সংবাদদাতা, ডোমকল: শুয়োরের অত্যাচারে জলঙ্গি ও সাগরপাড়ার সীমান্তের চরের কৃষকরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। রাতভর ফসলের খেতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শুয়োরের দল। মাটি খুঁড়ে একাঙ্গী তুলে খেয়ে সাবাড় করে দিচ্ছে। সরষে, গমখেতও শুয়োরের অবাধ বিচরণে নষ্ট হচ্ছে। বাধ্য হয়ে ফসল বাঁচাতে লাঠি হাতে পাহারা দিচ্ছেন কৃষকরা। তাঁদের অভিযোগ, এগুলি বুনো শুয়োর। যদিও বনদপ্তর জানিয়েছে, সেগুলি বুনো নয়, দলছুট শুয়োর।
Advertisement
বনদপ্তরের বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ ডিভিশনের এক আধিকারিক অমিতাভ পাল বলেন, আমাদের এখানে বুনো শুয়োর থাকার কথা নয়। এগুলি ফেরাল শুয়োর। অর্থাৎ পোষা শুয়োরই দলছুট হয়ে গিয়েছে। তাই এগুলি বন্য প্রাণীর মধ্যে পড়ছে না। তবে আমাদের কাছে এখনও তেমন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রানিনগর, সাগরপাড়া, জলঙ্গির ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষে পদ্মার শাখানদী বয়ে গিয়েছে। নদীর দু’পারের চরে ভারতীয় চাষিদের প্রচুর কৃষিজমি রয়েছে। কৃষকদের দাবি, আগে সীমান্তের জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি জঙ্গলে ওই সমস্ত শুয়োর বিচরণ করত। মাঝেমধ্যে চরে যাওয়া কৃষকদের উপর এক-দু’বার হামলা চালালেও পরিস্থিতি ততটা খারাপ ছিল না। তবে সম্প্রতি শুয়োরের অত্যাচারে জলঙ্গি, সাগরপাড়ার সীমান্তবর্তী চরের কৃষকরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। বিশেষত জলঙ্গির চর উদয়নগর খণ্ড কলোনি ও চর পরাসপুরের বাংলাদেশ ঘেঁষা কৃষিজমিতে সবচেয়ে বেশি শুয়োরের অত্যাচার চলছে। সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রাম লাগোয়া ফসলের খেতে ওই সমস্ত শুয়োর আস্তানা গেড়েছে। রাত হলেই ফসলের খেতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। অন্ধকারের মধ্যেই জমির একাঙ্গী তুলে খেয়ে সাবাড় করে দিচ্ছে। সর্ষের জমিতে দলে দলে শুয়োর ঘুরে বেড়ানোয় ফুল ঝরে যাচ্ছে। সেজন্য লাঠি হাতে রাত জেগে ফসল রক্ষা করছেন কৃষকরা। জলঙ্গির ওই দুই চরের পাশাপাশি সাগরপাড়ার সিংপাড়া, চর কাকমারি, বামনাবাদেও শুয়োরের দাপট শুরু হয়েছে।
জলঙ্গির ঘোষপাড়া পঞ্চায়েতের সদস্য আজাদ আলি বলেন, আমাদের চরে শুয়োরের ব্যাপক অত্যাচার শুরু হয়েছে। লোকের ফসল পুরো সাবাড় করে দিচ্ছে। যাঁদের একাঙ্গীর মত দামি ফসল আছে, তাঁরা ফসল রক্ষা করতে লাঠি হাতে মাঠ পাহারা দিচ্ছেন।
পরাসপুরের জাবদুল মণ্ডল বলেন, বিঘাখানেকের কাছাকাছি জমিতে একাঙ্গী বুনেছিলাম। এক রাতেই প্রায় ৫০কেজি একাঙ্গী খেয়ে সাবাড় করে দিয়েছে বুনো শুয়োরের দল। চর কাকমারির চাষি রহিদুল মণ্ডল বলেন, জমিতে এখনও শুয়োরের অত্যাচার চলছে। আমরা চাই, বনদপ্তর এসব শুয়োর সরানোর ব্যবস্থা করুক।
রানিনগর, সাগরপাড়া, জলঙ্গির ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষে পদ্মার শাখানদী বয়ে গিয়েছে। নদীর দু’পারের চরে ভারতীয় চাষিদের প্রচুর কৃষিজমি রয়েছে। কৃষকদের দাবি, আগে সীমান্তের জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি জঙ্গলে ওই সমস্ত শুয়োর বিচরণ করত। মাঝেমধ্যে চরে যাওয়া কৃষকদের উপর এক-দু’বার হামলা চালালেও পরিস্থিতি ততটা খারাপ ছিল না। তবে সম্প্রতি শুয়োরের অত্যাচারে জলঙ্গি, সাগরপাড়ার সীমান্তবর্তী চরের কৃষকরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। বিশেষত জলঙ্গির চর উদয়নগর খণ্ড কলোনি ও চর পরাসপুরের বাংলাদেশ ঘেঁষা কৃষিজমিতে সবচেয়ে বেশি শুয়োরের অত্যাচার চলছে। সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রাম লাগোয়া ফসলের খেতে ওই সমস্ত শুয়োর আস্তানা গেড়েছে। রাত হলেই ফসলের খেতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। অন্ধকারের মধ্যেই জমির একাঙ্গী তুলে খেয়ে সাবাড় করে দিচ্ছে। সর্ষের জমিতে দলে দলে শুয়োর ঘুরে বেড়ানোয় ফুল ঝরে যাচ্ছে। সেজন্য লাঠি হাতে রাত জেগে ফসল রক্ষা করছেন কৃষকরা। জলঙ্গির ওই দুই চরের পাশাপাশি সাগরপাড়ার সিংপাড়া, চর কাকমারি, বামনাবাদেও শুয়োরের দাপট শুরু হয়েছে।
জলঙ্গির ঘোষপাড়া পঞ্চায়েতের সদস্য আজাদ আলি বলেন, আমাদের চরে শুয়োরের ব্যাপক অত্যাচার শুরু হয়েছে। লোকের ফসল পুরো সাবাড় করে দিচ্ছে। যাঁদের একাঙ্গীর মত দামি ফসল আছে, তাঁরা ফসল রক্ষা করতে লাঠি হাতে মাঠ পাহারা দিচ্ছেন।
পরাসপুরের জাবদুল মণ্ডল বলেন, বিঘাখানেকের কাছাকাছি জমিতে একাঙ্গী বুনেছিলাম। এক রাতেই প্রায় ৫০কেজি একাঙ্গী খেয়ে সাবাড় করে দিয়েছে বুনো শুয়োরের দল। চর কাকমারির চাষি রহিদুল মণ্ডল বলেন, জমিতে এখনও শুয়োরের অত্যাচার চলছে। আমরা চাই, বনদপ্তর এসব শুয়োর সরানোর ব্যবস্থা করুক।



