সংবাদদাতা, কাঁথি: সাম্প্রতিক জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত দীঘার ‘সৈকত সরণি’ সংস্কারের কাজ শুরু হল। ওল্ড দীঘার ১ নম্বর ঘাট থেকে নিউ দীঘা পর্যন্ত ভাঙাচোরা পেভার ব্লক সরিয়ে নতুন ব্লক বসানো হচ্ছে। কোথাও গার্ডওয়াল থেকে পাথর খুলে গিয়েছিল। সেগুলিও নতুন করে বসানো হচ্ছে। সেচদপ্তর ও দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থা (ডিএসডিএ) এই কাজ করছে। উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’র প্রভাবে দীঘার সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস সেভাবে হয়নি। তবে এবছর দুর্গাপুজোর পর পূর্ণিমার ভরা কোটালে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাস হয় দীঘায়। ঢেউ কংক্রিটের গার্ডওয়াল অতিক্রম করে সৈকত সরণি ভাসিয়ে দিয়েছিল। একহাঁটু জল দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। এমনকী দীঘা শহরের মূল রাস্তায় জল থইথই করছিল। এছাড়া তার আগে বেশ কয়েকবার জলোচ্ছ্বাসে সৈকত সরণি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পেভার ব্লকগুলি উঠে গিয়েছিল কিংবা পাথর সরে গিয়েছিল। পর্যটকরা হাঁটতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন প্রায়শই। তাই সৈকত সরণির ক্ষত সারানো অর্থাৎ সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসডিএ।
Advertisement
তাছাড়া ডানা পরবর্তী সময়ে জেলাশাসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল কনফারেন্স করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তিনি ‘ডানার’ প্রভাবে দীঘায় কোথাও কোনও ক্ষতি হয়েছে কি না, তার খোঁজখবর নেন। ডিসেম্বরে পর্যটন মরশুমের আগে দীঘাকে পুনর্গঠন এবং নতুন করে সাজানোর কাজ শেষ করার জন্য উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান তথা জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজীকে নির্দেশ দেন। তারপর প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে পেভার ব্লকগুলিকে বুলডোজার দিয়ে টেনে তোলা হচ্ছে। সেগুলি ট্রাক্টরে করে অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। সেই জায়গায় নতুন পেভার ব্লক বসানো হচ্ছে। লাল রঙের লক্ষাধিক পেভার ব্লক আনা হয়েছে। সেচদপ্তর সিংহভাগ কাজ এককভাবে করছে। তবে কিছু জায়গায় পেভার ব্লক বসাবে ডিএসডিএ। এবিষয়ে উন্নয়ন সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক তথা কাঁথির মহকুমা শাসক বলেন, জলোচ্ছ্বাসে সৈকত সরণি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। যে সব জায়গায় পেভার ব্লক পরিবর্তন করা প্রয়োজন, সেখানে করা হচ্ছে।
ডিসেম্বরের পর্যটন মরশুমের আগে কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আগামী দু’এক মাসের মধ্যে দীঘায় জগন্নাথধাম উদ্বোধন করার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। একদিকে জগন্নাথধাম তৈরির শেষ পর্যায়ের কাজ জোরকদমে চলছে। অন্যদিকে, মাসির বাড়ি থেকে জগন্নাথধাম পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ও সম্প্রসারণের কাজে তৎপরতা দেখাচ্ছে পূর্তদপ্তর। রাস্তা দু’দিকে বেশ কিছুটা চওড়া করার পাশাপাশি পেভার ব্লক বসানোর কাজ চলছে যুদ্ধকালীন গতিতেই।
জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে পেভার ব্লকগুলিকে বুলডোজার দিয়ে টেনে তোলা হচ্ছে। সেগুলি ট্রাক্টরে করে অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। সেই জায়গায় নতুন পেভার ব্লক বসানো হচ্ছে। লাল রঙের লক্ষাধিক পেভার ব্লক আনা হয়েছে। সেচদপ্তর সিংহভাগ কাজ এককভাবে করছে। তবে কিছু জায়গায় পেভার ব্লক বসাবে ডিএসডিএ। এবিষয়ে উন্নয়ন সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক তথা কাঁথির মহকুমা শাসক বলেন, জলোচ্ছ্বাসে সৈকত সরণি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। যে সব জায়গায় পেভার ব্লক পরিবর্তন করা প্রয়োজন, সেখানে করা হচ্ছে।
ডিসেম্বরের পর্যটন মরশুমের আগে কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আগামী দু’এক মাসের মধ্যে দীঘায় জগন্নাথধাম উদ্বোধন করার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। একদিকে জগন্নাথধাম তৈরির শেষ পর্যায়ের কাজ জোরকদমে চলছে। অন্যদিকে, মাসির বাড়ি থেকে জগন্নাথধাম পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ও সম্প্রসারণের কাজে তৎপরতা দেখাচ্ছে পূর্তদপ্তর। রাস্তা দু’দিকে বেশ কিছুটা চওড়া করার পাশাপাশি পেভার ব্লক বসানোর কাজ চলছে যুদ্ধকালীন গতিতেই।



