নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীদের চিহ্নিত করতে বীরভূম জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর তৃণমূল স্তরে কাজ শুরু করল। জেলাজুড়ে টানা ১০০ দিন ধরে এই কর্মসূচি চলবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে রোগীদের শনাক্তকরণের কাজ চলবে। সেইসঙ্গে তাঁদের চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তোলার কাজও হবে। যক্ষ্মা নিরাময়ে রোগীদের শনাক্তকরণের কাজ চালানোর পাশাপাশি নিয়মিত প্রচারও চালানো হচ্ছে।
Advertisement
জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে প্রায় ২৩০০ রোগীকে শনাক্ত করে চিকিৎসার আওতায় আনা গিয়েছিল। এবার জেলাজুড়ে স্পেশাল ড্রাইভ শুরু হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্তদের খোঁজার কাজ শুরু করেছেন। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে গত বছরের ডিসেম্বরের ৯ তারিখ থেকে সেই কাজ শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে যক্ষ্মা নির্ণায়ক পরীক্ষা বাড়ানোর উপরেও যথেষ্ট জোর দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য যক্ষ্মা নির্মূল করা। সেই লক্ষ্যেই কাজ এগচ্ছে বলেই জানান জেলার স্বাস্থ্যকর্তারা।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলার বোলপুরে যক্ষ্মা আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা হলেও বেশি। তবে মহম্মদ বাজার এলাকাতেও আক্রান্তের সংখ্যা খুব একটা কম নয়। সেই এলাকায় পাথরের ক্র্যাশার থাকার যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে। জানা গিয়েছে, ক্র্যাশারের জেরে এলাকায় ধুলো ছড়িয়ে পড়ছে। তার থেকেই আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিয়মিত প্রচারে জোর দেওয়া হয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকর্তা হিমাদ্রি আড়ি বলেন, ভালোভাবেই কাজ চলছে। আশা করা যায়, যক্ষ্মা নিরাময়ে আমরা ভালো জায়গায় পৌঁছাতে পারব।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলার বোলপুরে যক্ষ্মা আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা হলেও বেশি। তবে মহম্মদ বাজার এলাকাতেও আক্রান্তের সংখ্যা খুব একটা কম নয়। সেই এলাকায় পাথরের ক্র্যাশার থাকার যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে। জানা গিয়েছে, ক্র্যাশারের জেরে এলাকায় ধুলো ছড়িয়ে পড়ছে। তার থেকেই আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিয়মিত প্রচারে জোর দেওয়া হয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকর্তা হিমাদ্রি আড়ি বলেন, ভালোভাবেই কাজ চলছে। আশা করা যায়, যক্ষ্মা নিরাময়ে আমরা ভালো জায়গায় পৌঁছাতে পারব।



