগোলার আটরশিয়ার ঠিকানা দিয়ে নতুন আধার কার্ড বের করে নেয়। সোহেলের আধার কার্ডে তার বাবা ও মায়ের নামের পরিবর্তে স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল রশিদ ও শেফালি বিবির নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। তাদেরই মেয়েকে বিয়ে করে সোহেল। এদিকে সোহলের প্রকৃত বাবা ও মায়ের নাম সাইফুল ইসলাম ও জুলেখা বিবি। তারা বাংলাদেশের বাসিন্দা। পুলিসি জেরায় এসব কথা স্বীকার করেছে সে। বেআইনিভাবে আধার কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তনের অভিযোগে লালগোলার বালিগ্রাম থেকে অলিউল আলম নামে সোহেলের বন্ধুকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। সোহেল, অলিউল ও শাহরুল মিলে একটি মানব পাচারের র্যাকেট তৈরির চেষ্টা করছিল বলেই পুলিস জেনেছে।



