নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: স্কুলপড়ুয়াদের মিড-ডে মিলের গুণগত মান নিয়ে কোনও আপস করতে রাজি নয় রাজ্য সরকার। খাবারে পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে মিড-ডে মিল রাঁধুনিদের প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। বীরভূম জেলাজুড়েই ধাপে ধাপে সেই কাজ চলছে। ইতিমধ্যে সিউড়ি-১, সাঁইথিয়া ও নলহাটি-২ ব্লকের রাঁধুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এবার বোলপুরের রাঁধুনিদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। জেলা খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক প্রসেনজিৎ বটব্যাল নিজেই প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।
Advertisement
জেলা খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিক বলেন, শুধুমাত্র বাচ্চাদের পেট ভরানোই লক্ষ্য নয়। তাদের সুরক্ষিত খাবার দেওয়া ও পুষ্টির চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
পড়ুয়াদের মিড-ডে মিল নিয়ে রাজ্যের নানা প্রান্তে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছিল। সেজন্য এবার খাবারে পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বীরভূম জেলাজুড়ে প্রায় ৩৭৮৩টি স্কুলে মিড-ডে মিল রান্না হয়। ৫ লক্ষ ১৮হাজার ২০২জন পড়ুয়া সেই খাবার পায়। এই খাবার রান্নার দায়িত্বে রয়েছেন প্রায় ১০১২৩জন রাঁধুনি। তাঁদের রান্না করা খাবারের মাধ্যমে যাতে পড়ুয়াদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়, সেই লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসন, খাদ্যসুরক্ষা ও স্বাস্থ্যদপ্তর একযোগে রাঁধুনিদের প্রশিক্ষিত করে তোলা শুরু করেছে।
গত বছর অক্টোবরের শেষদিকে এই কাজ শুরু হয়। প্রথমে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে সিউড়ি-১ ব্লককে বেছে নেওয়া হয়েছিল। তারপর ধাপে ধাপে সাঁইথিয়া ও নলহাটি-২ ব্লকেও রাঁধুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে জেলার ৪১০জন রাঁধুনিকে ‘ফুড সেফটি ট্রেনিং অ্যান্ড সার্টিফিকেট’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। কোন সব্জি কীভাবে রান্না করলে পুষ্টিগুণ বজায় থাকবে, কোন পাত্রে রান্না করা ভালো, রান্নার পর তা কীভাবে রাখা হবে-এসব একদিনের এই প্রশিক্ষণে তাঁদের শেখানো হয়। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খাদ্যসুরক্ষার দিকটিও নিশ্চিত করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের আশা, ছয়মাসের মধ্যে প্রশিক্ষণের কাজ অনেকদূর এগিয়ে যাবে।
পড়ুয়াদের মিড-ডে মিল নিয়ে রাজ্যের নানা প্রান্তে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছিল। সেজন্য এবার খাবারে পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বীরভূম জেলাজুড়ে প্রায় ৩৭৮৩টি স্কুলে মিড-ডে মিল রান্না হয়। ৫ লক্ষ ১৮হাজার ২০২জন পড়ুয়া সেই খাবার পায়। এই খাবার রান্নার দায়িত্বে রয়েছেন প্রায় ১০১২৩জন রাঁধুনি। তাঁদের রান্না করা খাবারের মাধ্যমে যাতে পড়ুয়াদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়, সেই লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসন, খাদ্যসুরক্ষা ও স্বাস্থ্যদপ্তর একযোগে রাঁধুনিদের প্রশিক্ষিত করে তোলা শুরু করেছে।
গত বছর অক্টোবরের শেষদিকে এই কাজ শুরু হয়। প্রথমে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে সিউড়ি-১ ব্লককে বেছে নেওয়া হয়েছিল। তারপর ধাপে ধাপে সাঁইথিয়া ও নলহাটি-২ ব্লকেও রাঁধুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে জেলার ৪১০জন রাঁধুনিকে ‘ফুড সেফটি ট্রেনিং অ্যান্ড সার্টিফিকেট’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। কোন সব্জি কীভাবে রান্না করলে পুষ্টিগুণ বজায় থাকবে, কোন পাত্রে রান্না করা ভালো, রান্নার পর তা কীভাবে রাখা হবে-এসব একদিনের এই প্রশিক্ষণে তাঁদের শেখানো হয়। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খাদ্যসুরক্ষার দিকটিও নিশ্চিত করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের আশা, ছয়মাসের মধ্যে প্রশিক্ষণের কাজ অনেকদূর এগিয়ে যাবে।



