নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: খরিফ মরশুমে রাজ্যজুড়ে চাষিদের কাছ থেকে সরকারি উদ্যোগে ধান কেনার কাজ শুরু হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলায় এবার রেকর্ড পরিমাণ ধান কেনা হবে। এ বছর জেলার চাষিদের থেকে মোট ৬ লক্ষ ২২ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনবে রাজ্য সরকার। সোমবার থেকে জেলাজুড়ে ধান ক্রয় শুরু করেছে খাদ্যদপ্তর। জেলার ৪৫টি স্থায়ী ক্রয় কেন্দ্র (সিপিসি) থেকে ধান কেনা শুরু হতেই চাষিরা লাইন দিতে শুরু করেছেন। ১৮ নভেম্বর থেকে ধান কেনা শুরু হলেও মুর্শিদাবাদে ইন্টারনেট পরিষেবা না থাকায় চলতি সপ্তাহ থেকেই ধান কেনা শুরু হয়েছে। প্রথম দিনই চাষিরা উৎসাহের সঙ্গে ধান বিক্রি করেছেন। জেলা খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার স্থায়ী ৪৫টি কেন্দ্রে ধান বিক্রি করেছেন চাষিরা।
Advertisement
জেলা খাদ্য নিয়ামক সুদীপ্ত সামন্ত বলেন, ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক হতেই সোমবার থেকে জেলাজুড়ে ধান কেনা শুরু হয়েছে। প্রথম দিন স্থায়ী ক্রয় কেন্দ্র থেকে ২১০০ মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছে।
এবছর ধানের সহায়ক মূল্য বেড়ে কুইন্টাল পিছু ২৩০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ধান ক্রয় কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কুইন্টাল পিছু অতিরিক্ত ২০ টাকা করে দেওয়া হবে চাষিদের। যার ফলে সরকারি সিপিসিতে ধান দেওয়ার জন্য উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নভেম্বর মাস থেকে ধান কেনা শুরু করলেও কেনার কাজে গতি আসে ডিসেম্বর মাস থেকে। কারণ, জমি থেকে তখন বেশি পরিমাণে ধান উঠতে শুরু করে। নভেম্বর মাসে নতুন ধান খুব কম পরিমাণে ওঠে। তবে যে সমস্ত চাষি রবিশস্য চাষ করেন, তাঁরা আগেভাগে ধান তুলে ফেলেন। সাধারণত তাঁরাই প্রথম দু’দিন সিপিসিতে এসে ভিড় করছেন। মরশুমের প্রথমে সরকারকে ধান দিতে পেরে খুশি অনেকেই। কোথাও যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই জন্য প্রত্যেকটি সিপিসিতে পুলিস মোতায়ন করা হয়েছে।
হরিহরপাড়া কৃষক বাজারে মঙ্গলবার ধান বিক্রি করতে এসেছিলেন জুলফিকার শেখ। তিনি বলেন, অনলাইনে আগাম বুকিং করে ধান বিক্রি করতে এসেছি। এবার কোনও ঝামেলায় পড়তে হয়নি। ছ’কুইন্টাল ধান একবারেই বিক্রি হয়ে গেল। কুইন্টাল পিছু ২৩২০ টাকা করে দাম দিয়েছে সরকার। এই টাকা হাতে পেলে শীতের সব্জি চাষ করতে পারব।
জেলা খাদ্যদফতরের এক আধিকারিক জানান, ধান কেনার বেশিরভাগটাই হয় ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে। প্রকৃত চাষির কাছ থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ধান কেনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা এবারও থাকছে। নাম নথিভুক্ত করা ও ধান বিক্রির সময় চাষির আধার বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে যাচাই করা হবে। নথিভুক্ত চাষিদের অনলাইনে আগাম বুকিং করে ধান বিক্রি করতে আসতে হবে। অধিকাংশ চাষি এই নিয়ম জানে। তাই কোথাও কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
উল্লেখ্য, চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার পর তা সরাসরি নথিভুক্ত রাইস মিলগুলিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় চাল উৎপাদনের জন্য। এবার রাইস মিলগুলিকে নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে খাদ্যদপ্তরে বৈঠকের মাধ্যমে অচলাবস্থা কাটে। সরকারের কেনা ধান থেকে চাল উৎপাদনের জন্য নাম নথিভুক্ত করতে রাজি হয় রাইস মিল মালিক সংগঠন।
এবছর ধানের সহায়ক মূল্য বেড়ে কুইন্টাল পিছু ২৩০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ধান ক্রয় কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কুইন্টাল পিছু অতিরিক্ত ২০ টাকা করে দেওয়া হবে চাষিদের। যার ফলে সরকারি সিপিসিতে ধান দেওয়ার জন্য উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নভেম্বর মাস থেকে ধান কেনা শুরু করলেও কেনার কাজে গতি আসে ডিসেম্বর মাস থেকে। কারণ, জমি থেকে তখন বেশি পরিমাণে ধান উঠতে শুরু করে। নভেম্বর মাসে নতুন ধান খুব কম পরিমাণে ওঠে। তবে যে সমস্ত চাষি রবিশস্য চাষ করেন, তাঁরা আগেভাগে ধান তুলে ফেলেন। সাধারণত তাঁরাই প্রথম দু’দিন সিপিসিতে এসে ভিড় করছেন। মরশুমের প্রথমে সরকারকে ধান দিতে পেরে খুশি অনেকেই। কোথাও যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই জন্য প্রত্যেকটি সিপিসিতে পুলিস মোতায়ন করা হয়েছে।
হরিহরপাড়া কৃষক বাজারে মঙ্গলবার ধান বিক্রি করতে এসেছিলেন জুলফিকার শেখ। তিনি বলেন, অনলাইনে আগাম বুকিং করে ধান বিক্রি করতে এসেছি। এবার কোনও ঝামেলায় পড়তে হয়নি। ছ’কুইন্টাল ধান একবারেই বিক্রি হয়ে গেল। কুইন্টাল পিছু ২৩২০ টাকা করে দাম দিয়েছে সরকার। এই টাকা হাতে পেলে শীতের সব্জি চাষ করতে পারব।
জেলা খাদ্যদফতরের এক আধিকারিক জানান, ধান কেনার বেশিরভাগটাই হয় ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে। প্রকৃত চাষির কাছ থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ধান কেনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা এবারও থাকছে। নাম নথিভুক্ত করা ও ধান বিক্রির সময় চাষির আধার বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে যাচাই করা হবে। নথিভুক্ত চাষিদের অনলাইনে আগাম বুকিং করে ধান বিক্রি করতে আসতে হবে। অধিকাংশ চাষি এই নিয়ম জানে। তাই কোথাও কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
উল্লেখ্য, চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার পর তা সরাসরি নথিভুক্ত রাইস মিলগুলিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় চাল উৎপাদনের জন্য। এবার রাইস মিলগুলিকে নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে খাদ্যদপ্তরে বৈঠকের মাধ্যমে অচলাবস্থা কাটে। সরকারের কেনা ধান থেকে চাল উৎপাদনের জন্য নাম নথিভুক্ত করতে রাজি হয় রাইস মিল মালিক সংগঠন।



