সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: জেলবন্দি অভিযুক্তের বাড়িতে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ। নবদ্বীপের নতুন আনন্দবাস গ্রামের ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার এনিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে ২৯মে নতুন আনন্দবাসের গোপাল ঘোষের সঙ্গে ফরেস্টডাঙার গীতার বিয়ে হয়। গত ৪ ডিসেম্বর রাতে গীতার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। বধূর মা মেলিয়া চৌধুরী থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ দায়ের করেন। গোপাল তার বাবা, মা, ভাশুর এবং বোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। সেই ঘটনায় পুলিস গোপালকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে সে জেলবন্দি রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই বধূর শ্বশুর ও শাশুড়ি বাড়ি ছাড়া।
গোপালের বোন শ্যামলী ঘোষ বলেন, বউদি বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছিল। ওরা আমার ভাই, বাবা-মা সকলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দাদা বর্তমানে জেলে রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই দাদার শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায় দিনই হুমকি দিত, বাড়িঘর ভাঙচুর করব জ্বালিয়ে দেব। আমাদের বাড়ি ফাঁকাই ছিল। ওরাই বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। শোকেস, আলমারি খাট সবকিছু ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এমনকী ঘরে থাকা সোনা ও রুপোর গয়না, কাঁসার বাসনপত্র, টিভি নিয়ে গিয়েছে। আমি বউদির বাপেরবাড়ির লোকজন বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি। ওরাই এই ভাঙচুর চালিয়েছে।
গোপালের বোন শ্যামলী ঘোষ বলেন, বউদি বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছিল। ওরা আমার ভাই, বাবা-মা সকলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দাদা বর্তমানে জেলে রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই দাদার শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায় দিনই হুমকি দিত, বাড়িঘর ভাঙচুর করব জ্বালিয়ে দেব। আমাদের বাড়ি ফাঁকাই ছিল। ওরাই বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। শোকেস, আলমারি খাট সবকিছু ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এমনকী ঘরে থাকা সোনা ও রুপোর গয়না, কাঁসার বাসনপত্র, টিভি নিয়ে গিয়েছে। আমি বউদির বাপেরবাড়ির লোকজন বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি। ওরাই এই ভাঙচুর চালিয়েছে।



